পাপিলোন হলিউড সিনেমা রিভিউ ২০১৭। পাপিলোন আইএমডিবি রেটিং ও উইকিপেডিয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

পাপিলোন উইকিপিডিয়া


২০১৭ সালের Papillon সিনেমাটি মাইচেল নয়ের ডাইরেক্ট এ তৈরি করা হয়েছে। এই সিনেমাটি সত্যি কাহানির ভিক্তিতে গল্পটি লেখা হয়েছে। সিনেমাটি দুটি ভাষায় ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ রিলিজ করা হয়েছে। সিনেমাটিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন – চার্লি হান্নাম ইত্যাদি।

Papillon movie IMDb রেটিং

এডভেঞ্চার, অ্যাকশন ২০১৭ সালের হলিউড মুভি বক্স অফিস কালেকশন ১০ মিলিয়ন ডলার। সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৭.২

Papillon , Charlie Hunnam, Papillon film, Papillon Wikipedia, Papillon original , Papillon butterfly , papillon movie in bengali

পাপিলন মুভি সংক্ষেপে বিবরণ

সিনেমা শুরুতেই প্যাপিলন দেখা যায় যাকে একজন চোর ছিল যে কোন ধরনের খুব সহজে ভেঙে ফেলতে পারতো আর এখন দেখা যায। নিজের বসের জন্য একটা লোকের ভেঙে ও সেখান থেকে চুরি করছে এবার হিন্দি গুলোকে নিয়ে ওর বউয়ের কাছে যাওয়ার পরও দেখতে পায় একটা লোককে হাত-পা বেঁধে প্রচণ্ড মারধর করছে। এবার নিজের বসকে এগুলো দিয়ে তার বিনিময়ে টাকা নিয়ে চলে আসে।

যদিও ওই গুলো দেওয়ার আগেই তার থেকে বেশ কিছুটা নিজের কাছে লুকিয়ে রেখেছিল ওখান থেকে বেরিয়ে নিজের গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করে আসার পরের দিন সকালে গার্লফ্রেন্ড ছিল যেখান থেকে দূরে একটা বাড়ি কিনবেন আর তারপর সেখানে একসাথে থাকা শুরু করবে। কিন্তু ওদের প্ল্যান টা করার সময় হঠাৎ ওদের রুমের মধ্যে পুলিশ চলে আসে আর পাপন কে এরেস্ট করে নেয় আগের দিন রাতে যে লোক তাকে হাত বেঁধে মারধর করছিলো সেই লোকটা মারা গেছে। আর কেউ একজন পুলিশের কাছে সাকখি দিয়েছে যে খুনটা করেছে এখানে পাবেন আর ওর গার্লফ্রেন্ড দুজন মিলে পুলিশকে বোঝার অনেক চেষ্টা করে যে ফোন করেনি কিন্তু পুলিশ বাদে। আর কোন কথা শুনতে চাই না এবার কদিন পর জেলের মধ্যে ওর গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে দেখা করতে গেছিল। আর তখন পাপী লোকে বলে তুমি আমাকে ভুলে যাও কারণ বুঝে গেছিল।

এই দিন থেকে বেরোনো অতটা সহজ হবে না এবার ওই ছেলের মধ্যে পাপের পরিচয় হয় জুলিয়েট নামের একজনের সঙ্গে যুক্ত কে প্রশ্ন করে তোমার কাছে কি টাকা আছে। যদি তোমার কাছে টাকা না থাকে তাহলে তুমি চিন্তাকে কখনোই বেরোতে পারবে না আর ওই ছেলের মধ্যে এদের মত আরও ১ জন আসামি ছিল। যার নাম দীঘা দীঘা এই জেলের বাইরে একজন কোটিপতি ছিল। আর এখন জেলের মধ্যে নিজের সঙ্গে করে বেশ কিছুটা টাকা নিয়ে এসেছে। আর এটাকে এখানে দেখে খুব ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছিল ও বাকি আসামিদের মতন কতটা হিংস্র খুবই নরম প্রকৃতির সাদাসিধে এবার এখান থেকে সমস্ত কয়েদিকে জাহাজে করে।

একটা অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর ওখানে যাওয়ার সময় বাপি দার সঙ্গে কথা বলে আমাকে জানায় এখানে সমস্ত করে দিয়ে যান এতে তোমার কাছে টাকা রয়েছে। আর তোমার কাছ থেকে ওই টাকাটা নেওয়ার জন্য ওরা তোমার সমস্ত রকম ক্ষতি করতে পারে। আমি তোমাকে এদের হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারি কিন্তু তার বিনিময় এখান থেকে পালানোর জন্য আমার যত টাকা দরকার হবে। সেটা তুমি আমাকে দেবে তখন দীঘা উত্তর দেয় তোমার জায়গায় আমি কোন গাছকে টাকা দেবো তাহলে। ওরা আমাকে বেশি সুরক্ষিত রাখবে আর। এটা শোনার পর পাপী চুপচাপ ওখান থেকে চলে আসে এবার সেদিন রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিল।

তখন খেয়াল করে ওর পাশের একটা কয়েদিকে অন্য একজনকে খুন করছে আর ওকে মারার পর ওর কাছ থেকে সমস্ত টাকা নিয়ে চলে যায়। ওখানে থাকা সমস্ত ব্যাপারটা কে জানত কিন্তু ওরা কখনোই কয়েদিদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতো না আর এটা দেখার পর প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় আর পরের দিন সকালে বাপির দেওয়ার শর্তে রাজি হয়ে যায় বাপি ওকে প্রশ্ন করে তুমি আমার সঙ্গে পালাতে চাও না। তখন দেখে উত্তর দেয় আমার ওয়াইফ আমার জামিনের জন্য প্রচন্ড চেষ্টা করছে যাতে আমি খুব তাড়াতাড়ি। এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারি আর আমার মনে হয় এই ক্রিসমাস এর মধ্যেই আমি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যাব।

এবার দেখা যায় আগের দিন রাতেই খনিতে আজ রাতে টাকার জন্য তাকে খুন করতে এসেছে। কিন্তু ওখানে পাপিয়াকে বাঁচিয়ে দেয়। এবার পরের দিন সকালে ওদের জাহাজ যখন দূরে চলে এসেছিল তখন জুলিয়েট নামের সেই ছেলেটা যার সঙ্গে। এই জেলের মধ্যে প্রথম পরিচয় হয়। একটা চাকু দিয়ে ইচ্ছা করে নিজের পা কেটে ফেলে। আর তারপর থেকে নামার সময় ইচ্ছা করে নিচে লাইট মারে জাতীয় কে হসপিটালে ভর্তি করা হয়। আর ওখান থেকে ও খুব সহজেই পালিয়ে যেতে পারে কারণ হসপিটালের সিকিউরিটি তুলনায় অনেক কম ছিলো। ওখান থেকে বাকি সমস্ত কয়েদিকে জেলের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। আর ওখানে যাওয়ার পর ওই ছেলের ওয়ার্ডেন সমস্ত কয়েদিকে এর নিয়ম জানিয়ে দেয় উনি বলেন। আমাদের এজেন্ডা একটা দ্বীপের মধ্যে রয়েছে আর তোমরা যদি এখান থেকে পালাতে চাও তাহলে পাঠাতে পারো। কিন্তু এখানে থাকা সমস্ত তখন তোমাদের কে গুলি করে মারবে আর যদি তোমরা কোন রকম ভাবে এদের হাত থেকে বেঁচে যাও তাহলে হয়তো আমাদেরকে এই দ্বীপের জঙ্গলের মধ্যে আটকে থেকে না খেয়ে মরতে হবে।

অথবা এখানকার সমুদ্রের মধ্যে নেমে হেঁটে যেতে হবে। আর তোমরা যদি কোন রকম ভাবে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে যাও। তাহলে প্রথমবার ধরা পড়লে তোমাদেরকে দু’বছরের জন্য সরকারি ক্যাম্পে পাঠানো হবে আর তোমরা যদি সেকেন্ড 12 পালানোর চেষ্টা করো আর ধরা পড়ে যাও তাহলে তোমাদেরকে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি ক্যাম্পে পাঠানো হবে আর তারপর তোমাদের বাকি সারাটা জীবন কাটাতে হবে আর তোমরা যদি এখানে কাউকে খুন করো তাহলে সবার সামনে এখানে তোমাদেরকে তোমাদেরকে মেরে ফেলা হবে এবারের মধ্যে সমস্ত কয়েদিকে খুবই কঠিন পরিশ্রমের কাজ করতে হতো আর এখানেই জেলের মধ্যে অনেকবার বউয়ের কাছ থেকে টাকাটা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু প্রত্যেকবারই ওদের হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিলো এবার একদিনের মধ্যে কাজ করতে করতে এদের দুজনের পরিচয় হয় নতুন একটা লোকের সঙ্গে ওই লোকটা কোন কয়েদি ছিল না

অফিসের জন্য বাইরে থেকে জিনিসপত্র সাপ্লাই করতো এবার পাপি ওই লোকটার সঙ্গে একটা বিয়ে করে বউ যদি পাপীকে জেল থেকে পালাতে সাহায্য করে তাহলে পাপী ওকে 5000 ডলার দেবে আর ওই লোকটা এতে রাজি হয়ে যায় ও পাপীকে জানায় নদীর ওপারে আমার নৌকা বাঁধা রয়েছে আর আমি আগামী তিন দিন অব্দি এই দ্বীপের মধ্যে রয়েছি আর ওই টাইম এর মধ্যে যদি তুমি আমার কাছে চলে আসতে পারো তাহলে আমি তোমাকে নিজের সঙ্গে করে নিয়ে যাব এবার একদিন পর আরও কয়েকজন কয়দিন থেকে টাকা নেওয়ার জন্য ওর উপরে আবার হামলা করে কিন্তু এবারও পাপী ওকে বাঁচিয়ে দেয় আর এসব কিছু দেখার পর থেকে ঠিক করে বাপে জনের সাথে থেকেও নিজেও পালিয়ে যাবে কারণ ততদিনে ওর ওয়াইফের জামিনের ব্যবস্থা করবে তার মধ্যে এখানকার বাকি কয়দিন ওকে মেরে ফেলবে এবার পরের দিন সকালে দেখতে পায় যুগ নামে যে কয়দিন নিজের মাকে হসপিটালে ভর্তি হয়েছিল এখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটা গান। এখন তাকে ধরে জেলের মধ্যে নিয়ে আসছে।। .

আর জুনায়েদকে দেখে খুব ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে ওকে অনেকটা দূর করা হয়েছে এবারের ওয়ার্ডেন ওখানকার সমস্ত কয়েদিকে জানায় হসপিটাল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল আ। ওখান থেকে পালানোর সময় ওখানকার একটা গার্ডকে ও পুরোপুরি মেরে ফেলে আর। সেজন্যই এখনো শাস্তি দেওয়া হবে আর তারপর সবার সামনে ওখানে গলা কেটে দেওয়া হয়। এবার পাপিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয় জেল থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিন্তু তাকে নিয়ে। যাওয়ার সময় অতিরিক্ত রক্ত দেখে দীঘার অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায় আর ওখানে এক রকম। ভাবে ওর মাথা কাজ করা বন্ধ করে দেয় আর সেই জন্য এদের সঙ্গে থাকা একজন গায়কে। জোরে জোরে বেতের বাড়ি মেরে আবার কাজ করতে বলে আর এটা দেখার পর একটা পাথর দিয়ে গার্ডকে মেরে ওখান থেকে পালিয়ে যায় কিন্তু দীঘার অবস্থা তখন এতটাই খারাপ ছিল।

যে ভাবির সাথে পালাতে পারেনি এবার বাপি ওখানে সমস্ত গাঙ্গুলীর হাত থেকে বেঁচে কোনরকমে ওই লোকটার নৌকার কাছে পৌঁছে যায়। আর তারপর ওই লোকটাকে জানায় আমার কাছে এই মুহূর্তে কোন টাকা নেই কিন্তু আমাকে এখান থেকে সুরক্ষিত বাইরে বের করে দিল। আমি তোমাকে যতটা প্রমিস করেছি তার থেকে আরো অনেক বেশি টাকা দেব আর এটা শোনার পর ওই লোকটা পাপের দিকে তাকিয়ে হাসতে শুরু করে। আর তারপর দেখা যায় অন্ধকারের মধ্যে থেকে অনেকগুলো গান বন্ধু খাতে বাইরে বেরিয়ে আসছে আর তারপর ওই লোকটা পাপীকে জানায় তোমার কাছে যদি টাকা থাকতো তাও আমি তোমাকে ধরিয়ে দিতাম কারণ তোমাদের মতন কয়েদিকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এই জেলের ওয়ার্ডেন আমাকে টাকা দেয় এবার যেহেতু বাপি প্রথমবারের জন্য জেল থেকে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছিল। তাই বকে দু’বছরের জন্য 16 তারিখে পাঠানো হয় আর এখানকার একটা নিয়ম ছিল সেটা হল।

এখানে সবসময়ের জন্য চুপচাপ থাকতে হবে কখনো কোনো কথা বলা বা আওয়াজ করা যাবে না। আর সমস্ত কয়েদিকে চারদিক বন্ধ করা একটা ছোট্ট ঘরের মধ্যে রাখা হতো আর এখানে সমস্ত কয়েদিকে দিনে মাত্র একবার করে খেতে দেওয়া হতো তাও সেটা কোন সলিড খাবার ছিল না ওটা ছিল পাতলা জলের মতন একটু ডাল জাতীয় খাবার যে কারণে এখানে আসা প্রত্যেকটা কয়দিন শারীরিকভাবে। খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবার এখানকার সমস্ত কয়েদিকে খাবারের সাথে সাথে প্রত্যেকদিন একটি করে জল দেওয়া হতো এবার কদিন পরে খেয়াল করে ও জলের বালতির মধ্যে একটা নারকেল রয়েছে আর ওর মধ্যে একটা ছোট চিরকুটে লেখা ছিল এখন তোমাকে প্রত্যেকদিন একটা করে নারকেল দেওয়া হব।

আর এটা দেখেই বুঝে গেছিল ওর জন্য প্রত্যেক দিন বাইরে থেকে নারকেল পাঠাচ্ছে কিন্তু কয়েকদিন পর ওখানকার একটা গান জানতে পারে যে পাপীকে চুরি করে নারকেল দেওয়া হচ্ছে। এরপর ওই জেলার ওয়ার্ডেন বাপির কাছে আসে আর ওকে বলে আমি তোমাকে কিছু বলব না তুমি শুধু তার নামটা বল যে তোমাকে প্রত্যেকদিন নারকেল পাঠাতো কিন্তু পাপীকে না কিছুই বলে না। প্রচুর চাপ থাকে সেজন্য ওয়ার্ডেন বাপির সারাদিনের খাবার অর্ধেক করে দেয় এমনিতে আগে থেকেই এদেরকে অনেক কম খাবার দেওয়া হচ্ছিল তার মধ্যে এখন সে টাকার অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছ। সেজন্য বাপি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছিল আর এরপর গোল্ডেন বাপির কাছে অনেকবার জানতে চেয়েছিলে।

কেউকে নারকেল পাঠাতে কিন্তু পাপী প্রত্যেকবারই চুপ থাক কখনো এটা কার নাম করত না। সেজন্য ওয়ার্ডেন রেগে গিয়ে পাপীকে একটা অন্ধকার ঘরের মধ্যে বন্ধ করে দেয় আর অন্ধকার ঘরে থাকতে থাকতে। পাপের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায় আর হ্যালুসিনেশন শুরু হয়ে যায় চোখের সামনে বিভিন্ন রকম ভুলভাল জিনিসপত্র দেখতে শুরু করে। আর আস্তে আস্তে মানসিকভাবে পাগল হয়ে যেতে লাগে আর এখন পাপী শারীরিক আর মানসিক দিক দিয়ে প্রচন্ড দুর্বল হয়ে পড়ে ছিল। সেজন্য ওকে এখান থেকে বের করে হসপিটালে ভর্তি করা হয় আর ওই হসপিটালে যাওয়ার পর ওর সঙ্গে দেখা করতে আসে। এখন জেলের মধ্যে লেখালেখির কাজ করে বাকি কয়দিন থেকে একটু আলাদা চোখে দেখতাম আর সাথে সাথে এক রকম ভাবে। এই জেলার কর্মচারী হয়ে গেছিল আর এখন ডিনার পার্টির কাছে এসে ওর কাছে ক্ষমা চাই কার জন্য পাপীকে এতটা বেশি শাস্তি পেতে হয়েছিল।

ও যদি পাঠাতো তাহলে উপরে এত অত্যাচার হতো না আরো জানায় এখন বিয়ে করে নিয়েছ।

পাপের জন্য খুবই খারাপ লাগছিল। কিন্তু এখানে দেখা যায় পাখি পুরোটাই নাটক করছিল ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ঠিক আছে নিজের স্বাস্থ্যের হাত থেকে বাঁচার জন্য এই নাটকটা করেছিলো। আর এখন এরা দুজন মিলে আবার এই জেল থেকে পালানোর প্ল্যান করতে শুরু করে আর এখন ওরা আরও দুজন কে নিজেদের টিমে নিয়ে নেয়। এদের মধ্যে একজনের নাম ছিল সেই নিয়ে আরেকজনের নাম ছিল ম্যাটেরিয়ালের কাটছিল। জেলের বাইরে থেকে একটা নৌকার ব্যবস্থা করা দরকার ছিল। ওই জেলেদেরকে ডিস্টার্ব করা এবং এরা 4 জন ঠিক করে এরা রবিবার দিন পাবে কারণ ওই দিনেই জেলার সমস্ত করে দেখে একটা বড় প্রজেক্টর এর সাহায্যে সিনেমা দেখানো হবে সেজন্য ওই ছেলের। অন্য দিনের তুলনায় অনেকটা হালকা থাকবে এবার দেখা যায় রবিবার চলে এসেছে। আর সেদিন সন্ধ্যেবেলায় জেলের সবাই সিনেমা দেখতে ব্যস্ত ছিল সেই সময় হসপিটালে চলে আসে।

আর ওখানে দায়িত্বে থাকা সমস্ত কাদেরকে ড্রিঙ্ক অফার করে এর মধ্যে আগে থেকেই ঘুমের ওষুধ নিয়ে রেখে ছিলো। যেটা খাওয়ার পর ঘরের মধ্যে ওরা সবাই অজ্ঞান হয়ে যায় আর তারপর ওরা চারজন ওখান থেকে বেরিয়ে জেলের পাঁচিল টপকে ওখান থেকে পালিয়ে আসে কিন্তু ওরা যে নৌকায় করে ওখান থেকে আসছিল ওই নৌকার অবস্থা আগের থেকে খারাপ ছিল। ভারতে একসাথে অনেকটা করে জল ঢুকতে শুরু করে দিয়েছিল আর যেটা দেখে খুব ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে। যে কোন নৌকাটা চারজনের ভার সামলাতে পারছে না সেজন্য শ্রেণীর ঠিক করে দিঘা সমুদ্রের মধ্যে ফেলে দেবে যাতে এই নৌকার একটু কমে যায়। কিন্তু পাপী এখানে ওদেরকে বাচানোর চেষ্টা করে আর সেজন্য ও রাশিয়ার মধ্যে এখন মারামারি বেঁধে যায়। এদের দুজনকে মারামারি করতে দেখে তার পিছন দিক থেকে একটা চাকু দিয়ে সিনিয়রকে মেরে দেয়। আর এখন ওই নৌকার কমানোর জন্য সেই সমুদ্রের মধ্যে ফেলে দেয় আর। এখন এই নৌকার মধ্যে টোটাল তিনজন রয়েছে এবং কিছুক্ষণ পর সমুদ্রের মধ্যে জ্বর চলে আসে এরা নিজেদের নৌকাটাকে বাঁচানোর অনেক চেষ্টা করছিলো।

কিন্তু ঝড় আসার পর এদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আর ঘরের মধ্যে নিজেদের নানান সময়ে এরা ওখানে অজ্ঞান হয়ে যায় আর যখন ওদের জ্ঞান ফেরে তখন ওরা দেখতে পায় ওরা কলম্বিয়ার একটা দ্বীপে এসে উঠেছে। ওই দ্বীপের কিছু লোকজন ওদেরকে সমুদ্র থেকে বাঁচিয়ে নিজেদের কাছে আশ্রয় দিয়েছিল। আর ওই লোক গুলো জানতো এরা তিনজন জেল থেকে পালিয়ে এসেছে সে জন্য পাপী ঠিক করে। ওরা আবার এখান থেকে পালিয়ে যাবে কিন্তু এখান থেকে যেতে চাইছিলো না ওই জায়গাটা খুব ভালো লেগেছিল। এবার পাপিয়াকে নিয়ে যখন দোকান থেকে পালাতে যাচ্ছিল ততক্ষণে অলরেডি হয় জেল থেকে ওখানে পুলিশ চলে এসেছিল। আর কোন মেয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ওখানে গুলি করে মেরে দেয় আর ওদের দুজনকে আবার জেলে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এবার যেহেতু এটা পাপীর পালানোর সেকেন্ড টাইম ছিল। তাই ওকে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি ক্যাম্পে পাঠানো হয় এবার দেখা যায় সলিতারি ক্যাম্পের পাঁচ বছর কাটানো হয়ে গেছে। আর এখন আর আগের মতো নিয়ম নেই ওর বয়স হয়ে গেছে চুল পেকে গেছে এবার যেমনটা কথা ছিল। কোন কয়েদি যদি দ্বিতীয়বার পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে।

তাহলে পাঁচ বছর এখানে কাটানোর পর তার বাকি জীবনটা তাকে টেবিল থাইল্যান্ডের কাটাতে হবে। সেজন্য পাপীকে এখন এখান থেকে ডেভিলস আইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয় এই দ্বীপের মধ্যে কোন রকম এক রকম ভাবে ছিল না। বললেই চলে কারন এই প্রদীপটা সমুদ্র থেকে অনেক উঁচুতে পাহাড় টাইপের একটা টিলার উপরে ছিল। আর উপর থেকে সমুদ্রের মধ্যে লাভ মানে সুইসাইড করার এই দ্বীপের মধ্যে আসার পর পাপিয়াকে দেখতে পায়। এতটাই রেগে গেছিল যে পাঁচ বছর আগেই সোজা ওকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল পাঁচ বছর ধরে এখানে থাকতে থাকতেই পরিবেশটাকে অনেক ভালবেসে ফেলেছে। আর এখন এই জায়গাটাকে নিজের বাড়ি ভাবতে শুরু করেছে। এবার বেশ কয়েকটা দিনের মধ্যে থাকার পর এটা খুব ভালভাবেই বুঝতে পারে। যে তার ওপর থেকে যদি কোন রকমের সমুদ্রের মধ্যে লাভ মারা যায় তাহলে খুব সহজে।

এখান থেকে অন্য কোন একটা জায়গায় পৌঁছে যাওয়া যাবে কারণ নিজের সমুদ্রের জলের স্রোত সম্পূর্ণ অন্য দিকে বয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু কাউকে জানায় পরে আর কোথাও যেতে চায়না এ দ্বীপের মধ্যে উনি যে বাকি জীবনটা কাটাতে চাই। কারণ এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কোন জায়গা নেই অনু আইডিকে বিয়ে করে নিয়েছ। আর এই জেলের মধ্যে আসার আগে নিজের সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে করে এসেছিল। কিন্তু বাপি যেভাবেই হোক এখান থেকে বেরোতে চাই ছিল সেজন্য এরা দুজন মিলে। একটা বস্তার মধ্যে নারকেল করতে শুরু করেন যাতে ওই পোস্টটাকে হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এবার পাছাটাকে উপর থেকে নিচে ফেলে আর তারপর তাকে বিদায় জানিয়ে নিজের উপর থেকে সমুদ্রের মধ্যে লাভ মারে বাপি নিজেও এটা জানত না। যে উপর থেকে লাফ মারব বেঁচে থাকবে নাকি মারা যাবে কিন্তু দেখা যায় পুরোপুরি ঠিক আছে ওর কোন ক্ষতি হয়নি। এটা দেখার পরে দুজনই প্রচন্ড খুশি হয় বাপি এখন লাইভে আসতে আসতে নিজের মুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। নিজের মুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আর এবার 969 সালের ঘটনা দেখানো হয় আর বাপি এখন পুরোপুরি ভাবে ভেনিজুয়েলায় থাকে কারণ নিজের দেশ ফ্রান্স ও এখনও একজন আসামী আর এই মুহূর্তে একটা বইয়ের এডিটর এর সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। আর ওই জেলের মধ্যে থাকা কালিন বাপি নিজের সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনা এটা ডায়েরীতে লিখে রেখেছিল আর এখন ওই এডিট লেখাগুলো দিয়ে একটা বই ছাপাতে বলে পাপিয়ার দিয়েছিল।

সেখানে টোটাল ৮০০০০ কয়েদিকে পাঠানো হয়েছিল তার মধ্যে থেকে বেশির ভাগ করে দিয়ে। আর কখনো নিজেদের দেশে ফিরে আসতে পারিনি কারণ ওখানকার ব্যবস্থা খুবই কঠিন ছিল। ওখানে বেঁচে থাকা সবার পক্ষে সম্ভব ছিল না এবার প্যাটেলের লেখা ওই বইটা ২১ সপ্তাহ ধরে ফ্রান্সের বেস্ট সেলিং 2013 মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। আর এই বইটা ছাপানোর হাজার ৯৭০ সালে ফ্রান্সের সরকার আবার ফিরে আসার অনুমতি দেয় এবার সবশেষে মিলনের আসন ছবি দেখান আর আসল নাম ছিল কিন্তু যেহেতু ওর বুকে একটা প্রজাপতি ট্যাটু করা ছি। আর প্রজাপতিকে ফ্রেঞ্চ ভাষায় বলা হয় সেজন্য প্যাপিলন নামে সবার কাছে বেশি পরিচিত ছিল আর এখানে সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

রোমাঞ্চকর হলিউড এডভেঞ্চার সিনেমা দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন

আমাদের শেষ কথা

আজকে আমরা পাপিলোন সিনেমাটি রিভিউ ও কিছু তথ্য আলোচনা করলাম।
আটিক্যাল টি ভালো লাগলে শেয়ার করুণ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: