জেমস ক্যামেরনের ২০০৯ সালের বিখ্যাত সিনামা অবতার ( Avatar ) সূম্পর্ণ তথ্য আলোচনা করেছি | অবতার Release Date

Avatar IMDb


২০০৯ সালের জেমস ক্যামেরন ডিরেক্ট রিলিজ হওয়া সুপার হিট সিনেমা অবতার। সেই সময়কার পপুলার মুভি নিউ টেকনোলজি উপর তৈরি করা হয়েছে। টোটাল মুভি টাকে একটি ঘরের মধ্যে সুবজ পর্দায় শুট করা হয়েছে। অবতার সিনেমাটিকে দর্শকরা আইএমডিবি রেটিং দেয় ৭.৮/১০

অবতার মুভি কাস্ট

সিনেমাটির ডিরেক্টোর ও রাইটার হিসাবে নিযুক্ত হয় জেমস ক্যামেরন। প্রধান নায়কটির চরিত্রে কাজ করেন Sam Worthington এবং নায়িকার রোলটি করার জন্য কাস্ট করা হয় Zoe Saldana ইত্যাদি।

অবতার রিলিজ ডেট

জেমস ক্যামেরন ও জন ল্যান্ডো প্রোডাক্শনে ২৪০ মিলিয়ন বাজেটে তৈরি করা এই সিনেমাটি ২০০৯ সালে ১০ ডিসেম্বর মাসে ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজে রিলিজ করা হয়।

avatar movie , Avatar movie in hindi , avatar  movie in bengali dubbed , avatar full review bengali , Avatar , অবতার

অবতার গল্পটি সংক্ষেপে

গল্পটা শুরু হয় ২০২৯ সাল থেকে যেখানে দেখা যায় পৃথিবীর জনবসতি এখন তিনগুণ বেড়ে গেছে আর মানুষ এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে অনেক বেশী উন্নত হয়ে গেছে আর এখন এই পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস এক রকম ভাবে শেষ হয়েছিল সেজন্য মানুষ এখন আর তানিয়ার নামের একটা ধাতু ব্যবহার করতে শুরু করে।

যেটা থেকে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন করা যায় কিন্তু এটাকে পৃথিবীতে পাওয়া যেত না শুধুমাত্র পেন্ডুলামের একটা গ্রহীতাকে পাওয়া যেত আর সেজন্য পৃথিবীতে এক কেজি আলুতে নিয়ম 100 কোটিতে বিক্রি হয়। আর এখানে এদিকে নামের এক টাকা নিয়েছিল যারা প্যানডোরা থেকে পৃথিবীতে নিয়ে নিয়ে আসার কাজ করতো এবার এই গল্পের প্রধান চরিত্র গুলিকে দেখানো হয় যে একসময় নৌসেনা ছিল আর একটা যুদ্ধের কারণে বা পুরোপুরি পঙ্গু হয়ে যায় সেজন্য এখনো একদম হাঁটাচলা করতে পারে না এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার জন্য ওকে হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হয়। জেকের একটা জমজ ভাই ছিল যার নাম ছিল আর একজন বিজ্ঞানী ছিল।

একদিন আরডিএ কোম্পানির দুজন লোক জেকের সঙ্গে দেখা করে অকে জানায় ওর ভাই এখন মারা গেছে ওরা যে কে আরো জানায় যে আগে কোম্পানির তরফ থেকে টমের প্যানডোরা গ্রহে যাওয়ার কথা ছি। আর ওই কোম্পানিতে আগে থেকে টমের উপরে অনেক টাকা খরচ করে ছিল আর এখন ওই কোম্পানির টা চাই অমিত জায়গায় যে কাজটা করুন কারণ যেহেতু টম আর যে দুজনের জমজ ভাই ছিল তাই ওদের দিনের মধ্যে বহুৎ মেয়ে ছিল। আর এই ডিএনএর মিল থাকার জন্য টমের কাজটা এখন শুধুমাত্র যে করতে পারবে আর যে এখানে পুরোপুরি রাজি হয়ে যায় তারা এই কাজের জন্য ওকে অনেক টাকা দেওয়া হচ্ছিল এবার দেখা যায় যে এবং ওর মতো আরো অনেক সৈনিককে রায়া নামের একটা বিশাল মহাকাশযানে করে প্যানডোরা গ্রহে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর পৃথিবী থেকে পেনড্রাইভে পৌঁছাতে এদের সবার পাঁচ বছর ৯ মাস আর ২২ দিন সময় লেগে যায়।

আর এই পুরো সময়টা ধরে এরা হাইবারনেশন নামের একটা বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে ঘুমিয়ে ছিল যে কারণে এদের শারীরিক এবং মানসিক বয়স একটুও পারিনি আর প্যান্ডোরার পরে দেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়। এই গ্রহে বেঁচে থাকার জন্য এদের সবাই সবসময় একটা অক্সিজেনের মুখোশ পড়ে থাকতে হবে। এবার যে খেয়াল করে ওখানে বিশাল জায়গা জুড়ে মাটির তলা থেকে বড় বড় মেশিনের সাহায্যে আনার নিয়ম খোঁজার কাজ চলছে।

আর এর পর ওদের পরিচয় হয়ে গলো নিজের সঙ্গে করেছিল প্যারাগুয়ে সমস্ত সৈনিকদের সবাইকে জানায় এগরোটা আমাদের পৃথিবী থেকে অনেক আলাদা আর খুবই ভয়ঙ্কর এখানে বেঁচে থাকতে গেলে সবাইকে সব সময় খুবই সাবধানে থাকতে হবে। তোমরা তোমরা যদি তোমাদেরকে শেষ করে দেবে পৃথিবীতে আমি করেছি এখানে আসার প্রথম দিনেই আহত হয়ে যাই আর তোমরা সবাই যদি এখানে বেঁচে থাকতে চাও তাহলে তোমাদের সবাইকে আমার আদেশ মেনে চলতে হবে এরপর পরিচয় হয় একজন বিজ্ঞানী ছিল। ওয়াজের ভাই আপনার প্রোজেক্টের জন্য একসঙ্গে ট্রেনিং করেছিল এবার ওদের দুজনকে নিয়ে যাওয়া হয় আর এর মধ্যে নীল রঙের মানুষের মতো দেখতে পারবো দেরকে জানানো হয় যে প্যানডোরা গ্রহে মানুষদেরকে ঠিক এরকমই দেখতে হয় আর ওদেরকে নাম কি বলা হয় আর এখন লেপের মধ্যে যে দুটো দেখা যাচ্ছে ওদেরকে কৃত্রিমভাবে ল্যাবের মধ্যে মানুষ এবং নাভির ডিএনএ মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে আদির মতন দেখতে এগুলোকে বলা হতো।

ওদের মধ্যে নিজস্ব কোন জীবন ছিল না এক কথায় বলতে গেলে ওগুলো কৃত্রিমভাবে তৈরি নারীদের মতন দেখতে ছিল যেগুলোকে মেশিনের সাহায্যে মানুষ নিয়ন্ত্রণ করত আর এই আফছারের শরীরটা সেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে যার ডিএনএ থাকে এটাকে বানানো হয়েছে সে জন্য এখন কমেন্ট দিয়ে দিয়ে তৈরি আক্তার টাকে শুধুমাত্র জেট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে আর সেজন্যই মারা যাওয়ার পর এখন প্রজেক্ট নিয়ে আসা হয় আপনার শরীরে যাওয়ার জন্য ওদের সবাইকে ক্যাপসুল এর মত দেখতে একটা মেশিনের মধ্যে ঢুকে ঘুমিয়ে পড়তে হয় যেটা সরাসরি নিজেদের আপনার শরীরের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে আর এর রূপ ধারণ করে ঘুমানোর পর ওখান থেকে আবার নিজের আসল শরীরে ফিরে আসতে পারবে আর যারা আক্তারের শরীরটাকে নিয়ন্ত্রণ করত তাদেরকে বলা হতো। আপনার ড্রাইভার এর ডাক্তারের শরীরে প্রবেশ করে প্যান্ডোরার মানুষ অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা আর ওদের সঙ্গে মেলামেশা করে ওদের ভাষারীতি সবকিছু ওদের কাছ থেকে শিখে নেওয়া এর মধ্যে যে পরিচয় হয় কৃষ্ণের সঙ্গে বেশ ছিল। এই প্রোগ্রামের সাইন্টিস্ট ওখানে দেখার পর খুবই রেগে যায় কারণ এই কাজের জন্য একজন সাইন্টিস্ট দরকার ছিল যেটা ছিল একদম আর্জেন্ট ছিল একজন সৈনিক আর এখন কোন রকম ট্রেনিং ছাড়া দমের কাজটা যে কে দিয়ে করানো একপ্রকার অসম্ভব ছিল।

কিন্তু আর কোনো উপায় না থাকায় গ্রেস বাধ্য হয়ে জেগে নিজের টিমে নিয়ে নেয় আর পরের দিন একটা মেশিনের সাহায্যে নরমাল ব্রেইনকে আপনার বোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় আর জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে আক্তারের শরীরে দেখতে পাই খেয়াল করে এই আপনার রূপ ধারণ করার পর আজ বহু বছর পর আবার নিজের পা ব্যবহার করতে পারছে আর এটা দেখার পর ও নিজের খুশির আর ধরে রাখতে পারে না ওর সঙ্গে সঙ্গে নেট থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে পাশের এরিয়ায় ছুটে বেড়াতে শুরু করে আর ওখানকার ওই প্রকৃতি টাকে খুব ভালোভাবে উপভোগ করতে লাগে এবার বেশ কিছুক্ষণ পরই আক্তারের শরীরে কাটানোর পর আবার নিজের আসল চেহারায় ফিরে আসে কিন্তু আক্তারের শরীরে অনুভূতিটা খুবই ভালো লেগে যায় একদিন পর নিজেকে নিজের কাছে ডেকে পাঠায় ওকে বলেন আমি চাই তুমি ডক্টর প্রেসেন্ট টিমে থাকুক আর ওখানকার খুঁটিনাটি সমস্ত রিপোর্ট আমাকে জানাও জঙ্গলের মধ্যে থাকা ওই নারীদের সম্পর্কে আমি সমস্ত রকম তথ্য জানতে চাই যাতে ভবিষ্যতে যুদ্ধ বাধলে আমরা খুব সহজেই যেতে পারি আর তুমি যদি আমার এই কাজটা করো তাহলে পৃথিবীতে ফেরার পর অপারেশন এর সাহায্যে আমি তোমাকে তোমার আসল পাঠিয়ে দেব।

আর এটা শোনার পর ওনার কথায় রাজি হয়ে যায় আর এখানে দেখা যায় এই পুরো প্রজেক্ট এর মধ্যে দুটো দল তৈরি হয়ে গেছিলো প্রথমটা ছিল উনি ডেটটা সেনাবাহিনী যারা সব সময় চাইত যুদ্ধ বাধিয়ে নারীদেরকে মেরে ফেলতে আর অন্যদিকে ছিল। সাইন্স টিম অভিনেত্রী যারা সব সময় চাইত বিগ্রহের নারীদের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক খুবই ভালো হয়ে যায় এবার পরের দিন সকালে রেস্ট ম্যাচে নিজেদের আপনার রূপ ধারণ করে একটা হেলিকপ্টারের সাহায্যে জঙ্গলের মধ্যে যায় জঙ্গলের মধ্যে অন্য একটা গাছের নমুনা পরীক্ষা করে দেখছে আর সেই সময়ে যে ওই জঙ্গলের পরিবেশটা ঘুরে দেখছিল তখন হঠাৎ দেখা যায় প্যান্ডোরার একটা জাগুয়ার যে কে মারার জন্য অধিক এগিয়ে আসছে। আর এই জনতার হাত থেকে বাঁচার জন্য যা ওখান থেকে পালিয়ে পাহাড়ের উপর থেকে একটা ঝরনার মধ্যে লাভ মারে।

যে কারণে জাগুয়ার এর হাত থেকে বেঁচে গেল নিজের সঙ্গীর কাছ থেকে অনেক দূরে সরে যায় আর এখন ওর পক্ষে নিজের ক্যাম্পে ফিরে যাওয়া কোনভাবে সম্ভব না এখন বাধ্য হয়ে পুরো রাতটা ওকে জঙ্গলের মধ্যে কাটাতে হবে জঙ্গলের মধ্যে যাওয়ার পর ওখানকার জন্তু-জানোয়ারের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য যে একটা চাল হাতিয়ার বানিয়ে ন্যায় এবারও যখন জঙ্গলের মধ্যে রাত কাটানোর জন্য একটা সুরক্ষিত জায়গা খুঁজছিল। তখন দেখা যায় দূর থেকে কেউ একজন লুকিয়ে লুকিয়ে ওর উপরে নজর রাখছিলো আর ওকে মারার চেষ্টা করছিল আর এর নাম ছিলোনা ছিলো পাশের গ্রামের সরদারের মেয়ে এবার নারী যখন নিজেকে মারতে যাচ্ছিল তখনও খেয়াল করে ওদের ওখানকার একটা

আরে ওই গ্রামের মানুষরা মনে করে ওই গাছের বীজ এর মধ্যে ওদের পূর্বপুরুষেরা রয়েছে। আর এখন ওই আড্ডাটা নারীদের উপরে এসে জেএফকে মারতে বারণ করেছিল আর সেজন্য ও এখন যেকে না মেরে ওর উপরে নজর রাখতে শুরু করে এবার দেখা যায় একটু গাঢ় হওয়ার সাথে সাথে ওই জঙ্গলের বেশকিছু জন্তু-জানোয়ারের উপরে হামলা করতে শুরু করে।

যে ওদের সঙ্গে লড়াই করলেও কতগুলো জন্তু জানোয়ারের সঙ্গে একটা বেড়ে উঠছিল না তখন ওখানে দাঁড়িয়ে সে যে ওদের কাছ থেকে বাঁচিয়ে নেই এবার ওকে বলে আমি জানি তুমি হয়তো আমার কথা বুঝতে পারবেনা কিন্তু আমার জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ তখন নারী বলে তোমার এখানে আসা উচিত হয়নি। তোমার জন্য ওই নিরীহ পশু গুলো মারা গেল আসলে ড্রেসের প্যানডোরা মানুষদের জন্য একটা স্কুল বানিয়েছিল যেখান থেকে ওরা একে-অপরের ঋতি রিওয়াজ আর ভাষা সম্পর্কে জানতে পারত আর ওখান থেকেই মানুষের ভাষা শিখে ছিল। যে বলে আমার উপরে হামলা করেছিল এখানে আমার কোন দোষ নেই যে রোকেয়ার ও বলে আমি তোমাদের স্বীকার করার পদ্ধতি তোমাদের ঋতি রিওয়াজ সব কিছু শিখতে চাই তুমি কি আমাকে ওগুলো সেখানে প্রথমে রাজি হচ্ছিল না কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখা যায় ওই পবিত্র গাছের বেশ কয়েকটা বিদেশে যে গায়ে বসতে শুরু করে যেটা দেখে মনে হচ্ছিল।

ওই গাছের পবিত্র আত্মা গুলো হয়তো ওকে পছন্দ করেছে আর এটা দেখার পর নারী খুবই অবাক হয়ে যায় আর ওকে নিজের সঙ্গে করে নিজের গ্রামে নিয়ে যায় নারীর বাবা ছিল এই গানটা সরদার ওরা সবাই যখন জানতে পারে ঐ পবিত্র আত্মা গুলো দেখে পছন্দ করেছে তখন ওরা ঠিক করে দেখে ওদের সাথে ওদের গ্রামে থাকতে দেবে আর ওদের সমস্ত নিয়মকানুন শিকার পদ্ধতি সবকিছুই ওকে শেখাবে ওকে এসব কিছু শেখানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় নারীকে ওই দিন থেকে যে নারীর সাথে ওদের গ্রামে থাকতে শুরু করে খেয়াল করে ওই প্রান্ত চারিদিকে অনেক বড় বড় বিশাল আকৃতির গাছ রয়েছে আর ওই গ্রামের সমস্ত সদস্য এই কাজগুলোকে নিজেদের ঘরে ব্যবহার করত আর রাত্রেবেলা ওখানে নিজের আপনার শরীরে ঘুমিয়ে পড়ার পর আবার ক্যাম্পের মধ্যে নিজের মানব শরীরে ফিরে আসে আর এখানে জেকের কাছ থেকে পুরো ঘটনা জানার পর এটা মানতে পারছিল।

না যে ওই গ্রামের লোকজন নিজেদের সঙ্গে থাকতে দিয়েছে এবার চেক এই পুরো ঘটনাটা পুলিশকে জানায় ওখানে যাওয়ার পরে জানতে পারি ওই নদীগুলো যে গাছের উপরে থাকত ওই গাছের নিচে মাটির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে নিয়ম রয়েছে বলে আমি চাই তুমি ওই গ্রামের সবার ভরসা যেত যাতে সময় আসলে আমরা যখন এই গাছের নিচ থেকে আনার নিয়ম বের করতে যাব তখন তুমি ওই সমস্ত গ্রামবাসী দেখে ওখান থেকে সরিয়ে দেবে আমি চাই তখন যেন সবকিছু একদম শান্তিপূর্ণভাবে হয় ওদের কে মারতে আমার একদমই ভালো লাগে না এখানে যে কাদের যখন নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। তখন পুরো ঘটনাটা জানতে পারি কিন্তু প্রেস চাইছিল না যে ঘটনাগুলো কুঁচকে যায় না সে জন্য অন্যকে নিয়ে ক্যাম্পের বাইরে পাহাড়ের উপরে একটা অন্য জায়গায় থাকার জন্য চলে যায় আর এই নতুন জায়গাটা খুবই ছোট এখানে বেশি সুযোগ-সুবিধা ছিল না।

শুধু বেশ কয়েকটা মেশিন রাখা ছিল যেগুলো সাহায্যে ওরা নিজেদের শরীরে যা আশা করতো আর এরপর থেকে যে নারীর কাছ থেকে ওদের সম্পর্কে সবকিছু জানতে শুরু করে আস্তে আস্তে ওদের ভাষায় কথা বলা ওদের স্বীকার করা ওদের ঘোড়া চালানো আর ওদের গ্রামের সমস্ত নিয়মকানুন সবকিছু বেশ ভালোভাবে জানতে শুরু করে আর ওখান থেকে জানতে পারে যে গ্রামের সবাই মনে করে যে ওদের মধ্যে যে শক্তি রয়েছে তার সবটাই প্রকৃতির কাছ থেকে ধার নেওয়া আর এই সবকিছুই একদিন আবার প্রকৃতিকে ফিরিয়ে দিতে হবে আসলে এখানে প্রকৃতির একটা বেবি হয়েছে। এবার উনি হলেন এ সমস্ত শক্তির উৎস এবার একদিন রাতে জেগে একটা বড় পাখি দেখে জানায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ আর এই গ্রামের একজন আসল শিকারি হতে গেলে সবাইকে নিজের জন্য একটা করে ইকরাম পছন্দ করতে হবে আর একটা নিজের সারা জীবনে শুধুমাত্র একজনকেই মালিক হিসেবে বেছে নেয়। আর এই ভাবে একসাথে অনেক দিন কাটানোর পর ওরা দুজন একে অন্যকে ভালবাসতে শুরু করে এবার বেশ কয়েকদিন পর সেই সময় টা চলে আসে যখন থেকে নিজের জন্য একটা একরাম বেছে নিতে হবে আর এই কাজের জন্য ওদের সবাইকে একটা উঁচু পাহাড়ের উপরে যেতে হয় কারণ সমস্ত আমরা ওখানেই থাকো ওখান থেকে যেকোন রকমের নিজের জন্য একটা পছন্দ করে নেয়।

আর তারপর ওটাকে নিয়ে ও প্রথমবারের জন্য আকাশে উড়ে যায় এই অনুভূতিটা খুবই ভালো লাগে আস্তে আস্তে নিজের মানব জীবন টাকে ভুলে গিয়ে এই জীবনটাকে উপভোগ করতে শুরু করে আর প্রত্যেকদিন নিজের সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত অভিজ্ঞতাগুলোকে যেতে রাতের বেলায় একটা ভিডিও ক্যামেরায় রেকর্ড করে রাখতো। এভাবে একদিন আকাশে ওড়ার সময় একটা বিশাল বড় উপরে হামলা করার চেষ্টা করে কিন্তু ওরা দুজন কোনরকমে ওর হাত থেকে বেঁচে যায়

আর পড়ে না তিনি জানান নাম হল আকাশে উড়তে থাকা সবচেয়ে বড় আর কোনদিন যদি কাউকে নিজের মালিক হিসেবে পছন্দ করে নেয় তাহলে তাকে বলা হয় আজ অবধি পুরো ইতিহাসে শুধুমাত্র পাত্র হতে পেরেছিল হতে পারে তাকে * নাভি জাতির তরফ থেকে প্রচন্ড সম্মান জানানো হয়। আর আস্তে আস্তে ছেড়ে গ্রামে তিন মাস হয়ে গেছে এখনো নিজের মানব জীবন টাকে এক রকম ভাবে ভুলেই গিয়েছিল এবার বেশ কয়েকদিন পর ওর সঙ্গে দেখা করে তাকে জানায় যে এখন সময় চলে এসেছি আর তোমাকে যেভাবেই হোক গ্রামবাসীদের কি ওখান থেকে সরিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে হবে কারণ এবার আমরা গাছের তলা থেকে নিয়ে বের করবো বলে আর কয়েকদিন পর ওই গ্রামে একটা অনুষ্ঠান হবে।

আর ওই অনুষ্ঠানে আমাকে পুরোপুরি ভাবে ওদের গ্রামের সদস্য হিসেবে বেছে নেওয়া হবে আর তারপর থেকে ওরা সবাই আমাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে আর তখনই আমি ওদের সবাইকে ওখান থেকে সরে যেতে বলব এবার দেখা যায় কয়েক দিন পর অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে আর ওখানে সমস্ত গ্রামবাসীকে নিজেদের দলের সদস্য হিসেবে বেছে নিয়েছে। আর যেহেতু না ক্যারিয়ারজেট নিজেদেরকে খুবই পছন্দ করতো সে জন্য অনুষ্ঠান এরপর ওই রাস্তা ওরা দুজন নিজেদের মধ্যে খুব সুন্দরভাবে কাটাও কিন্তু পরের দিন সকালে উঠে ওরা দেখতে পায় নিজের সমস্ত সেনাবাহিনী আর বড় বড় বুলডোজার নিয়ে ওদের গ্রামের মধ্যে ঢুকতে শুরু করেছে। আর যাওয়ার পথে রাস্তায় ওরা সমুদ্র গাছপালা ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে যাচ্ছিল আর এটা দেখার পর থেকে আটকানোর অনেক চেষ্টা করে এমনকি ওদের গাড়ির উপরে উঠে সমস্ত ক্যামেরাগুলো কে ভেঙে দেয় কিন্তু কোনো কিছুতেই কোন কাজ হয় না।

ওদেরকে কোনরকমে আটকানো সম্ভব হয়না আর নিজের চোখের সামনে নিজেদের গ্রামটাকে এইভাবে নষ্ট হতে দেখার পর নারীর অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায় আর এরপর দেখা যায়। ওদের সমস্ত গ্রামবাসীরা মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে আর যেহেতু একজন মানুষ ছি। সেজন্য ওই গ্রামের একজন অধিবাসী এর উপরে রেগে গিয়ে ওকে প্রচন্ড মারতে শুরু করে আর কোন দিকে দেখা যায় একটু আগে যখন ক্যামেরাটা ভালো ছিল তখন ক্যাম্পের ভেতর থেকে ভিডিওটা দেখতে পাই যে ওদের বিরুদ্ধে চলে গেছে এটা জানার পর ওরা সঙ্গে সঙ্গে যে কাছে এসে মেশিন টা বন্ধ করে দেয় যেটার সাহায্যে কোন তারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। এবং কে নিয়ে আসা হয় ওখানে যাওয়ার পর সবাইকে জানায় ওই কাজগুলোর নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একে অন্যের সঙ্গে খুব ভালোভাবে যুক্ত ওদের মধ্যে এদের নাভি ইতিহাসের সমস্ত তথ্য রাখা আছে এক কথায় বলতে গেলে ওই কাজগুলো ওদের কাছে কম্পিউটার এর মতন কাজ করি। যেখান থেকে সমস্ত রকমের তথ্য জোগাড় করতে পারে কিন্তু এখনো কথাগুলো কেউ বিশ্বাস করতে চাইছিল না।

এবার কিছুক্ষণ পর করে জানতে পারে কুড়িগ্রামের সেই বড় গাছ তাকে ভাঙতে চলেছে যেটার মধ্যে সমস্ত গ্রামবাসী না থাকতো তখন যে ওদেরকে বলে তোমরা প্লিজ কাউকে মেরো না আমাকে আর একটা সুযোগ দাও আমি গ্রামের সবাইকে বুঝিয়ে ওখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাব এবার দেখা যায়। যে আবার নিজেদের রূপ ধারণ করে ওই গ্রামে ফিরে এসেছে আর ওখানে কাছ থেকে সমস্ত ঘটনাটা শোনালেন খুবই কষ্ট পায় ও বলে তুমি তাহলে আগে থেকে সবকিছু জানতে যে আমাদের গ্রামে হামলা হতে চলেছে এক বলে একটা সময় আমি ওদের দলে ছিলাম কিন্তু এখন আমি পুরোপুরি বদলে গেছি। এখন আমি তোমাদের গ্রামটা কি ভালোবাসি কিন্তু এখন থেকে আর কেউই ভরসা করে না ওই গ্রামের সবাই তাকে হাত পা বেঁধে মানুষের সঙ্গে লড়াই করার জন্য তৈরি হয়ে যায়। এরা দুজন সবাইকে ওখান থেকে বারবার পালিয়ে যেতে বলছিল।

কিন্তু ওরা সবাই নিজেদের ঘর বাঁচানোর জন্য নয় করতে এগিয়ে যায় এবার কিছুক্ষণের মধ্যে দেখা যায় নিজের সমস্ত সেনাবাহিনী নিয়ে বড় বড় হেলিকপ্টার এর সাহায্যে ওখানে পৌঁছে যায় ওখানে পৌঁছানোর সাথে সাথে সমস্ত গ্রামবাসী না ওদের উপরে 32 নিচে হামলা করতে শুরু করে কিন্তু ওই আঘাতের ফলে এদের কোন ক্ষতি হচ্ছিল না। আর কিছুক্ষণের মধ্যে প্রবেশ সাহায্যে বড় গাছ থেকে পুরোপুরি ভেঙে ফেলে কিছুক্ষণ আগেও যেটা এর সমস্ত গ্রামবাসীকে থাকার জায়গা ছিল আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই গাছটা ওখানে ভেঙে যায় ওখানে থাকা বহু মানুষ মারা যায় আর এই ঘটনার পর যে কালকে ওদের শরীর থেকে ফিরিয়ে এনে জেলের মধ্যে বন্দি করে দেওয়া হয় কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সে টিমের বেশ কয়েকজন সদস্য ওদেরকে থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে আর ওদেরকে ওখান থেকে পালাতে দেখে নিজেদের উপর গুলি করতে শুরু করে যার মধ্যে থেকে একটা গুলি প্রেসের কাজে লাগে আর সেজন্য অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ওখানে মারা যায়।

এবারের সঙ্গে একটা মেশিন এর চেম্বার জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে পড়ে যাতে কোনোভাবেই খুঁজে না পায় আর ওখান থেকে ওই মেশিনের সাহায্যে আবার নিজের আপনার শরীরে ফিরে যায় কিন্তু এখন চাইলেও ওই গ্রামে ফিরে যেতে পারবে না কারণ ওই গ্রামের সবাই বিশ্বাস ভেঙ্গে ফেলেছিলো আর এখন আবার ওই গ্রামের লোকেরা যে তার জন্য আকাশের মধ্যে খোঁজে বেরিয়ে পড়ে আর আকাশের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী সেজন্য আকাশে ওড়ার সময় ও কখনও

ওকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবার যে গ্রুপটা কে নিয়ে সমস্ত গ্রামবাসীদের সামনে চলে আসে আর ওখানে চেক এর সাথে অনুরূপ তাকে দেখার পর সমস্ত গ্রামবাসীকে খুবই অবাক হয়ে যায় আর এখন ওরা সবাই আমার যে কে সম্মান করতে শুরু করে। এবার যে সমস্ত গ্রামবাসীদের বলে আমরা ওদের সঙ্গে লড়াই করব আর ওদেরকে আবার পৃথিবীতে ফেরত পাঠিয়ে দেবো না এতটাই নিষ্ঠুর যে ওরা নিজেদের প্রকৃতিকে পুরোপুরি নষ্ট করে ফেলেছে কিন্তু এখানে ওদেরকে সেই একই কাজ করতে দেব না।

তোমরা সবাই আশেপাশে সমস্ত গ্রামের মানুষ যেখানে ঠেকে পাঠাও আমরা সবাই মিলে একসাথে ওদের সঙ্গে লড়াই করব আর ওখানে থেকে এই কথাগুলো শোনার পর আবার করার সহজ উপায় এবার কিছুক্ষণ পর যে সমস্ত নবীদের দেবী এভার সঙ্গে কথা বলে আর উনার কাছে এই যুদ্ধের জন্য সাহায্য চাই আর কোন দিকে দেখা যায় সমস্ত সেনাবাহিনী আধুনিক শক্তিশালী হাতিয়ার এর সাহায্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এদিকে সাহায্য করার জন্য আশেপাশের সমস্ত গ্রামবাসী না এখানে চলে এসেছিল কিন্তু ওখানে অনেকক্ষণ ধরে লড়াই করার পরেও আক্তার সঙ্গী-সাথীরা এই আধুনিক হাতিয়ার এর সঙ্গে লড়াই করে উঠছিল না।

আর একটা সময় এরা সবাই মনে করেছিল এটা হয়তো হেরে গেছে কিন্তু তখন দেখা যায় ওই জঙ্গলের সমস্ত জীবজন্তু পশুপাখি এদের সবাইকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে আসলে যখন এভা দিদির কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিল। তখন প্রার্থনা শুনে নিয়েছিল সে জন্য ওদেরকে সাহায্য করার জন্য এই জঙ্গলের সমস্ত পশুপাখিদের কে এখানে পাঠিয়ে দেয় আর অনেকক্ষণ ধরে এই বিশাল যুদ্ধটা হওয়ার পর সে সেটারই সুযোগ বুঝে মেরে দেয় আর এই পুরো যুদ্ধে শেষ অব্দি মানবজাতিকে হার মানতে হয় আর তারপর সমস্ত মানুষকে প্যানডোরা থেকে আবার পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আর শুধুমাত্র অল্প কয়েকজন মানুষ যাদের মন ভালো তাদেরকেই ওখানে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়। আর সবশেষে দেখা যায় প্যানডোরা গ্রহের মহানদী রিভার সাহায্যে চেখে মানব শরীর থেকে পুরোপুরিভাবে ও তাদের শরীরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আর এভাবেই নতুন শরীরে আবার পুনর্জন্ম হলো এখানে সিনেমার গল্পটা সমাপ্ত হয়।

আমাদের শেষ আলোচনা


অবতার মুভিটি যদি ভালো লেগে থাকে কমেন্ট ও আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: