বিখ্যাত হলিউড সিনেমা টাইটানিক ( ১৯৯৭ ) সূম্পর্ণ বাংলা ভাষায় অনুবাদ | Titanic movie in Bengali

টাইটানিক সিনেমা বিষয় বস্তু


সত্যি ঘটনার উপর নির্মিত বিখ্যাত টাইটানিক মুভি James Cameron সিনেমাটির গল্পকার ও ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করেন। Leonardo DiCaprio Kate Winslet সিনেমাটিতে প্রধান হিরো এবং হিরোহীন হিসাবে কাজ কাজ করে। সিনেমাটি প্যারামাউন্ট পিকচার্স 20th সেঞ্চুরি ফক্স কোম্পানি দ্বারা প্রোডাকশন করা হয়।

titanic ship , titanic movie , titanic full movie, টাইটানিক ,

Titanic IMDb


এই সিনেমাটি টোকিও শহরে ১ নভেম্বর ১৯৯৭ সালে প্রথম রিলিজ করা হয়। ১৯৫ মিনিটের এই সিনেমাটির বাজেটছিল ২০০ মিলিয়ন ডলার। সিনেমা হল থেকে টোটাল বাক্স অফিস কালেক্টশন করে $2.202 বিলিয়ন। দর্শকরা সিনেমাটিকে IMDb ৭.৯/১০ রেটিং দেয়।

Titanic full movie-youtube

এখনো পর্যন্ত সিনেমাটি না দেখে থাকলে ফ্রিতে এই বইটি আপনি ইউটিউব এর মাধ্যমে হিন্দি ভাষায় দেখে নিতে পারেন।

টাইটানিক সিনেমাটির কাহিনী

টাইটানিক যেটা একসময় এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ ১৯১২ সালে ১৫ ই এপ্রিল রাত আড়াইটার সময় যেটা সমুদ্রের গভীরে হারিয়ে যায় এবং সেই একই সাথে সেখানে ডুবে যায় হাজার হাজার মানুষ এই ঘটনা 84 বছর পর টাইটানিক আবার সমুদ্রের মধ্যে খোঁজা হচ্ছে। তার কারণ হলো এর মধ্যে একটা ইংরেজিতে নাম হল যেটা পৃথিবীর সবচেয়ে দামি হীরার মধ্যে একটা সেজন্য গুপ্তধন খোঁজার একটা টিম সেখানে চলে যায় তারা আধুনিক মেশিন এবং রোবট টেকনোলজি সাহায্যে ডুবে থাকা টাইটানিক এর মধ্যে থেকে ছেলেটাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

এদের বহু খোঁজাখুঁজির পর একটা খুঁজে পায় যেটা প্রচন্ড খুশি হয়-কিন্তু খোলার পরে দেখা যায়। তার মধ্যে হাট বসার নেই অল্প কিছু টাকা এবং একটা ছবিটা দেখার পর পুরো খুবই হতাশ হয়ে যায় এবারের ভেতর থেকে যে ছবি ফাইলটা পাওয়া গেছিল সেখানে দেখা যায় একটা মেয়ে নিজের গলায় হাট পড়ে আছে আর ছবি লেখা ছিল 14 ই এপ্রিল 1912 মানে টাইটানিক ডুবে যাওয়ার একদিন আগে এই ছবিটাকে আঁকা হয়েছিল। এবার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমস্ত নিউজ চ্যানেলে টাইটানিকের সে খবরটা ছড়িয়ে পড়ে এবং এদের মধ্যে পড়ে থাকা সেই মেয়েটার ছবি ও দেখানো হয় এবার এই নিউজটা টেলিকাস্ট কিছুক্ষণের মধ্যেই একজন বয়স্ক মহিলার বয়স এক বছরের কাছাকাছি হবে নিজের মধ্যে সেই গুপ্তধন খোঁজা টিমের কাছে ফোন করে এবং তাদের ক্যাপ্টেন এর সঙ্গে কথা বলতে চাই এবার যখন ওই মহিলার সাথে কথা বলা শুরু করে তখন ওই মহিলাকে একটা প্রশ্ন করে তোমরা কি খুঁজে পেয়েছো।

সেটা শোনার পর প্রচন্ড চমকে ওঠে কারণ হাট সম্পর্কে শুধুমাত্র তারাই যারা এই মুহূর্তে রয়েছে অথবা যারা টাইটানিকের মারা গেছে কিন্তু এই মহিলাটা সম্পর্কে জানেন এর মানে নিশ্চয়ই টাইটানিকে ছিলেন তখন এই টিমের ক্যাপ্টেন ওই মহিলার কাছে প্রশ্ন করে আপনি কি জানেন এই ছবিটাকে বয়স্ক মহিলা জানায় ওই মেয়েটা আমি নিজেই আর এই কথা শোনার পর হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয় ওখানে যাওয়ার পর বয়স্ক ভদ্রমহিলা সে নিজের ছবিটা সামনাসামনি দেখতে চাই কিছুক্ষণ পর একজন সদস্য অ্যানিমেটেড ভিডিও সাহায্যে ব্যাখ্যা করে দেখায় টাইটানিক কিভাবে ডুবেছিল। ওর কথাগুলো শোনার পর ওকে জানায় তুমি খুব সুন্দর একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে কিন্তু তখন আমার সামনে যেটা হয়েছিল তার অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা ছিল এবার ওদের সবাইকে নিজের গল্পটা শোনার এখান থেকে পুরো ঘটনা 84 বছর আগের ফ্ল্যাশব্যাকে চলে যায়।

এখানে দেখা যায় রোগীর বয়স অল্প খুবই সুন্দরি এবং হবু স্বামীর সঙ্গে টাইটানিকে করে আমেরিকায় যাচ্ছে রোজ এবং তার ফ্যামিলি প্রচন্ড বড়লোক এবং তারা খুবই রাজকীয় টাইটানিক এতটাই বড় এবং বিলাসবহুল ছিল। সে ওটাকে স্বপ্নে জাহাজ বলা হতো টাইটানিকের মতন একটা স্বপ্নের জাহাজে করে আমেরিকায় যাচ্ছিল ঠিকই কিন্তু ভেতর থেকে একদমই খুশি ছিল না নিজের অনিচ্ছায় একপ্রকার বাধ্য হয়ে উঠেছে আর অন্যদিকে এই গল্পের আর একজন মুখ্য চরিত্র তাকে দেখা না হয় এখানে তার বন্ধুদের কাছে বেশি টাকা পয়সা ছিল না কিন্তু তাতেই খুশি ছিল এখানে জুয়া খেলে ও আর ওর বন্ধুর টাইটানিক এর দুটো টিকিট জিতে নেয় আর বাকিদের মতো ওরাও টাইটানিকের নিজেদের যাত্রা শুরু করে এবার টাইটানিক আমেরিকার উদ্দেশ্যে এগিয়ে যেতে লাগে সমুদ্রের মাঝখানে আসার পর টাইটানিকের ক্যাপ্টেন জাহাজটাকে কুয়েটে চালানোর আদেশ দেন কারণ তিনি দেখতে চেয়েছিলেন।

টাইটানিকের আসল ক্ষমতা কতটা এবার যে জাহাজের ডেকের উপর বসে তার বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিল তখন দূর থেকে দেখতে পায় আর রোজ এর দিকে এক নজরে তাকিয়ে থাকে এক ভালো করে লক্ষ্য করে রোজ ওখানে খুব মন খারাপ করে দাঁড়িয়েছিল এবার দেখা যায় রোজ নিজের লাইফে প্রচন্ড আনহ্যাপি কারণ হচ্ছে। আর পাশে থাকা লোকজন সব সময় নিজেদের টাকা-পয়সা এবং ক্ষমতার অহংকার করত যেটা ওর একদমই পছন্দ ছিল না আর মনে হত এই জাহাজটা একটা জেলখানা কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে আমেরিকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল এইসব কথা ভেবে বিরক্ত হতে হতেও একদিন আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয় এরপর জাহাজের পিছন দিকের শেষ সীমানায় চলে যায় আর ওখানে যাওয়ার পর জাহাজের রেলিং টপকে রেলিং এর বাইরের দিকে চলে যায়। ওখান থেকে ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যা করার জন্য কিন্তু যখন জাহাজের ডেকের উপর দিয়ে যাচ্ছিল। তখন চেহারাটা দেখতে পায় কারণ যেখানে পাশেই একটা জায়গায় শুয়ে ছিল এবার যেহেতু তাদের কাছে চলে আসে আর ওকে এটা করতে বারণ করে কিন্তু রোজার কোন কথাই শুনতে চায় না তখন যে কাকে বলে তুমি যদি না পারো তাহলে আমিও লাথ মারবো কিন্তু যেহেতু আমি সাঁতার জানি সেজন্য আমি জলে ডুবে মরব না কিন্তু আমার চিন্তা হচ্ছে যে এই জরি টা খুবই ঠাণ্ডা জলে পড়লে আমাদের যে খুবই কষ্ট পেয়েছি করে মরতে হবে এবার আস্তে আস্তে কাম্মিনস করে যে অ্যাক্রস কে ফিরিয়ে আনে এ বাক্যে হাত ধরে ওকে রেলিং এর ভেতরে নিয়ে আসছে কিন্তু সেই সময় রোগীর পা পিছলে যায়।

আরো সত্যিই জাহাজ থেকে পড়ে যাচ্ছিল সে জন্য ভয় পেয়ে জোরে চিৎকার করে ওঠে কিন্তু যে কোনো মতে রোজের হাত ধরে ওকে টেনে তুলে আনে আজকের ডেটে গিয়ে একজন আরেকজনের উপরে উঠে গেছিল আর অন্যদিকে চিৎকার শুনতে পেয়ে জাহাজে থাকা সিকিউরিটি গার্ড ঘটনাস্থলে চলে আসে। আর ওখানে আসার পর ওরা দেখতে পায় এরা দুজন একজন আরেকজনের ওপর উঠে আছে যেটা দেখলে এদের মনে হয় যে এক হয়তো ওদের সঙ্গে অসভ্যতামি করছিল এবার ওখানে রোজ এর হবু স্বামীকে ডাকা হয় এখানে আসার পর প্রচন্ড গালাগালি করতে শুরু করে তখন রস জানায় এতে ওর কোন দোষ নেই এটা একটা অ্যাক্সিডেন্ট এটা আমারই ভুল আসলে আমি জাহাজের পিছন দিকে ঝুঁকে প্রপেলার দেখার চেষ্টা করছিলাম আর তখনই আমার পা পিছলে যায় সেই সময়ে এসে আমাকে বাচায়ে এটা শোনার পর হবু স্বামী এই কাজের জন্য যাকে কুড়ি টাকা দেয় তখন রোজ বলেন নিজের প্রেমিকাকে বাঁচানোর জন্য মাত্র কুড়ি টাকা তখনও জ্যাককে পরেরদিন নিজেদের সাথে ডিনার করার আমন্ত্রণ জানায় এই ঘটনা পরদিন সকালে রাজ্জাকের সঙ্গে দেখা করতে যায়।

আগের দিন রাতের ঘটনার জন্য ওকে ধন্যবাদ জানাতে এখানে যে সাথে কথা বলতে বলতে জানতে পারে যে ও খুব সুন্দর ছবি আঁকে আরো এত গরিব হওয়া সত্বেও পৃথিবীর অনেক দেশ ইওর করে হয়ে গেছে যে এক নিজের লাইফের প্রতিটা মুহূর্ত খুব ইনজয় করে। যে তাদের খুবই ভালো লাগে যেটা তুমি করতে পারে না এমনকি ও যে বিয়ে হচ্ছে সে বিয়েতে উপর একদম নেই যে কারো যখন নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। তখন রোজের মা তোর বান্ধবীদের সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে সেখানে চলে আসে এবার তার মা এবং বাকি সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় আর তাদেরকে জানাই আগের দিন রাতে কিভাবে তার জীবন বাঁচিয়ে ছিল।

এখানে বাকি সবার সাথে ভালোভাবে কথা বললেও রোজের মাজাক এর সাথে একটুও কথা বলে না আর ওকে একদম রোজের মাজাক এর সাথে একটুও কথা বলে না আর ওকে একদম পছন্দ করে না কারণ যে গরিব ছিল। আরো থাকলে সে পেছনে ছিল সেই জন্য আমার নিজের টাকা পয়সা এবং প্রভাব-প্রতিপত্তির জন্য সব সময় খুবই অহংকার করত এবার ওখানে থাকে একটা মহিলা যাকে জিজ্ঞেস করে। তুমি রাতে পার্টিতে কি পড়ে আসবে তার উত্তরে জ্যাক জানায় এখন যেটা বলেছি সেটাই তখন ওই মহিলাকে নিজের কামরায় নিয়ে যায়। আর সেখানে যাওয়ার পর নিজের ছেলের একটা শর্ট জ্যাকেট পড়তে দেয় আর বলে রাতে তুমি পার্টিতে এটা পড়ে এসো এবার কিছুক্ষণ পর রাতের পার্টি শুরু হয় যে ড্রেসটা পড়ে পার্টিতে চলে যায় এখানে যাকে দেখে বোঝাই যাচ্ছিল না যে ও এত গরিব আরো থার্ডক্লাসের প্যাসেঞ্জার ওকে দেখে এটা মনে হচ্ছিল।

সেখানে বাকি সবার মতন কোন একটা বড়লোক অভিজিৎ ফ্যামিলি থেকে এসছে এবার ডিনার টেবিলে বসার পর রোদের মাঝে বিভিন্ন ভাবে অপমান করার চেষ্টা করে। কিন্তু খুবই ভালভাবে ওনার কথাগুলোর জবাব দেয় এবার ডিনার করার পর এক ওখান থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে আর বাইরে আসার আগে কোন জেলাতে একটা চিরকুট ধরিয়ে দেয় যাতে লেখা ছিল ঘড়ির কাছে এসে দেখা করো আমি তোমার জন্য ওখানে অপেক্ষা করবো রোজ একই সঙ্গে দেখা করলে যে এককে বলে একটা আসল পার্টিতে যেতে চাও এবার জেঠুকে নিয়ে থাকবা সে চলে যায় আর দেখা যায়। সেখানেও সবাই পার্টি করছে এখানে সবাই পাগলের মতন নাচ করছে গান করছে মদ খাচ্ছে যার যেটা ইচ্ছা হচ্ছে সে তাই করছে এখানে সবাই খুবই খুশি এখানে কেউ কোনো সোয়াব করছে না কোন অহংকার করছে না যেটা দেখে রোজের খুব ভালো লাগে এবার রোজ ওখানে জ্যাক এর সাথে বাকিদের মতো নাচানাচি শুরু করে আর ওই পার্টিতে প্রচন্ডভাবে ইনজয় করে এখানে রস যখন যাকে সাথে নাচানাচি করছিল সেটা দেখতে পেয়ে।

একজন রোজের হবু বরকে জানিয়ে দেয় রোজার উপর সব সময় নজর রাখার জন্য ওর বড় পিছনে একজন কর্মচারী কে লাগিয়ে রেখেছিল পরের দিন সকালে সূর্যের হবু বরের সাথে খুবই ঝামেলা করে আগে রাতের ব্যাপারটা নিয়ে এরপর রোজের মা ও কান্নাকাটি করে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে যাতে ওদের সাথে আর দেখা না করে। এইসব ঘটনার পর ডিসাইড করে ওয়াজ জাকের সাথে দেখা করবে না কিন্তু কিছুক্ষন পর যে ওর সাথে দেখা করতে চলে আসে জ্যাক রোজ ডে জানায় যে সে ওকে পছন্দ করে আর ওর সাথে থাকতে চায় কিন্তু তখন জাকের কথা শোনার পর রোজ ওখান থেকে চলে যায় কিন্তু কিছুক্ষণ পর রোজ রিলিজ করে কোনির জীবনে ভালো নেই নিজের জীবনে ওর আবার আগের মতন বন্ধ হয়ে গেছে ও বুঝতে পারে। জ্যাকের সঙ্গে থাকলেও খুব ভালো থাকবে সেজন্য আমার জাতির কাছে ফিরে যায় এখানে দেখা যায় যাক মন খারাপ করে জাহাজের একদম সামনে রেলিং এর উপরে দাঁড়িয়ে আছে এবার যে তোকে নিজের কাছে ডেকে নেয় প্রথমবারের জন্য ওরা দুজন নিজেদেরকে কিস করে এরপর রাজ্জাককে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। আর যেখানে ওজেড থে হার্ট অফ তঃসান টা দেখায় তাদেরকে বলে তুমি আমার একটা ছবি একে দাও ইহার পড়া অবস্থায় শুধু এই আর পড়া অবস্থায় এবার দেখা যায় রোজ সোফায় শুয়ে আছে আর যে কোন ছবি আছে এটা সেই ছবিটা ছিল যেটা 84 বছর পর সমুদ্রের তলা থেকে খুঁজে পায় ছবি আঁকার পর্নোস্টার হবু স্বামীর জন্য একটা চিঠি লিখে রাখে আর যাকে বলে তুমি এই ইটের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখ যে রাখে তারপর ওরা দুজন ওখান থেকে বেরিয়ে যায়। এবার এরা দুজন ঐ রুম থেকে বেরিয়ে আসার পর ওই রুমে ঢুকে ওখানেও যে ছবিটা দেখতে পায় আর তার সাথে একটা চিঠিও ছিল যাতে লেখা ছিল।

এখন তুমি চাইলে আমাকে লকারে বন্ধ করে রাখতে পারো এদিকে জেড আর রোল জাহাজের ডেকের উপর দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে গল্প করছিলো। যে তাকে জানায় যখন চালাবে তখন আমি তোমার সাথে নেমে যাব এদিকে টাইটানিক ফুল স্পিডে চলছে আর তখনই হঠাৎ সামনে একটা বরফের পাহাড় দেখতে পাওয়া যায় তখনই ওর সঙ্গে সঙ্গে সাইরেন বাজিয়ে দেয় আর জাহাজের সবকটা ইঞ্জিন একইসঙ্গে রিভার্স চালানো শুরু করে কিন্তু এতে কোনো কাজ হয়। না টাইটানিকের গতি কমে না এমনকি যারা জাহাজে স্টিয়ারিং পুরোপুরি দিকে ঘুরিয়ে দেয় আর তাতে কোন কাজ হয়না আসলে টাইটানিক এতটাই বড় একটা যাচ্ছিল এবার বরফের পাহাড় এর পুরো কাছাকাছি আসার পর আস্তে আস্তে টাইটানিক বাঁদিকে ঘোরা শুরু করে কিন্তু এতকিছুর পরও টাইটানিকের সামনের দিকের নিচের অংশ বরফের দিয়ে ঘষা খেয়ে বেরিয়ে যায় যে কারণে ওটা খুব বাজেভাবে ড্যামেজ হয় আর ওর মধ্যে জল ঢুকতে শুরু করে কিন্তু যখন এই ঘটনাটা ঘটেছিল। তখন যে আরও যাদের সামনের দিকে ডেকেরও পড়ছিল তখন ওরা পুরো ঘটনাটি দেখতে পেয়েছ। আর বুঝে গেছিল কি হতে চলেছে সে জন্য এরা দুজন মিলে রোজের মার্কেলকে এ ব্যাপারে সাবধান করতে চায় ওরা দুজন যখন রুমের মধ্যে ঢুকে তখন দেখা যায় সেখানে পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে রুমে ঢোকার পর পুলিশের তল্লাশি না আর এখানে জ্যাকের পকেট থেকে সেই আড্ডাটা পাওয়া যায় আসলে এখানে কর্মচারীকে দিয়ে জ্যাকের পকেটের মধ্যে টাকা ঢুকিয়ে দেয় ওকে ফাঁসানোর জন্য আর এখন সেটাই হয় এ ঘটনার জন্য যাকে অ্যারেস্ট করা হয়।

এদিকে জাহাজের ক্যাপ্টেন এবং আরো কয়েকজন এটা আলোচনা করছিল কিভাবে টাইটানিক কে আবার আগের মতন ঠিক করা যাবে সেই সময় তিনি এইটাইটানিকের পুরো নকশা তৈরি করেছিলেন উনি পুরো হিসাব-নিকাশ করে সবাইকে জানান আর এক থেকে দু ঘন্টার মধ্যে টাইটানিক পুরোপুরি ডুবে যাবে এবার ওরা মেসেজ দেয় সমস্ত যাত্রীকে লাইফ জ্যাকেট পড়ে জাহাজের ডেকের উপর চলে আসার জন্য এখানে একটা সমস্যা ছিল। যে সমস্ত যাত্রী তুলনায় লাইভ পড়ছিল অর্ধেক আসলে এরা এই গাছটা নিয়ে এতটাই কনফিডেন্ট ছিল এদের ধারণা ছিল টাইটানিক ঢুকতে পারবে না যে কারণে এই জাহাজে বেশি লাইফবোট লাগায়নি কিন্তু এখন এই মুহূর্তে তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি কিন্তু এখানে দেখা যায় ফার্স্ট -ক্লাস প্যাসেঞ্জারদের কে আগে প্রায়োরিটি দেওয়া হচ্ছে। এই ভাবে যখন রোজের ওটার নাম্বার আসে তখন হবু টিনা উঠে ওখান থেকে সোজা জ্যাকেল কাছে চলে যায় ওর মা ওকে অনেক আটকানোর চেষ্টা করে কিন্তু কারো কথাই শোনে না এবার অনেক কষ্টে অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাজ্জাকের কাছে পৌঁছায় এখানে দেখা যায়। নিচের সবকটা রুমে অলরেডি জল ভরতে শুরু হয়ে গেছে জ্যাকের হাতে হাতকড়া পরিয়ে ওকে একটা মোটা পাইপের সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছে আরো দোকানে অনেক চেষ্টা করেও ওটা চাবি খুঁজে পায় না।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও একটা খুঁজে পায় আর ওটা দিয়ে আঘাত করা টা কেটে দেয় এবার ওখান থেকে ওপরে ওঠার পর ওরা দেখতে পায় ওখানে প্রচুর লোকজন ভর্তি হয়ে গেছে আর সবাই খুব পার্টি হচ্ছে তখন ঘোড়া জানতে পারে জাহাজের অন্যদিকে এখনো দুটো লাইফবোট রয়েছে আর ওখানে যাওয়ার পর ওরা জানতে পারে রিপোর্টের শুধু মহিলা আর বাচ্চাদেরকে নেওয়া হবে। এবার ফুটে উঠে যেতে বলে কিন্তু ওকে একা রেখে যেতে চাচ্ছিল না তখন ওখানে পিছন দিক থেকেই চলে আসে রোজ কে বলে তুমি এই বোটে উঠে যাও আমি যাকে নিয়ে পড়ে বোটে করে আসছি আর এর পর্ব নিজের জ্যাকেটটা রসকে পরিয়ে দেয়। এটা সেই জ্যাকেট ছিলো যার মধ্যে খেল নাটক দেখে ছিল তখন খেয়াল এটা খেয়াল ছিল না যে ওই জ্যাকেটের মধ্যেই রয়েছে এবারের দুজনের কথা শুনে সেই নৌকায় উঠে যায় এবার নৌকাটাকে আস্তে আস্তে জাহাজ থেকে নিচে নামানো হচ্ছিল।

তখন হঠাৎ যে কিছু একটা মনে হয় আরো নৌকা থেকে লাভ মেরে আবার জাহাজে ফিরে আসে রোজের হয়তো গানের কথাগুলো বর্ষা হচ্ছিল না হলে তোকে ছেড়ে যেতে চেয়েছিল না এবার যে এখান থেকে ছুটে যায় আর নিচে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে উপরে দাঁড়িয়ে এগুলো দেখছিল। আর ওদের দুজনকে কে দেখে ওর প্রচন্ড হিংসে হয় যে কারণে ও বন্দুক বের করে এদের দুজনকে গুলি করতে শুরু করে কিন্তু এরা দুজন কোন মাছের ওখান থেকে পালিয়ে যায়। এদের কাছ থেকে পালাতে পালাতে চলে এসেছি খুব তাড়াতাড়ি জল ভর্তি হয়ে যাচ্ছে তাই কষ্ট করে আবার উপরে উঠে আসে এদিকে জাহাজের অনেকটা অংশ ততক্ষনে জলের তলায় চলে গেছে যে কারো ওপর আসার পর দেখতে পায় না। যে আর কোনও লাইভ বাকি নেই লাস্ট লাইভ ফুটবল নিজের জন্য কোন মত একটা জায়গা ব্যবস্থা করে নেয় জ্যাক রোজ কে নিয়ে জাহাজের একদম পিছনে চলে যায় আর বাকি লোকজন সব পাগলের মতন ছুটোছুটি করছে। অনেক লোকজন তখন জলের মধ্যে পড়ে গেছে আর নিজেদের কে বাঁচানোর চেষ্টা করছে তখন আস্তে আস্তে জাহাজটা মাঝখান দিয়ে দুভাগ হয়ে যায।

জাহাজের সামনের দিকে জল পড়ে যাওয়ার জন্য সেই অংশটা বেশি ভারী হয়ে যায় এবং সেটা পিছনের অংশটা আরো কয়েক মিনিট ভাসতে থাকে যে জাহাজে পিছনের অংশ ছিল বাট কিছুক্ষণ পর জাহাজের পিছন দিকটা ডুবে যায় আর তখন ওরা দুজন বাকিদের মতন জলের মধ্যে এসে পড়ে। এই সময়ের মধ্যে জলে থাকা অনেক মানুষ মারা গেছে আর বাকিরা নিজেদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে ওখানে জলের তাপমাত্রা প্রচন্ড গরম ছিল। যে কারণে মানুষ তাড়াতাড়ি মারা যাচ্ছিল এবার জ্যাক কোনমতে একটা ভাসমান কাঠের দরজা খুঁজে পায় তাকে এনে তার ওপরে তুলে দেয় ওই দরজাটা এতটাই ছোট ছিল যে ওখানে একজনের বেশি দুজন ধরবেনা তোলার পর যখন উঠতে যাচ্ছিল তখন তো দুজনে ভার নিতে পারছিলো না। সে জনরোষকে উপরে তুলে জ্যাক জলের মধ্যে থেকে যায়। এদিকে ভোটগুলো সমুদ্রে ভাসছিল তাদের মধ্যে অনেকগুলোই বেশ ফাঁকা ছিল ওগুলোর মধ্যে তখনও মানুষকে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল সেজন্য ওরা দুটো নৌকার যাত্রী দেখে একটা নৌকায় পাঠায় আর একটা নৌকা ফাঁকা করে আবার এখানে বাকিদেরকে বাঁচানোর জন্য ফিরে আসে কিন্তু যতক্ষণে ওরা ফিরে এসেছিল তার মধ্যে অধিকাংশ লোকজনই মারা গেছিলো।

এদিকে দেখা যায় জ্যাক এর অবস্থা খুবই খারাপ ওই অবস্থায় তাকে বারবার সান্ত্বনা দিল এটা বলছিল। যে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোট চলে আসবে আর তারা এসে তোমাকে বাঁচিয়ে নেবে তুমি নিশ্চয়ই বাঁচবে তোমার অনেকগুলো বাচ্চা হবে তুমি তাদেরকে বড় হতে দেখবে তারপর তুমি বুড়ি হয়ে শান্তিতে মরবে এখানে এইভাবে তুমি মরবে না এর কিছুক্ষণ পর এদের কে বাঁচানোর জন্য একটা ফাঁকা লাইভ বোট চলে আসে ওরা সব জায়গায় দেখতে লাগে কোথাও কেউ বেঁচে ছিল কিনা। কিন্তু সব জায়গায় খালি লাশ আর লাশ সেফটি বোর্ড দেখতে পাওয়ার পর রোজ এটাকে জেড জলের মধ্যে থেকে রোজের হাত ধরে ছিল আর এই অবস্থাতেও মারা যায় যে মারা গেছে। দেখার পর ডিসাইড করে কভু আর ফিরবে না কিন্তু কিছুক্ষন পর পর মনে পড়ে যে একটা প্রমিস করেছিল বেঁচে থাকবে সেজন্য ও তখন জ্যাকের হাতটা ছেড়ে দেয় আর যে এক আস্তে আস্তে জলের মধ্যে ডুবে হারিয়ে যেতে লাগে এবার রোজ কে ডাকার চেষ্টা করে কিন্তু ওর অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে ওর গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বেরোচ্ছিল না।

তখনও লক্ষ্য করে ওর পাশে একটা লাশের মুখে একটা বাঁশি রয়েছে আর ওই বাঁশিটা বাজিয়ে ওই বুড়োটাকে আবার দেখি আমি ঐ ভোটটা ফিরে এসে রোজ কে বাঁচিয়ে নেয়। এবার যারা বেঁচে ছিল তাদের সবাইকে একটা অন্য জাহাজে নিয়ে যাওয়া হয় আর্কেল সেই জাহাজের মধ্যে রসকে খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু নিজেকে ওর থেকে লুকিয়ে রাখে এভাররোজ যখন নিজের জ্যাকেটের পকেটে হাত দেয় ও সেটা খুঁজে পায়। কিন্তু যাদেরকে এই গল্পটা শোনার ছিল তাদেরকে এটা জানে না যে হাট অফ দ্য ওশান তার কাছেই আছে। এবার এই গল্পটা শোনার পর ওদের খুব মন খারাপ হয়ে যায় কারণ টাইটানিক সম্পর্কে এত কথা ওরা কেউই জানতো না। আর সেদিন রাতেই জাহাজের এগিয়ে সমুদ্রের মধ্যে হাট অফ দ্য ওশান ফেলে দেয়। যেখানে শেষবারের মতো জ্যাক কের সাথে দেখা হয়েছে। এবার দেখা যায় রোজ চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে আর ও মনে মনে 84 বছর পুরনো সেই টাইটানিকে আবার ফিরে গেছে সেখানেও সবাইকে দেখতে পায় ঘর ভর্তি লোকজন সবাই ওয়েট করছি আর ওই ঘড়ি সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ওদের কাছে গিয়ে জ্যাক কিস করে। এটা দেখে ঘরের সবাই প্রচন্ড খুশি হয় আর সবাই হাততালি দেয় এখানে এই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

এক বড়ো ব্যবসাদার তার জীবনের সফলতার কাহিনীর ভিত্তিতে দ্য ফাউন্ডার মুভি তৈরি করা হয়েছে।

আমাদের শেষ আলোচনা

টাইটানিক সিনেমাটি পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। কিছু ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: