ভয়ংকর হলিউড মুভি 127 Hours সিনেমাটির সূম্পর্ণ তথ্য বাংলায় আলোচনা করেছি | 127 hours movie review in bengali 2022

127 Hours সিনামাটি বাংলায় রিভিউ করবো


Pathe কোম্পানির প্রতিষ্টিত 127 Hours মুভিটি ডাইরেক্ট করেছেন ডেনিনি বয়েল। সিনেমাটিতে মিউসিক দিয়েছেন A. R. রহমান ভারতীয় মিউজিসিয়ান। এই সিনেমাটি ৫ নভেম্বর ২০১০ সালে ইউনাইটেড স্টেট রিলিজ করা হয়। ৭ জানুয়ারী ২০১১ সালে আমেরিকার সিনেমা হলে রিলিজ করে ৯৪ মিনিটের সিনেমাটির বাজেট ছিল ১৮ মিলিয়ন ডলার, বক্স অফিস কালেকশন করে ৬০ মিলিয়ন ডলার।

127 hours , 127 hours full movie , 127 Hours Netflix, 127 Hours trailer , 127 Hours true story , 127 Hours book , 127 Hours guy
Real_Hero

127 Hours সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং


২০১১ সালের এই হলিউড সিনেমাটিতে প্রথমে দেখতে পায় পাহাড়ে এক ব্যাক্তি হাইকিং করতে যায় তার পা একটি পা পাথরে আটকে যায়। কিভাবে সে বেঁচে ফিরে আসে এই সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৭.৬ সূম্পর্ণ গল্প জানতে নিচে স্ক্রল করুণ

127 আওয়ার্স মুভি FULL স্টোরি

সিনেমার শুরুতে দেখা যায় আর আমেরিকার ব্লু জনকে নিয়ে নে হাইকিং এর জন্য এসেছে। হাইকিং মানে হলো অ্যাডভেঞ্চার এর জন্য দুর্গম কঠিন রাস্তা দিয়ে অনেকটা পথ হেঁটে চলে এলাম এখন হাইজিন এর জন্য যেখানটায় এসেছিল সেটা 68 কিলোমিটার জায়গা জুড়ে থাকা একটা বিশাল ফাঁকা পাহাড়ি এলাকা ছিল। এখানে খুব একটা বেশি লোকজন যা আশা করতো না এবার ওখানে অনেকটা রাস্তা যাওয়ার পর ও দুটো মেয়েকে দেখতে পায় ওই মেয়ে দু’টো ফাঁকা জায়গায় হারিয়ে গেছিল এবং ওদেরকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে যায় ওদের মধ্যে একজনের নাম ছিল। কৃষ্টি আরেকজনের নামে গান ওই মেয়ে দুটো কে সঙ্গে নিয়ে ওদের গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করে আর ওখানে যাওয়ার পর এবং ওদেরকে বলে তোমরা যেখানে যেতে চেয়েছিলে।

আমরা সেখানে চলে এসেছি কিন্তু এখান থেকে আমি এমন একটা রাস্তা জানি যেতে গেলে আরো বেশি মজা পাবে আর এরপর আর ওদের দুজনকে নিয়ে পাহাড়ের একটা সরু ফাটলের মধ্যে ঢুকে যায় ওই জায়গাটা এত টেনশন ছিল। যে ওখানে ঠিকঠাকভাবে যাওয়ার জায়গা ছিল না আর ওদের দুজনকে নিয়ে আসতে বেশ কিছুটা যাবার পর এর মাঝখান থেকে নিজেদের মধ্যে লাভ মারে এটা দেখার পর এই মেয়ে দুটো খুবই ভয় পেয়েছে মনে মনে করেছিলাম। হয়তো এখান থেকে নিচে পড়ে মারা গেছে কিন্তু কিছুক্ষণ পর থেকে এর আওয়াজ শুনতে পায় ওই পাথরের নিজেদের মধ্যে একটা ছোট্ট লাশ হয়েছিল। আর এখনো ওখানেই রয়েছে ওই দুজনকে নিয়ে এত ভাবার জন্য এসেছে যে পুরো জায়গাটা খুব ভালোভাবে জেনে গেছে নিচে জলের মধ্যে চলে আসতে বলে আর তারপর ওরা তিনজন মিলে মজা করে নিজের সমস্ত ঘটনাগুলো একটা ভিডিও ক্যামেরা রেকর্ড করছিল ওখানে বেশ কিছুটা সময় কাটানোর পর ওরা তিনজন ওখান থেকে বেরিয়ে আসে।

আর তারপর নিজের হাইকিং কমপ্লিট করার জন্য এগিয়ে যায় আর ওখান থেকে যাওয়ার আগে ক্রিস্টেনের সঙ্গে একটা ছবি তোলে আর তারপর ওদেরকে জিজ্ঞেস করে আমাদের কি আর দেখা হতে পারে। তখন জানায় আগামী কাল রাতে একটা পার্টি দিচ্ছে আর ও এর আশেপাশের আসার জন্য ইনভাইট করে বলে ঠিক আছে আমি ওখানে সময় মতন পৌছে যাব এরপর আবার ওই পাহাড়ি রাস্তা ধরে। এগিয়ে যেতে শুরু করে এখানে দেখা যায় পাহাড়ের মধ্যে অনেকগুলো বড় বড় পাথর আটকে আছে আর ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এরকমই একটা পাথরের উপর দিয়ে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ করে উপর থেকে নিচে আসতে শুরু করে ওই পাথরের সাথে সাথে নিজে চলে আসে। আর এসব কিছু হওয়ার সময় এর একটা নিজে পড়তে থাকা পাথরের মধ্যে আটকে যায় ওই পাথরের মধ্যে নিজের হাত আটকে গেছে দেখার পর প্রথমে কিছুই বুঝতে পারছিল না ওর সাথে এটা কি হলো। কিন্তু এরপর অনেক চেষ্টা করে যে ভাবেই হোক ওখান থেকে ওর হাতটাকে বের করে আনার জন্য নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে পাথরটাকে কিছু করার চেষ্টা করে জোরে জোরে পাথরটাকে ধাক্কা দিয়ে ওখান থেকে সরানোর চেষ্টা করে এমন কি বাজে লাথি মেরে পাঠককে ওখান থেকে সরানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু কোনো কিছুতেই কোন লাভ হয় না কোনমতেই পাথরটাকে একটুও নড়তে পারিনা আর এখনো বুঝতে পারে এখানে পুরোপুরি ভাবে আটকে গেছে। এখন এখান থেকে বাইরে বেরোনোর পক্ষে খুব একটা সহজ হবে না। ওখান থেকে জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে কিন্তু দেখা যায় ওখান থেকে বেশ কয়েকদিনের মধ্যে কোথাও কোনো মানুষ নেই। সেজন্য কেউ শুনতে পাচ্ছিল না আর বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে ও বুঝতে পারে এখানে এখন কেউই ওকে বাঁচাতে আসবে না সেজন্য নিজের ব্যাগ থেকে সমস্ত জিনিসপত্র বের করে ওই পাথরের উপরে সাজিয়ে রাখে এবং নিজের কাছে থাকা একটা কুত্তা আছে উনাকে আস্তে আস্তে ভাঙার চেষ্টা করে।

এভাবে আস্তে আস্তে সকাল থেকে রাত হয়ে যায় আরো সারাদিন ধরে চেষ্টা করার পরেও পাথরটাকে একটুও ভাবতে পারিনি এবারো অনেক চেষ্টা করে। ওপরে অন্য একটা পাথরের গায়ে একটা দড়ি বেঁধে আর তারপরই দড়ি দিয়ে একটা দোলনা মতন বানিয়ে ওটার উপরে সারাটা রাত কাটায় এবার দেখা যায়। এইভাবে আস্তে আস্তে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেছে এখন অব্দি নিজের হাতটাকে ওখান থেকে একটুও সরাতে পারেনি এদিকে ওর কাছে থাকার খাবার একটু একটু করে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এবার আস্তে আস্তে ওই দিন কেটে যায় আর সেদিন রাত্রে বেলায় মনে পড়ে আজতো বৃষ্টি আর মেগানের ওখানে পাঠিয়েছিল। আর তারপরে মনে মনে ওদের ওই পাখিটাকে ইমেজিন করতে শুরু করে আর ভাবতে শুরু করে যেন নিজেও ওই পার্টিতে রয়েছে এরপর ওর মনে পড়ে শনিবারের কথা যেদিন ও নিজের বাড়ি থেকে এই হ্যাকিং এর জন্য বেরিয়েছিল।

বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে আমাকে ফোন করেছিল। কিন্তু ইচ্ছা করে আমার ফোনটা ধরে নি আর এখন ওই ফোনটা না ধরার জন্য ওর খুবই আফসোস হচ্ছিল। অ্যারন যদিও এদিন ওর মার সাথে কথা বলে অনেকে জানার জন্য কোথায় যাচ্ছে তাহলে হয়তো এতক্ষণে ওর মা ওকে এখানে খুঁজতে চলে আসতো এবার দেখা যায় সোমবার সকাল হয়ে গেছে। আরে এখানে আজ 48 ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে এবার যে পাথরে ওর হাতে আটকে রয়েছে সেই পাথরটাকে একটা দড়ি দিয়ে বাঁধে আর তারপর ওই দড়িটাকে মাথার ওপরে থাকা অন্য একটা পাথর

হাতের উপরে থাকা পাথর টা আস্তে আস্তে সরে যায়। আর এইভাবে দড়ি দিয়ে পাথরটাকে সরানোর অনেক চেষ্টা করে। এমনকি ওই দড়িটাকে নিজের পায়ের সাথে পা দিয়ে নিজের শরীরের সমস্ত ওজন ওই দড়ির ওপর দিয়ে দেয়। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে অনেক চেষ্টা করার পরেও কোন কাজ হয়না ওই পাথর টা নিজের জায়গা থেকে একটু নড়ে না কারণ ওই পাথরের ওজন ৩০০ কেজির বেশি ছিল। যে তাকে সরানো এর পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব না কিন্তু এখন যে ভাবেই হোক এখান থেকে বাইরে বের হতে যাচ্ছিল সে জন্য ঠিক করে নিজের হাতটা কে কেটে বাদ দিয়ে দেবে এবং নিজের কাছে থাকা চাকর সাহায্যে নিজের হাত কাটতে শুরু করে।

কিন্তু ওর চাকুতে একদমই তার ছিল না। সেজন্য ওর এই প্ল্যানটা ক্যান্সেল হয়ে যায় এবারও নিজের ভিডিও ক্যামেরা অন করে সেখানে বলতে শুরু করে। তোমরা কেউ যেন কখনো কমদামি চাইনিজ প্রোডাক্ট কিনবো না কারণ এটা একটা নিম্নমানের চাইনিজ প্রোডাক্ট ছিল সেজন্য চার্জে এর ওখানে কোন কাজ ভালোভাবে করতে পারছিল না। এবার আস্তে আস্তে নিজের মিলির সাথে কাটানো সময় গুলোর কথা মনে করতে শুরু করে দেখা যায়। ঠিকঠাকভাবে খাওয়া দাওয়া না করতে পারার জন্য শারীরিক ভাবে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। এবার সেদিন রাতে ওখানে হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় এবং সেখানে আটকে ছিল আস্তে আস্তে সেখানে জল পড়তে শুরু করে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই জায়গাটা পুরো জলে ভরে যায়। আর এখন দেখা যায় ও ওখানে জলের তলায় আটকে রয়েছে যেহেতু জলের মধ্যে সমস্ত জিনিসের ওজন কমে যায়। সেজন্য ওখানে জলের তলায় পাথরটাকে জোরে জোরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবার ওখান থেকে বেরিয়ে সোজা নিজের গাড়িতে উঠে আর তারপর ওখান থেকে নিজের বাড়িতে চলে আসে কিন্তু দেখা যায়। এই সবটাই ছিল স্বপ্ন এখনো ওই পাড়ার মধ্যে আটকে রয়েছে এবার দেখা যায় মঙ্গলবার হয়ে গেছে। আর ওর কাছে থাকা সমস্ত খাবার জল সবকিছু শেষ হয়ে গেছে আর এখন ওর অবস্থা আগের থেকে আরও খারাপ হয়ে গেছে। এবার ও নিজের চাকু তাকে নিয়ে হঠাৎ করে সেটাকে লম্বালম্বিভাবে নিজের হাতে পৌঁছে দেয় হারিয়ে গিয়ে বাঁধের অবস্থা এখন কেমন হয়ে গেছিলো।

হাতের মধ্যে চাকরি করার পরেও ওর কোন ব্যাথা লাগছিল না। এমনকি ওই জায়গা থেকে খুব একটা রক্ত বেরোচ্ছিল না এবার আস্তে আস্তে সারাটা দিন কেটে গিয়ে রাত হয়ে যায় আর এখন ওর কাছে আর একটুও জল বেঁচে নেই সেজন্য ওকে বাদ দে হয়ে নিজের প্রসাদ খেতে হয়। এবার বেশ কিছুক্ষণ তোর অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছিল ও ঠিক করে নড়াচড়া করতে পারছিল না আর ওখানে পড়ে থাকা অবস্থায় ও সারা জীবনের সমস্ত স্মৃতির কথা মনে পড়ছিল। এখন নিজের মনে মনে বলতে শুরু করে আমি নিজের নেওয়া ডিসিশন এর জন্যই আজ এখানে আটকে রয়েছে। আর এই পাথরটা হয়তো আমার জন্মের আগে থেকেই এখানে আমার জন্য ওয়েট করছিল আর আমি নিজের সারা জীবন ধরে একটু একটু করে এই পাঠকদের কাছে এগিয়ে আসছিলেন। আর এখন এখানেই আমার সবকিছু শেষ হয়ে যেতে চলেছে। সেজন্য ওখানে একটা পাথরের গায়ে লিখে নিজের নাম আর ডেট অফ বার্থ লিখে দেয় ওরকম ভাবে ধরে নিয়েছিল। সেখানে মারা যাবে তখন হঠাৎ করে নিজের চোখের সামনে নিজের ছেলেকে দেখতে পায় নিজের ছেলের সাথে খেলা করছে এর এখনো বিয়ে হয়নি। এখানেও এরকম ভাবে নিজের ভবিষ্যৎকে কল্পনা করছিলো এসব কিছু দেখার পর নিজের ছেলের কাছে জানার চেষ্টা করছিলো কিন্তু ওর হাতে আটকে থাকার জন্য যেতে পারছিল না।

সেজন্য ওই পাথরের মধ্যে আটকে থাকা হাতে জোরে জোরে চাপ দিয়ে নিজের হাতের হাড্ডি ভেঙ্গে ফেলে আর তারপর নিজের কাছে থাকা ছাপোষা আছে নিজের হাতের চামড়া আর মাংস টাকে কেটে হাতের থেকে নিজের শরীরকে আলাদা করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই কাজটা খুবই কষ্টের ছিল আর নিজের হাতের শিরা গুলো কাটার সময় অর্থ অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করার পর বহু কষ্টে শেষমেষ নিজের হাতের থেকে নিজের শরীরকে আলাদা করতে পারে এরপর প্রথম কিছুক্ষণ তো কিছু বুঝে উঠতে পারছিল না। যে ওর সাথে এটা কি হলো তারপরও নিজের হাতের বাকি অংশটা কে ভালো করে যাতে ওখান থেকে বেশি রক্ত না বের হয়ে আর তারপর ওখান থেকে বেরিয়ে আসার আগে নিজে কেটে যাওয়া বাদ দেওয়া হাতের একটা ছবি তুলে নেয়। আর এখন দীর্ঘ 127 ঘন্টা ধরে ওখানে আটকে থাকার পর অবশেষে এবং ওখান থেকে মুক্তি পায় কিন্তু ওরা এখনো শেষ হয়নি। এখনো অনেকটা পথ হেঁটে যেতে হবে এবার বেশ কিছুটা যাওয়ার পরও দেখতে পায় একটা জায়গায় জল জমে রয়েছে। আর ওই জন্য তোমার জলের থেকেও বেশি নোংরা ছিল।

কিন্তু এই জলটাকে খেতে শুরু করে আর ওখান থেকে অনেকটা জল খাওয়ার পর ও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করে এবার আঁকা পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে অনেকটা পথ যাওয়ার পর ও একটা ফ্যামিলি কে দেখতে পায়। আর ওদের কাছে সাহায্য চাই আর তারপর একটা মেডিকেল হেলিকপ্টারে এসে ওখান থেকে তুলে নিয়ে যায়। তখন নিজের হাতের বলিদান দেওয়ার পর আবার নিজের জীবন ফিরে পায় আর বেশ কয়েকদিনের মধ্যেই আবার আগের মতন সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে শুরু করে।

আর এই ঘটনার তিন বছর পর বিয়ে হয় জেসিকা নামের একটা মেয়ের সঙ্গে আর তারপর ২০১০ সালে ওর ছেলে নিয়ে জন্মায় আর ভবিষ্যৎ বাণী এটা এখন সত্যি হয়ে যায়। আর নিজের জীবনে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও এখনো অ্যাডভেঞ্চার এডিটিং করে ড্রাইভিং করে সাঁতার কাটে তার নিজের স্বপ্ন গুলোকে খুব ভালো ভাবে পূরণ করে। কিন্তু এখন কোথায় যাওয়া লাগে সেটাও নিজের বাড়ির লোকজনকে জানিয়ে দেয় আর এখানেই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

আজকে আমাদের সমাচার

আটিক্যালটি ভালো লাগলে কমেন্ট ও প্রিয়জনের কাছে শেয়ার করবেন। আবার দেখা হবে নুতন আটিক্যাললে – ধন্যবাদ

Leave a Reply

%d bloggers like this: