কোনো কিছু করার চেষ্টায় হার না মানা এক ফুটবল খেলোয়াড়ের কঠোর চেষ্টার অবলম্বনে তৈরি রুডি সিনেমাটি | Rudy Film Explained in Bengali

ডেভিড আনস্পাগ ডাইরেক্ট ১৯৯৩ সালে তৈরি রুডি সিনেমাটির গল্পটি লিখেছেন এঙ্গেল পিজও। সিনেমাটিতে মুখ চরিতে টোটাল ১৮ জন অভিনয় করেছেন মেন্ রুডির রোলটিতে এক্টিং করেছেন শন অ্যাস্টিন

rudy movie, rudy , রুডি সিনেমা , rudy movie poster, rudy movie cast

রুডি আইএমডিবি রেটিং


পপুলার রুডি ১১৬ মিনিটের সিনেমাটির বাজেট ১২ মিলিয়ন ডলার সিনেমা হলের মোট বাক্স অফিস কালেকশন ২২ মিলিয়ন ডলার সব শেষে রুডি সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৭.৫ /১০

সিনেমাটির সংক্ষেপে বর্ণনা দিলাম

রুডি নামের একটা ছেলের জীবনের আসল ঘটনা থেকে তৈরি করা হয়েছে রুটি নিজের ছোটবেলার একটা স্বপ্ন দেখেছিল। আর সেই স্বপ্নটাকে পূরণ করার জন্য সারাজীবন ধরে চেষ্টা করে যায়। ছোটবেলা থেকেই রুটি স্বপ্ন ছিল একজন ফুটবল প্লেয়ার হওয়া কিন্তু ওর বাকি সমস্ত ভাই ওর বন্ধুবান্ধব এমনকি ওর বাবাও ওর এই স্বপ্নের জন্যে ওকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করতো । কারণ ওরা সবাই মনে করত রুটি কখনোই একজন ফুটবল প্লেয়ার হতে পারবে না। একজন ফুটবল প্লেয়ার হতে গেলে যেমন শারীরিক গঠন দরকার ছিল রুটি থেকে চেহারায় অনেক ছোটখাটো ছিল। আর সেজন্যই ভাই আর তারা কখনোই নিজেদের সাথে ওকে খেলার সুযোগ দিত না।

এবার একদিন রাতে ডিনার করার সময় রুটি ওর বাবাকে জানায় হাই স্কুল শেষ করার পর আমি নটরডেম টিমের হয়ে ফুটবল খেলতে চাইছিল। আমেরিকার সবচেয়ে নামকরা কলেজ ফুটবল টিম আর এই টিমের হয়ে খেলতে পারে। প্রত্যেক আমেরিকানের কাছে একটা গর্বের ব্যাপার ছিল। আর এই কথাটা শোনার পর ওখানে ওর বাবা আর বাকি ভাইরা ওর উপরে হাসাহাসি শুরু করে দেয়। কারণ ওরা সবাই মনে করত নিজের এই ছোটখাটো চেহারার জন্য কখনোই ফুটবল টিমের চান্স পাবেনা। কিন্তু ছোটবেলা থেকে প্রচণ্ড চাইতে ফুটবল খেলতে ফুটবল টিমের এতটাই অন্ধ ভক্ত ছিল। ওই টিমের প্রত্যেকটা খেলা অনেক বার করে রেখেছিল। এমনকি ওই খেলাধুলোর শুরু থেকে শেষ অব্দি পুরো কমেন্ট্রি ওর মুখ ধরে গেছিল। এবার দেখা যায় আরো বড় হয়ে গেছে আর হাইস্কুলে ভর্তি রয়েছে। কিন্তু নিজের স্বপ্নটাকে এখনো ভুলতে পারিনি আর সেজন্য স্কুলের মধ্যে ক্লাস চলাকালীন ও সবসময় ফুটবলে চিন্তা ভাবনা করত। আর এই কাজের জন্য বহুবার ক্লাস টিচারের কাছে বকা শুনতে হয়েছিল। এবার একদিন স্কুল থেকে নটরডেম ইউনিভার্সিটি একটা এডুকেশনাল ট্যুর অ্যারেঞ্জ করা হয়।

যেখানে এস্কুল স্টুডেনদের কে ইউনিভার্সিটি তে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া হবে আর এটা ছিল। সেই ইউনিভারসিটিতে ফুটবল খেলা ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন ছিল। এবার পরের দিন সকালে ইউনিভার্সিটি যাওয়ার জন্য যখন ওদের বাসায় উঠেছিল। তখন একটা টিচার ওকে আটকে দেয় আর রুটি কে প্রশ্ন করে তুমি এখানে কী করতে যাচ্ছ। এটা কোন ঘোরার জায়গা না তখন উত্তর দেয় আমিও ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে চাই তখন চার বলে সবার দ্বারা সব কাজ হয় না। তোমার নাম্বার এতটাই কম যে তুমি হয়তো একটা সরকারি ইউনিভার্সিটি তে চান্স পাবে না। তো অনেক দূরের কথা এবার দেখা যায়। এই ঘটনার 4 বছর হয়ে গেছে আর নিজের শেষ করার পর ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়নি। ও নিজের বাবার সাথে জয়েন করে আর এখনো ওখানেই টাইম কাজ করে। আর এখানে রুটির সাথে ওর ছোটবেলার একটা বন্ধু কাজ করতো আর 22 তম জন্মদিনে ওর বন্ধুটার নাম ফুটবল টিমের একটা জ্যাকেট গিফট করে যেটা থেকে রুটি খুবই খুশি হয়।

আর এই পৃথিবীতে একমাত্র মানুষ খেকো স্বপ্নগুলোকে ভরসা করত আমাকে সবসময় উৎসাহ দিত আর ওর বন্ধুটা মন থেকে চাই একজন নয় ফুটবল খেলি কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই বন্ধুটা বেশিদিন সঙ্গে থাকতে পারিনি কারণ তার বন্ধুর সঙ্গে যে কারখানায় কাজ করতো একদিন সেখানে একটা বিস্ফোরণ ঘটে। আর বিস্ফোরণের বন্ধু মারা যায় আর এই ঘটনার পর পুরোপুরিভাবে ভেঙে পড়ে আর ওর বন্ধুর ফোন চলাকালীন ডিসিশন নেয়। যেভাবেই হোক ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হবে এবার রুটি জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি যাওয়ার ডিসিশন নিয়ে ফেলেছি তখন গার্লফ্রেন্ড ওকে আটকাতে আসে কিন্তু ওর কোন কথা শুনতে চাই না আমি যদি এখান থেকে যেতে না পারি। তাহলে আমি সারা জীবনের জন্য নিজের কাছে ছোট হয়ে যাব তখন ওর গার্লফ্রেন্ড বলে তুমি যদি যেতে চাও তাহলে তোমাকে একাই যেতে হবে। আমি তোমার সঙ্গে যেতে পারবো না রুটি উত্তর দেয় হ্যাঁ আমি সেটা জানি আরে বাবা তোকে আটকানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু রুবিনার কথা শোনেনা রুটির বন্ধু মারা যাওয়ার পরও ঠিক করে নিয়েছিল। যেভাবেই হোক ওপেন ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে হবে এবার নিজের ঘরবাড়ি ফ্যামিলি গার্লফ্রেন্ডের সবকিছু ছেড়ে রুটিন নটরডেম ইউনিভার্সিটি উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে আরো ইউনিভার্সিটি পৌছানোর পর উনি ওখানে দায়িত্বে থাকা একজন সাধারন সঙ্গে কথা বলে। ওনাকে জানাই আমি এই ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হতে চাই যদিও আমার নাম্বার খুবই কম আর আমি এর আগে কখনো এখানে ভর্তি হওয়ার জন্য অ্যাপলিকেশন করিনি। কিন্তু এখন এখানে ভর্তি হওয়ার জন্য আমি সবকিছু করতে রাজি আছি দরকার পড়লে আমি দিনের মধ্যে কুড়ি ঘন্টা করে পড়াশোনা করব। আমি এখন আমার বন্ধু সেমরায় থেকে সোজা এখানে চলে এসেছি।

আর এরপরই নিজের ছোটবেলার স্বপ্নের কথা ফাদারকে জানায় তখন ওই ফাদার রুটি কে বলে। এখানে ভর্তি হওয়া অত সহজ না এই ইউনিভার্সিটি সবার জন্য তৈরি হয়নি। তখন রুটি বলে ছোট থেকে সবাই সবসময় আমাকে বলে। যে আমার কোনটা করা উচিত আর কোনটা করা উচিত না। কিন্তু এখন আমি সেটাই করব যেটা আমার মন চায় তার আগ্রহ দেখে বলে ঠিক আছে। আমি তোমাকে পাশের একটা ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি করিয়ে দিচ্ছি আর তুমি যদি ওখানে ফার্স্ট সেমিস্টারের ভালো নাম্বার পাও। তাহলে আমি তোমাকে ওখান থেকে এখানে ট্রান্স

পাশের ওই ইউনিভার্সিটিতে রুটিন ক্লাস শুরু হয়েছে রুটির ওখানে পড়ার অনেক চেষ্টা করত কিন্তু ডিসলেক্সিয়া প্রবলেম ছিল যেকারনে ও বেশিক্ষণ পড়াশোনা করতে পারত না। আর ওই কলেজের প্রফেসরের একজন এসিস্ট্যান্ট ছিলো যার নাম হল দিব দিব ফ্রি টিউশন পড়াতে কিন্তু তার বিনিময় রোডের কাজ ছিল।

ওই কলেজের মেয়েদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সঙ্গে দীপকের বন্ধুত্ব করে নাও এবার এই ভাবে বেশ কয়েকদিন কাটানোর রুটি একদিন সেই স্টেডিয়াম পৌঁছে যায়। যেখানে ফুটবল টিমে প্র্যাকটিস করত আর একজন কর্মচারী সঙ্গে কথা বলে আমাকে জানায় আমি তোমার সমস্ত কাজ পেতে করে দেবো তুমি শুধু আমাকে নিজের সঙ্গে কাজ করতে দাও আমি যেভাবেই হোক এই মাঠের কাছে থাকতে চাই। যাতে আমি এই মাঠ টাকে খুব ভালোভাবে বুঝে উঠতে পারি এবার ওই লোকটা বলে ঠিক আছে তুমি এখানে কাজ করতে পারো কিন্তু তোমাকে খুবই কম মাইনে দেওয়া হবে। এবার দেখা যায় মাঠে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে আর সেই একই সঙ্গে নিজের পড়াশোনায় মনোযোগ দিয়েছে। আর তার সাথে সাথে ওর জন্য বিভিন্ন মেয়েদের সাথে কথা বলছে এইভাবে কোনরকমে দিন কেটে যাচ্ছে কিন্তু রাতে ওর থাকার কোন জায়গা ছিল না। কারণ এই শহরে এসে ঘর ভাড়া করে থাকার মতন অতটা টাকাপয়সা ওর কাছে ছিল না।

সেজন্য স্টেডিয়ামের কাজ করার পর রাতে যখন সবাই ওখান থেকে চলে যেত তখন রুবির ষ্টেডিয়ামের জানলা দিয়ে লুকিয়ে ওর ভেতরে ঢুকে যেত আর ওখানকার ড্রেসিংরুমে নিজের রাত কাটাতো। এবার বেশ কয়েকদিন পর নটরডেম ফুটবল টিমের একটা মেয়ে ছিল আমি ম্যাচটাকে স্টেডিয়াম থেকে দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু ওখানে টিকিট কেটে ঢোকার মতন অত টাকা ওর কাছে ছিল না। আর সেজন্য অনেক মানুষের কাছে সাহায্য চাই আর ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কোনো রকমে পেরে ওঠেনি আর সেজন্য অসম্পূর্ণ থেকে যায় আর তখন রুটি কে বাধ্য হয়ে। ওই স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে ফিরে আসতে হয় এবার আরো বেশ কিছুদিন পর রুটিন ফার্স্ট সেমিস্টারের এক্সাম চলে আসে। কিন্তু এখানেও রেজাল্ট খুব একটা ভালো হয় না ও বিগ্রেড পেয়েছিল নটরডেম ইউনিভার্সিটি তে ট্রান্সফার হতে গেলে ওকে পেতে হবে এবার বেশ কয়েকদিন পর ক্রিসমাস চলে আসে কয়েক দিনের জন্য নিজের বাড়িতে ফিরে আসে।

কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ও দেখতে পায় ওর এক্স গার্লফ্রেন্ড এখন বড় ভাইয়ের সাথে রিলেশনে রয়েছে যেটা দেখে খুবই খারাপ লাগে আর সঙ্গে সঙ্গে ওখান থেকে চলে আসে। এবার ওখান থেকে ফেরার পর সারাদিন ধরে পড়াশোনা করত তার নিজের বাকি সময়টা ফুটবল প্র্যাকটিস করত। কিন্তু নিজের সবকিছু দিয়ে চেষ্টা করা সত্ত্বেও সেকেন্ড সেমিস্টারের কোনোটাতেই না এরপরেও যদি ওয়েট না পায। তাহলে আর কখনো ইউনিভার্সিটি তে চান্স পাবে না আর এই ইউনিভার্সিটি এডমিশন না নিতে পারলে ছোটবেলা থেকে দেখার স্বপ্নটা পুরোপুরি ভাবে নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু ওর ফোর সেমিস্টারের রেজাল্ট বেরোনোর পর দেখা যায় এ গ্রেড পেয়ে গেছে এর মানে হল ঔষধের নাম ইউনিভার্সিটি এডমিশন পেয়ে যাবে। আর রুটি এখন নিজের স্বপ্ন পূরণের একদম কাছে চলে এসেছে আর ইউনিভার্সিটি এডমিশন নেওয়ার পর ওখানকার ফুটবল টিমে প্র্যাকটিস করতে শুরু করে ৯৫ জন প্লেয়ার ছিল। আর কয়েক দিন কাজ করার পর এদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো প্লেয়ার কে বেছে নেওয়া হবে। আর তাদের একটা স্কাউট থিম তৈরি করা হবে। যাদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যতে একবার দুজন হয়তো মেয়ের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাবে এবার রুটি ওখানে বাকি সমস্ত প্লেয়ারদের সঙ্গে প্র্যাকটিস করা শুরু করে দেয়।

যদিও ওখানে শারীরিকভাবে সবচেয়ে ছোট ছিল কিন্তু ওর আগ্রহ খানের সবচেয়ে বেশি ছিল আর ওই প্রাকটিস চলাকালীন অনেকবার অনেক বড় বড় আঘাত পাওয়া সত্ত্বেও যদি কখনো হার মানতে ৫ দিন পর যখন ৯৫ জন প্লেয়ারদের মধ্যে থেকে ভালো প্লেয়ার কে বেছে নেওয়া হচ্ছিল। তখন যদি কেউ কাউকে সিলেট করে নেওয়া হয় যদিও ওখানকার সমস্ত করে নেওয়ার পক্ষে ছিল না। কিন্তু রুবির আগ্রহ আছে তার জন্যই তো ডিলেট করে নেয় এবার ওই মেয়েটিকে বলে আগামী পাঁচ মাস ধরে এখানে তোমাদের প্র্যাকটিস হবে। আর এর মধ্যে একদিন ও যদি আমি দেখেছি যে তোমার আগ্রহ উৎসাহ কমে গেছে। তাহলে আমি তোমাকে সঙ্গে সঙ্গে বের করে দেবো আর এখানে সিলেট হতে পারার জন্যে প্রচন্ড খুশি হয়। এবার কয়েকদিন পর মেয়ের সঙ্গে শুরু হয়ে যায় কিন্তু এখানে দেখা যায় টিমের প্রত্যেকটা প্লেয়ারের চেহারা ও স্বাস্থ্য থেকে অনেক বেশী বড় ছিলো। কিন্তু তা সত্বেও রুটি কখনো ওদের সামনে হারমান তো না নিজের সমস্ত ক্ষমতা দিয়ে ওদের সঙ্গে প্র্যাকটিস করত আর এই প্রাক্টিস চলাকালীন অনেকবার খুব গুরুতর ভাবে আহত হয়েছিল।

কিন্তু তারপরেও কখনোই একবারের জন্যও হার মানিনি এবার পাঁচ মাস পর যখন রুটির প্রার্থীর শেষ হয়ে যায়। তখন ও নিজের মেয়ের সঙ্গে দেখা করে আর রুটি ওনাকে বলে এই বছর প্র্যাকটিস করে আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আর আমি এটা খুব ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি যে ভগবান সবাইকে সব কাজের জন্য বানান নি আর আমার এই শারীরিক গঠন নিয়ে আমার পক্ষে ফুটবলে নেওয়া সম্ভব না। আর ওর এই কথাটা শোনার পর বউকে বলে তোমার মতন এরকম মানসিকতা যদি

তখন যদি ওনাকে বলে আমার বাবা এই পৃথিবীতে নটেডাম ফুটবল টিম কে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। আর উনি সেই টিমের সমস্ত খেলাই দেখেছেন আর আমি চাই আমার বাবা আমাকে ডিমের হয় একবার ফুটবল খেলতে দেখুন। তখন বেকজ বলে তাহলে তুমি এটা তোমার বাবার জন্য করতে চাইছে। তখন রুটি করবে শুধু আমার বাবার জন্য না ছোটবেলা থেকে আমার বন্ধুবান্ধব আমার দাদারা যে সমস্ত মানুষ আমাকে নিয়ে সন্দেহ করেছিল। আর আমার স্বপ্নটাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছিল আমি তাদের সবার জন্যই যেটা করতে চাই আমি শুধু সামনে যদি একটা মেয়ের সঙ্গে খেলতে চাই। কারণ ঐ সমস্ত লোকের পক্ষে এখানে এসে এটা থাকা সম্ভব না যে আমি নটার ফুটবল টিমের সঙ্গে প্র্যাকটিস করি।

আর এই কথা শোনার পর ওকে বলে ঠিক আছে আমি তোমাকে একটা ম্যাচ অবশ্যই খেলতে দেব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত করে দিন শুরু হওয়ার আগেই সেই মানুষ যিনি রুটি কে বেছে নেওয়ার প্রমিস করেছিলে। তুমি রিয়ার করেছেন আর ওনার জায়গায় এখন ওই টিমের নতুন কোচ চলে আসেন। আর সেজন্য এখন ওই পুরানো করেছে যে প্রমিস ডে করেছিল। এখন তার কোনো অস্তিত্ব নেই এবার দেখা যায় পরের দিন শুরু হয়ে গেছে আর সেখানে যে কটা ম্যাচ হচ্ছিল তার কোনোটাতে রোগীকে সিলেট করা হয় না। কিন্তু তাকে একটা চালিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু পরপর একটা সবকটা ম্যাচের কোনোটাতেই না করার জন্য ওর কনফিডেন্স খুবই ডাউন হয়ে যায়। আর হঠাৎ একটি উপহার মেনে নেয় আর রুটি এখন পুরোপুরি ভাবে ঠিক করে নেয়। আর কখনোই ফুটবল খেলবে না আর রুটিন দেওয়ার জন্য টিমের প্রতি খুবই কষ্টকর আবার করোর আটকানোর চেষ্টা করছিলো কারণ টিমের প্লেয়ার আছে।

একবার অন্তত মেন্টিমে সঙ্গে খেলা করুক আর নিজের স্বপ্নটাকে পূরণ করুক কিন্তু আর কোনো রকমেই বাকি ছিল না। ওখান থেকে এসে স্টেডিয়ামের সেই কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করে যার আন্ডারে এখানে কাজ করতো। আর রোগীর কথা শোনার পর অনেকে বলে তুমি আমার চোখের সামনে এখানে দুবছর ধরে এতটা টাচ করলে তখন উত্তর দেয় আমি চেয়েছিলাম। আমার বাবা আমার ভাই আর বাকি সেই সমস্ত মানুষকে দেখিয়ে দিতে আমিও একজন ফুটবল প্লেয়ার হতে পারি তাদের সামনে আমি নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম। আর এই কথাটা শোনার পর ঐ কর্মচারি টা খুবই রেগে যায় কারণ উনি কি বলে তোমাকে কখনোই কারো কাছে কিছুই প্রমাণ করতে হবে না। যদি প্রমাণ করতেই হয় তাহলে নিজের কাছে নিজেকে প্রমাণ করো এরপর ওর দিকে আরো অনেক রকম ভাবে বোঝায। আর ওর সাথে কথা বলার পর আবার নিজের উৎসাহ ফিরে পায় এরপর ওখান থেকে সোজা মাঠে চলে যায়।

প্রাকটিস করার জন্য আর রুটি ওখানে দেখার পর ওখানে থাকা সমস্ত প্লেয়ার খুবই খুশি হয় আর ঐদিন প্র্যাকটিস করার পর এক এক করে। ওই টিমের সমস্ত প্লেয়ারদের সঙ্গে দেখা করে ওরা সবাই নিজেদের কাছে জমা দিয়ে দেয় আর বলে আমাদের জায়গায় আপনি নিয়ে রুডি কে নেন আর এখন ওই মেয়েকে বাধ্য হয়ে উঠেছে মেনে নিতে হয়। যদিও এটি মেরেছিল খেলার সুযোগ পাবে কি পাবে না তার কিছুই ঠিক ছিল না বাড়িতে নিজের ভাইয়ের কাছে ফোন করে আরো নিজের বাবা-মা ভাই সবাইকে আসার জন্য স্টেডিয়ামে আসতে বলি। এবার দেখা যায় সেই ম্যাচের দিন টা চলে এসেছে আর রুটি নিজের জার্সি পড়ে পুরো টিমের সঙ্গে মাঠের মধ্যে ঢুকছিল রুটি ছোটবেলার স্বপ্ন যেটাকে নিয়ে ছোটবেলা থেকে ওর বাবা ভাই ওর বন্ধুবান্ধব আরো অনেক লোকজন ওর সাথে ঠাট্টা করত আর স্বপ্নের মাঝে আমরা তো আর এখন সেই স্বপ্ন তাই সবার সামনে পুরণ হতে চলেছে। আর এখন রুটি নিজের কাজের মাধ্যমে সবাইকে তাদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে এবার ম্যাচ শুরু হওয়ার পর খুবই ভালো খেলছিল। অরোরা অপরের থেকে অনেক বেশি স্কুলে গিয়েছিল এবার রুটি টিমের প্লেয়ারকে রিকোয়েস্ট করে নিজে একবার খেলতে দেওয়ার জন্য কিন্তু এই ব্যাপারটাকে পুরোপুরি বারণ করে দেয়।

তখন ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা রহিমের বেশ কয়েকটা প্লেয়ার জোরে জোরে চিৎকার করতে ওরা ওখানে থাকার দর্শকদের কেউ নিয়ে চিৎকার করতে বলে এবার দেখা যায় অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরো স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের সবাই একসঙ্গে রুটিনে চিৎকার করছে যেটা দেখে ওখানে থাকার কমেন্টেটর এমনকি রুটিন নিজেও প্রচন্ড অবাক হয়ে যায়। আর বাকি প্লেয়ার নিজেদের টিমের স্কোর টা বাড়িয়ে দেয় যাতে রোগী একবার ওই ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। আর এখনো টিমের সমস্ত পেলেয়ারদের চেষ্টার পর রুটি খেলার সুযোগ পায় আর রুটি এখন প্রচন্ড খুশি হয়ে যায় আরো মাঠে যাওয়ার সময় পুরো গ্যালারি ভর্তি দর্শক সবাই রুবি রুবি চিৎকার করছিল। আর দর্শকদের মধ্যে ছিল ওর বাবা সারা জীবন ধরেই নষ্টামি টিমের খেলা টিভিতে দেখেছে।

কিন্ত আজ নিজের ছেলে খেলা করছে যেটা খুবই গর্বের ব্যাপার এবার রুটি যখন মাঠে নেমে ওর সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। তখন ওর সামনে অপঘাতে বলছিল

তখনো সামনে অপমান টিমের যার হাতে বলছিল। রুটি 400 যে মাটিতে ফেলে দেয় আর যার ফলে অপনেন্ট টিমের স্কোর করার সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়। আর রুটি টিম জিতে যায় এরপর ওর টিমের সমস্ত পেয়ারা ওকে কাঁধে তুলে ওই মাঠে ঘোরাতে শুরু করে আর নটেডাম ফুটবল টিমের ইতিহাসে এটা প্রথম বারের জন্য হয়েছিল। যে কোনো প্লেয়ারকে টিমমেটরা এইভাবে কাঁধে তুলে নিয়েছিল হাজার ৯৭৫ এর এই ম্যাচের পর থেকে আজ অব্দি এই ঘটনাটা আর কখনোই ঘটেনি। আর এই ঘটনাটা এক রকম ভাবে একটা ইতিহাস তৈরি করেছি।

নিজের ছোট বেলায় এমন একটা স্বপ্ন দেখেছিল যেটাকে পূরণ করা ওর পক্ষে অসম্ভব ছিল শারীরিক গঠন একজন ফুটবল প্লেয়ারের মতন ছিল না। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের কঠোর পরিশ্রম আর চেষ্টার ফলে ও নিজের স্বপ্নটাকে পূরণ করেছিল। ওর পরিবারের কেউ ইউনিভার্সিটি পড়াশোনা করেনি। কিন্তু দেখার পর বাকি পাঁচটা ভাই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয় নিজেদের পড়াশোনা কমপ্লিট করে আর এখানে সিনেমার গল্পটা সমাপ্ত হয়।

জেল থেকে পালানোর কঠোর চেষ্টার পর কি তিনি জেল থেকেই পালাতে পারবে কি না এই গল্পটি নিয়ে রচিত সিনেমাটি হলো প্যাপিলন

Leave a Reply

%d bloggers like this: