২০০৪ সালের ভয়াভহ সুনামির থেকে মানুষ কে লড়াই করে বেঁচে থাকার গল্প দ্য ইমপসিবল মুভি আইএমডিবি রেটিং সূম্পর্ণ তথ্য আলোচনা করবো

দ্য ইমপসিবেল সিনেমাটির খবর

আজ আমরা কথা বলবো ২০১২ সালের কাল্পনিক দুর্যকের উপর নির্মিত সিনেমা টি নিয়ে। সিনেমার গল্পটি লিখেছেন Sergio G. Sanchez , Maria Belon। স্প্যানিশ চিত্র পরিচালক J.A. Bayona ডাইরেক্ট মুভি পরিচালিত হয়েছে। সিনেমাটিতে অভিনেতা হিসাবে কাজ করেছেন আমরা শুধু প্রধান চরিত গুলিকে আলোচনা করবো – হিরোয়নের রোলটি করেছেন নাওমি ওয়াটস, নায়কের চরিত্রতে অভিনয় করেছেন ইয়ান এমসিগ্রেগর, টুইটি মুখ্যে অভিনেতা স্যামুয়েল জোসলিন টম হল্যান্ড

দ্য ইমপসিবেল আই এম ডি বি রেটিং

৪৫ মিলিয়ন ডলারে তৈরি ২০১২ সালের পপুলার মুভি The Impossible। সিনেমাটির টোটাল বাক্স অফিস কালেকশন ১৯৮ মিলিয়ন ডলার। সিনেমাটিকে দর্শকরা আইএমডিবি ৭.৫/১০ রেটিং দেয়।

The Impossible true স্টোরি

ইন্ডিয়ান ওশানে ২০০৪ সালে আর্থকুইকের ফলে থাইল্যান্ডের খাও লেক যে সুনামির সৃষ্টি হয়। সেই দুর্ঘটনার বেঁচে থাকার জন্য মারিয়া বেলন তার স্বামী ও তিন ছেলে নিয়ে সুনামির লড়াই কে কেন্দ্র করে এই সত্যি কাহিনীর নির্ধারণে দ্য ইমপসিবেল সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।

দ্য ইমপসিবেল সংক্ষেপে স্টোরি

সিনেমার শুরুতে দেখা যায় মারিয়ার ও তার হাসব্যান্ড একটা দম্পতি ক্রিসমাসের ছুটি কাটানোর জন্য তাদের তিন ছেলেকে নিয়ে থাইল্যান্ডের বেড়াতে যাচ্ছে। একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতো আর মারিয়া পেশায় একজন ডাক্তার ছিল কিন্তু এখন অনেকদিন হয়েছে ও নিজের প্র্যাকটিস করা বন্ধ করে দিয়েছে হ্যারিয়ার মারিয়া থাইল্যান্ডের সবচেয়ে নামকরা দামি হোটেলে থাকতে শুরু করে। যেখানে ওদের রুম থেকে পুরো সমুদ্র টা বেশ ভালোভাবে দেখা যেত পাঁচজন থাইল্যান্ড যাওয়ার একদিন পরে ক্রিসমাস চলে আসে আর সেদিন রাতে ওই হোটেলের সমস্ত সেলিব্রেট করতে শুরু করে। যে কারণে তখন এখানকার পরিবেশটা খুবই ভালো লাগছিল আর সবাই পরিবেশ টাকে খুব ভালোভাবে এনজয় করতে শুরু করে এবার পরের দিন অর্থাৎ 25 তারিখ সকাল বেলায় মারিয়া তাদের তিন ছেলেকে ক্রিসমাসের গিফট দেয়। আর তারপর সারাটা দিন ধরে ওরা পাঁচজন নিজেদের মধ্যে খুব সুন্দর একটা সময় কাটায়।

এবার ওই দিনটা কেটে যাওয়ার পর চলে আসে 2004 সালের 26 শে ডিসেম্বর সেই অভিশপ্ত দিন তার পরের দিন সকালে এরা পাঁচজন মিলে ওই হোটেলের সুইমিং পুলে যায। ওখানে যাওয়ার পর দেখা যায় ওই হোটেলের বাকি সমস্ত লোকজন তাদের ছুটি টাকে খুব ভালোভাবে এনজয় করছে আর তারা প্রত্যেকেই নিজেদের পরিবারের সাথে খুব সুন্দর সময় কাটাচ্ছিল। এবার সুইমিংপুলে যাওয়ার পর মারিয়া খেয়াল করে হিন্দি খুব টেনশন এর মধ্যে রয়েছে আমাকে জানায় একটু আগেই আমি কোম্পানি থেকে একটা মেসেজ পেলাম। যেটা দেখে মনে হচ্ছে হয়তো আমার চাকরিটা থাকবে না তখন মারিয়া বলে ঠিক আছে। তোমাকে এটা নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না দরকার পড়লে আমি আমার ডাক্তারি প্র্যাকটিস আবার শুরু করব। তখন হেনরি বলে ঠিক আছে আমরা এই ব্যাপারটাকে নিয়ে পরে আলোচনা করবো এর পরে সুইমিংপুলের মধ্যে নেমে নিজের ছেলেদের সঙ্গে খেলা করতে শুরু করে। এখন অব্দি সবকিছু বেশ ভালই কাটছিল আর ওখানে সাথে প্রত্যেকটা মানুষ বেশ আনন্দের মধ্যে ছিল।

কিন্তু দেখা যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই ওখানে ভূমিকম্প চলে এসেছে আর ওখানকার পুরো হঠাৎ করে একদম শান্ত হয়ে গেছে আকাশের দিকে তাকালে দেখা যায়। ওখানকার সমস্ত পাখি যেন উরে ওখান থেকে দূরে কোথাও পালিয়ে যাচ্ছে এবার এটা খেয়াল করে সমুদ্রের দিকে যে গোটা নারকেল গাছ ছিল সেগুলো সবকটাই আস্তে আস্তে ভেঙ্গে পড়তে শুরু করেছে। সবকিছু দেখে এদের কিছু বুঝে ওঠার আগেই সমুদ্র থেকে একটা বিশাল বড় ঢেউ এসে এদের সবকিছু পাশে নিয়ে চলে যায় ওখানে থাকা সমস্ত মানুষ আর ওই হোটেলের সমস্ত জিনিসপত্র সবকিছু ইউটিউব এর সাথে ভেসে চলে যায়। কিছুক্ষণ আগেও যেটা থাইল্যান্ডের সবচেয়ে নামকরা দামি হোটেল ছিল এখন লঞ্চের মধ্যে সেটা একটা ভয়ঙ্কর নদীতে রূপান্তরিত হয়েছে এবার দেখা যায় ওখান থেকে অনেকটা দূর ভেসে যাওয়ার পর মারিয়া কোনরকমে একটা গাছ ধরে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

বুঝে উঠতে পারছিল না এক্ষুনি ওদের সাথে এটা কি হলো তখন হঠাৎ করে ও খেয়াল করে ওর বড় ছেলের লুকাস জলের স্রোতে ভাসতে ভাসতে ওখান থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে আর এটা দেখার পর নিজের ছেলেকে বাঁচানোর জন্য স্রোতের মধ্যে ঝাঁপ দেয় কিন্তু এই স্রোতের মধ্যে নিজের ছেলেকে বাঁচানো তো অনেক দূরের কথা ওর কাছে যাওয়াটা প্রচন্ড মুশকিল হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করার পর যখন জলের স্রোত একটু ঘুমিয়ে গেছিল তখন মারিয়া লুকাসের অনেকটাই কাছে চলে গেছিল। কিন্তু তখন দেখা যায় সমুদ্র থেকে আরও বড় আর ভয়ঙ্কর একটা ঢেউ ওদের দিকে এগিয়ে আসছে আর ওদের কাছে আসার পর আবার ওদেরকে জলের স্রোতে আরো অনেকটা দূরে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

তারপর পর এত বড় বড় দুটো ডিমের মধ্যে আটকে যাওয়ার জন্য ওদের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায়। এবার বেশ কিছুক্ষণ পরে রোদ কমে যায় আর এখনকার মারিয়া এক জায়গায় হয়ে যায় আর সবকিছু একটু শান্ত হওয়ার পর আর মারিয়া আস্তে আস্তে একটা নিরাপদ জায়গার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আর তখন দেখা যায় সাজানো-গোছানো শহর টা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে এবার কিছুক্ষণ পর খেয়াল করে মারিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ওর সারা শরীরে অনেক জায়গাতেই খুব গভীরভাবে কেটে গেছে। আর সেখান থেকে এখন অনেকটা করে রব বেরোচ্ছে কিন্তু মারিয়া সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছিল।

ওর পায়ে ওখানে এতটাই বেশি কেটে গেছিল। এখন ঠিক করে হাঁটতে পারছিল না এবার কিছুদূর যাওয়ার পর একটা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে এরা দুজন একটা বাচ্চার আওয়াজ শুনতে পাই আর ওই বাচ্চাটাকে ওখান থেকে বের করে ওরা নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যায় । এবার বেশ কিছুদূর যাওয়ার পর এটা একটা বড় গাছ দেখতে পায় আর এখন ওরা ঠিক করে এদের কাছে কোন রকম সাহায্য না আসা অব্দি না এই গাছটা উঠে থাকবে কারণ আবার যদি সুনামি চলে আসে। তাহলে আমি গাছের উপরে অনেক নিরাপদ থাকা যাবে কিন্তু মারিয়ার পায়ের ক্ষত এতটাই গভীর ছিল। যেন ঠিক করে নিজের পা উচু করতে পারছিল না আর সেজন্য ওর পক্ষে ওই উঁচু গাছটাতে ওঠা খুবই মুশকিল হয়ে গেছিল।

কিন্তু নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করে মারিয়া কোনরকমে ওই গাছটার ওপরে উঠে যায় আর গাছের উপরে ওঠার পর ওর অবস্থা একদম খারাপ হয়ে যায় কিছুক্ষণ আগে অব্দি ও মারিয়া লুকাস এই হোটেলটা নিজেদের পরিবারের সাথে ছুটি কাটাচ্ছি না কিন্তু এখন এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষন ধরে ওই গাছের উপরে থাকার পর পাশের গ্রাম থেকে কয়েকজন লোক এখানে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। কিন্তু অতিরিক্ত রক্ত বেরিয়ে যাওয়ার জন্য মারিয়ার শরীর একদম ই কোন জোর ছিল না। আর সেই মুহূর্তে হাঁটার ক্ষমতাও ছিল না সেজন্য ওই লোক গুলোর মধ্যে থেকে একজন কোন রকমের টানতে টানতে মারিয়াকে নিজেদের গ্রামে নিয়ে যায়। আর তারপর ওখান থেকে একটা গাড়ি করে মাঝরাতে হসপিটালে নিয়ে যায়। আর হসপিটালে যাওয়ার পথে দেখা যায় বহু মানুষ রাস্তার ধারে অসহায় অবস্থায় পড়ে আছে।

আর তারা প্রত্যেকেই লুকাসের মারিয়ার মতন এস নামের শিকার হয়েছে এবার হসপিটালে যাওয়ার পর দেখা যায় পুরো হসপিটাল আগে থেকেই অনেক রোগী তে ভর্তি হয়ে গেছে। আর ওখানে এখন নতুন রোগী ভর্তি করার কোন জায়গায় নেই কিন্তু ওই গ্রামের লোক কোনরকমে অনেক চেষ্টার পর মাকে হসপিটালে ভর্তি করে দেয়। আর এখন এই মুহূর্তে হসপিটাল এর মধ্যে লুকিয়ে ছিল মারিয়ার একমাত্র গার্জিয়ান যদিও নিজেও অনেক ছোট ছিল। আর হসপিটাল এর মধ্যে একসঙ্গে এত প্যাশন দেখে ও খুব রেগে ছিল। কিন্তু তবুও মারিয়াকে দেখাশোনা করার দায়িত্ব এখনো কি নিতে হবে। এবার কিছুক্ষন পর ডাক্তার এসে মায়ের চেকআপ করে যায় সেজন্য ওর রক্ত বেরোনো বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু এখনো মারিয়ার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এই অবস্থাতেও হসপিটালের বেডে শুয়ে মারিয়া লোকে বলে এখানে প্রত্যেকটা মানুষ খুবই অসহায় অবস্থায় রয়েছে আর তাদের সবারই সাহায্যের প্রয়োজন আর তুমি যেভাবে হোক নিজের মতন করে ওই লোকগুলো সাহায্য করার চেষ্টা করো ওখানে ওর মাকে রেখে বাইরে অন্য লোকদের সাহায্য করতে যায় তার কোন খান থেকে বাইরে বেরোনোর পর্ব দেখতে পায়।

বহু মানুষ বই হসপিটাল এর মধ্যে পাগলের মতন করে নিজের পরিবারের লোকজনকে করছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ওদের মধ্যে থেকে অনেক মানুষকে সাহায্য করে। আর এগুলো করার পর যখন আবার আমার কাছে ফিরে এসেছিল তখন দেখতে পায় ওদের উপরে মারিয়া নেই ওখানে অন্য একটা পেশেন্ট খেলাটা হচ্ছে। যে চলে যায় আর বুঝে উঠতে পারছিল না ওখানে কি হয়েছে তখন ওই হসপিটালে ডাক্তার নার্স কে দেখতে পাশের একটা ক্যাম্পে নিয়ে যায় আর ওই ক্যাম্পের মধ্যে লুকাসের মতন বাকি সমস্ত বাচ্চাদেরকে রাখা হয়েছিল। আর ওখানে যাওয়ার পর নিজের সামনে একটা ফাইল দেখতে পাই যে ফাইলের মধ্যে এ দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া মানুষদের ছবি দেওয়া ছিল। আর একটা দুটো পাতা উল্টানো প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় আর মনে করে ওর মা হয়তো এই লোকগুলোর মতনই মারা গেছে আর এখন হয়তো নিজের বলতে কেউ বেঁচে নেই। কিন্তু অন্যদিকে দেখা যায় হেনরি অর্থাৎ লুকাসের বাবা তার উরুদুটো ছেলেকে নিয়ে এখনও বেঁচে রয়েছে। এরা পাঁচজন যে হোটেলটা থাকত এখন সেই হোটেলের আশেপাশে লোকাচার মারিয়াকে পাগলের মত খুঁজে বেড়াচ্ছে।

কিন্তু সারাদিন ধরে অনেক চেষ্টা করার পরও যদি ওদের কাউকে খুঁজে পায় না। সেজন্য রাত্রিবেলা বাধ্য হয়ে আবার নিজেদের হোটেলে ফিরে আসে। আর এখন দেখা যায় ওই হোটেলের চাঁদের মতো আরো অনেক মানুষ করেছে। আর তাদের সবাইকে আস্তে আস্তে এখান থেকে সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তখন হ্যাঁ ঠিক করে। বাকি সমস্ত লোকদের সাথে ও নিজের দুই ছেলেকে সুরক্ষিত জায়গায় পাঠিয়ে দেবে। আর তারপর সারারাত ধরে আশেপাশের সমস্ত জায়গায় ও মারিয়া আলোকে খুজবে এভাবে সারারাত ধরে ওদের খোঁজ করতে করতে পারিনি। যেও একটা সেফ ক্যাম্পে পৌঁছে যায় আর ওই ক্যাম্পে পৌঁছালি দেখতে পায়। ওখানে সবার অবস্থায় ওর মতন মানে ওখানে থাকা প্রত্যেকদিন সকালে ঘটনার জন্য নিজেদের পরিবারের কাউকে না কাউকে হারিয়েছ। ওখানে যাওয়ার পর একজনের কাছ থেকে ফোন নিয়ে ওর বাবাকে ফোন করে আর তারপর নিজের বর্তমান অবস্থার কথা জানায় এবার হ্যাক করে পরের দিন সকালে এই শহরের সমস্ত হসপিটালে দেখবে। এবার কোন দিকে দেখা যায় যে গাইছিল সে ক্যাম্পের একটা নার্স ওর কাছ থেকে সমস্ত ইনফরমেশন নিতে শুরু করে আর তারপর ওকে বেশ কয়েকটা জিনিস দেখে জিজ্ঞেস করে তুমি কি এগুলো চিনতে পারছো।

এগুলোকে দেখার পর প্রচন্ড আর কোন মুহূর্তে তো কোন কিছুই চিনতে পারছিল না। লুকাস মনে করেছিল হয়তো এগুলোর মায়ের জিনিস আর এখন ওর মা হয়তো মারা গেছ। কিন্তু ভালো করে দেখার পর লুকাস ভবনের কিছুই চিনতে পারছিল না। তখন ওই নাচটা ওখান থেকে লোক আসছে ওর মার কাছে নিয়ে আসে আর এখন নিজের মাকে দেখতে পেয়ে লুকাস মন থেকে খুব শান্তি পায় তখন ওই নাচটা লোকে বলে তোমার মায়ের পায়ে একটা ছোট অপারেশন করা হয়েছে।

আর ওই অপারেশন করার সময় তোমার মায়ের ডকুমেন্টস অন্য একজনের সঙ্গে বদলে যায় তার জন্য আমরা মনে করেছিলাম তোমার মা হয়তো মারা গেছে এবার দেখা যায় পরের দিন সকাল হয়ে গেছে। আর সেদিন সকাল থেকেই শহরের সমস্ত হসপিটালে ঘুরে ঘুরে নিজের পরিবারকে খুনের একই সাথে সেই জায়গাগুলো ঘুরে দেখছিল যেখানে সমস্ত দেশগুলোকে রাখা হয়েছিল। এবার অন্য দিকে দেখা যায় বাকি দুটো ছেলেকে অন্য সমস্ত বাচ্চাদের সঙ্গে গাড়িতে করে একটা সেফটি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আর ওদের এখানে লোক রাস্তার মারিয়া ছিল আর পুরা দুজন টয়লেট করার জন্য ওই বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে ছিল। আর ঠিক সেই সময়ে হেলদি এদেরকে খুঁজতে খুঁজতে হসপিটালের সামনে চলে আসে আর হসপিটালের সামনে আসার পর কোনরকম ভাবে এরা প্রত্যেকে একে অন্যকে খুঁজে বের করে আর এখন অনেক চেষ্টার খোঁজাখুঁজি করার পর পুরো পরিবার আবার এক জায়গায় হতে পেরেছে। এবার মারিয়ার কাছে আসার পরে দেখতে পায় ওর শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ শরীর থেকে অনেকটা বেশি রক্ত বেরিয়ে গেছে। যে কারণে এখনো পায়ের অপারেশন করা যাচ্ছে না আর মারিয়ো যখন ওখানে আর নিজের বাকি দুটো ছেলেকে দেখতে পায় তখন প্রচন্ড শান্তি পায় আর খুবই নিশ্চিন্ত হতে পারে।

এবার সেদিন রাতে মারিয়ার অপারেশন শুরু হয় আর অপারেশন থিয়েটারের বাইরে ওর পুরো পরিবারের জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু মারিয়ার অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল অপারেশনের পর কি হবে তার কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। এবার ভেতরে অপারেশন শুরু করার আগে মারিয়া তে যখন অজ্ঞান করা হচ্ছিল। তখন দুদিন আগে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা সমস্ত কথা ওর মনে পড়তে শুরু করে আর তখন দেখা যায়। ওই জলের বড় ডিমটা আসার পর মারিয়ার সাথে কি কি হয়েছিল আর কিভাবে ও এতটা আঘাত পেল এবার দেখা যায় পরের দিন সকাল হয়ে গেছে।

আর মাইয়ার অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে এখনো আগের থেকে অনেকটাই ভাল রয়েছে আর এরপর হ্যারিয়ার মারিয়া ওদের পুরো পরিবারের সাথে একটা প্রাইভেট প্লেনে করে আবার নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছে। আর এরপর প্লেন থেকে শহরটাকে দেখা যায় সাজানো গোছানো সুন্দর শহর টা এখন পুরো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে আর সবশেষে হিন্দি মারিয়া আর তাদের পুরো পরিবারের একটা আসল ছবি দেখানো হয় আর এখানেই এই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

কিভাবে নাবালক ছেলে পাইলট, ডাক্তার সেজে মানুষ গুলো কে বোকা বানাতো – এই দৃশ্যটি ফুটে তুলেছেন ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান সিনেমাটি দিয়ে

Leave a Reply

%d bloggers like this: