বিশ্বসের সর্ব প্রথম মায়া ভাষায় রচিত সিনেমা অ্যাপোক্যালিপ্টো | Apocalypto movie in Bengali 2022

এই ছবির মাধ্যমে মায়া উপজাতি মানুষদের ঘরবাড়ি, পোশাক -পরিচ্ছদ তাদের নিয়ম কানুন শিক্ষা সংস্কার কে সিনেমার মধ্যে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২০০৬ সালে মায়া ভাষায় রিলিজ হওয়া প্রথম সিনেমাটির নাম হলো অ্যাপোক্যালিপ্টো। এই অ্যাকশন, ড্রামা, এডভেঞ্চার সিনেমাটি মেল্ জিবসন ডাইরেক্ট করেছেন। দুই ব্যাক্তি মিলে চলচ্চিত্রটির কাহিনী লিখেন ফরহাদ সাফিনিয়া, ডিরেক্টর। সিনেমাটিতে কিছু মুখ্য চরিত গুলি যেমন:রুডি ইয়ংব্লাড ইত্যাদি

অ্যাপোক্যালিপ্টো, Apocalypto , Apocalypto movie review in bengali, apocalypto imdb, apocalypto cast

অ্যাপোক্যালিপ্টো মুভি বাক্স অফিস কালেকশন ও আইএমডিবি রেটিং

২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির বাজেট ৪০ মিলিয়ন ডলার সিনেমা ঘরে টোটাল বাক্স অফিস কলেকশন ১২০ মিলিয়ন ডলার। ভাষাটি বুজতে না পারলেও দর্শকরা বইটি খুব পছন্দ করে ৭.৮ আইএমডিবি রেটিং পেয়ে সিনেমাটি সুপারহিট ঘোষতিতো হয়।

সংক্ষেপে অ্যাপোক্যালিপ্টো গল্প শেয়ার করলাম

সিনেমার শুরুতে দেখা যায় বেশ কয়েকজনের একটা আদিবাসী দল জঙ্গলের মধ্যে পশু শিকার করছে আর অনেকক্ষণ ধরে তারা করার পর ওই প্রশ্নটা জঙ্গলের মধ্যে এদের পেতে রাখা একটা পাদের মধ্যে আটকে যায়। যে জন্য বেশ কয়েকটা ধারালো গাছের ডালে সে ওই পোস্টটায় পচে যায় আর এই দলের সর্দার লিডার ছিল উনার নাম হল ফিলিংস ভাই আর বোনের ছেলের নাম হলো জাগুয়ার যে হলো এই সিনেমার প্রধান চরিত্র। এবার ওরা সবাই যখন কোন পশুর মাংস নিয়ে দের মধ্যে ভাগাভাগি করছিল তখন খেয়াল করে। ওদের পাশে জঙ্গলের মধ্যে বেশ কয়েকজন লোক লুকিয়ে রয়েছে। এবার এই দলের সর্দার ওদেরকে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলে আর তারপর ওকে প্রশ্ন করে তোমরা কি চাও তখন কোন উত্তর দেয় আমরা শুধুই জঙ্গলের রাস্তা পার করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

আমাদের গ্রাম টা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে আর এখন আমরা আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছি। তখন এদের সরদার বলে ঠিক আছে তোমরা এখান দিয়ে যেতে পারো । বার ওই লোক গুলো যখন দিয়ে যাচ্ছিল তখন দেখা যাবে ওরা প্রত্যেকেই প্রচন্ড ভয় এর মধ্যে এমনকি এদের মধ্যে অনেকের গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল। এবার এই লোকগুলো এরকম অবস্থায় দেখার পর জাগুয়ার একটু ভয় পেয়ে যায় আর ওর খুব জানতে ইচ্ছা করে। এই লোকগুলোর সাথে কি হয়েছিল কিন্তু তখন ওর বাবা-মা নেই দলের সর্দার ওদের সবাইকে নিয়ে নিজেদের গ্রামে চলে আসে। এদের গ্রাম টা একটু ছোট ছিল এখানে বেশি লোকজন থাকতো না। কিন্তু এখানকার প্রত্যেকটা মানুষ খুবই হাসি খুশি ছিল। এবার গ্রামে ফেরার পর জাগুয়ার নিজের বাড়িতে যায়। ওর বাড়িতে ওর ছেলে আর ওর বউ ছিল আর করবো এখন প্রেগন্যান্ট ছিল। আর অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ওদের আরেকটা বাচ্চা হতে চলেছে আর জাগুয়ার ছেলেকে খুব ভালবাসত। এবার দেখা যায় ওই দিন রাত্রে বেলায় গ্রামের প্রত্যেকটা মানুষ নাচ-গান করছে।

আর নিজেদের মধ্যে খুব ভালো সময় কাটাচ্ছে কিন্তু এসব কিছুর মধ্যে জাগুয়ার তখন আজ সকালের জঙ্গলের মধ্যে দেখা হওয়ার ঐ লোকগুলোর কথা চিন্তা করছিল। এবার দেখা যায় রাতের বেলা জাগুয়ার সকালের ওই লোকটাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে। স্বপ্নের মধ্যে ও দেখতে পায় ওই লোকটা পেটকাটা অবস্থায় দাঁড়িয়ে। আর ওর হাতে একটা মাংসের টুকরো রয়েছে আর পাশে থেকে জোরে জোরে চিৎকার করছে। আর তারপরেই লোকটা থেকে ওখান থেকে পালিয়ে যেতে বলে। আর এই স্বপ্নটা দেখার পর ওর ঘুম ভেঙে যায় আর ঘুম থেকে ওঠার পর খেয়াল করে। ওখানে সত্যি সত্যি কুকুরডাক ছিল তখন সবে ভোর হয়েছে। আর ওই গ্রামের বাকি সমস্ত মানুষ তখন ঘুমাচ্ছিল। এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ কুকুরটা ডাকা বন্ধ করে দেয় আর জাগুয়ার যখন এই ব্যাপারটা দেখার জন্য বাড়ির বাইরে বেরোয়। তখন হতে পারে বেশ কয়েকটা অচেনা লোকজন লুকিয়ে লুকিয়ে ওদের গ্রামে হামলা করেছে। আর ওদের সমস্ত বাড়িঘরে আগুন লাগাতে শুরু করে দিয়েছে। এটা দেখার পর জাগুয়ার ওখান থেকে নিজের ছেলে আর বউকে নিয়ে পালিয়ে আসে।

ওদের বাড়ি থেকে একটু দূরে একটা বড় গর্ত ছিল আরও নিজের ছেলের বউকে দড়ি দিয়ে বেঁধে আস্তে আস্তে গর্তের মধ্যে নামাতে শুরু করে। আর যেহেতু এখানে বউ প্রেগন্যান্ট ছিল তাই ও খুব সাবধানের সঙ্গে আস্তে আস্তে চাটতে চাটতে নিজের বউকে নিচে নামার ছিল। কিন্তু তখন হঠাৎ ওদের মধ্যে থেকে একটা লোক জাগুয়ার কে দেখতে পায় একে মারতে আসে সেজন্য ওকে বাদ দে মাদ্রাসা থেকে ছেড়ে দিতে হয়। এবার ওই লোকটা যখন জাগুয়ার এর উপরে হামলা করেছিল। তখনও দেখতে পায় নিজের ছেলের বউকে গর্তের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিল। আর এই কথাটা অন্য কাউকে বলার আগেই জাগুয়ার লোকটাকে মেরে দেয়। এবার জাগুয়ার ওখান থেকে নিজের গ্রামের লোকজনকে সাহায্য করার জন্য ফিরে যায়। কিন্তু ওর বউকে যেতে বারণ করেছিল তখন জাগুয়ার কাকে বলে। আমি তোমাকে প্রমিস করছি আমি খুব তাড়াতাড়ি তোমার কাছে ফিরে আসব।

ওখান থেকে যাওয়ার আগে একটা দড়ি গর্তের মধ্যে ফেলে। তার আর একটা মাথা একটা গাছের গুড়ি সঙ্গে বেঁধে দেয় যাতে কোনো কারণে যদি ফিরতে দেরী হয়। তাহলে ওর বউ যাতে ওই দড়ির সাহায্যে আবার উপরে উঠে আসতে পারে আর এই দিকে দেখা যায় বাইরে থেকে আসা ওই দলটা এ গ্রামের বেশিরভাগ মানুষকে বন্দি বানিয়ে নিয়েছে। অনেক মানুষকে মেরে ফেলেছে এবার ওখানে ফেরার পর হতে পারে একটা লোক ওর বাবাকে মারার চেষ্টা করছে। আর তখনি ছুটে এসে নিজের বাবাকে বাঁচিয়ে ওই লোকটাকে মারতে শুরু করে। কিন্তু তখন বাইরে দলের বাকি লোকজন দেকসে জাগুয়ার কে ধরে ফেলে আর এখন জানুয়ারির প্রোগ্রাম বাইরের লোক গুলোর কাছে হেরেছিল।

জাগুয়ার বাবার দিকে তাকিয়ে বলে আমাকে ক্ষমা করে দিও বাবা আর একটু আগে জাগুয়ার যে লোকটাকে মার ছিল। সেই কথাটা শুনতে পায় এরপর ও জাগুয়ারের সামনেই ওর বাবার গলা কেটে ওকে মেরে দেয় আর তারপর বড় একটা কাঠের টুকরো দিয়ে জাগুয়ার কে মারে। আর ওখানে অজ্ঞান হয়ে যায় এবার একটু পরে যখন জ্ঞান ফিরে তখন দেখতে পায় ওদের গ্রামের সমস্ত মানুষকে ওখানে হাত পা বেঁধে বন্দি বানানো হয়েছে। আর ওদের প্রোগ্রাম টা নষ্ট হয়ে গেছে গ্রামের প্রত্যেকটা বাড়িতে আগুন জ্বলছে আর একটু আগে হওয়ার লড়াইয়ের জন্য ওখানে বহু মানুষ মারা গেছে। এবার চারিদিকে এসব কিছু দেখার পর ওদের দিকে তাকিয়ে দেখছিল ওখানেও ছেলে আর বউ ঠিক আছে কিনা আর তখন পায়ের তলের একটা লোক এই ব্যাপারটা খেয়াল করে। আর ওই লোকটা ওর কাছে গিয়ে দেখার চেষ্টা করছিল ওখানে আর কেউ আছে।

কিনা কিন্তু ওখানে একটা বড় পাথরের আড়ালে অশ্রু লুকিয়ে থাকে সেজন্য হয়তো এখানে তোমাকে দেখতে পায় না আর এরপর

সঙ্গে দড়ি বেঁধে এসেছিল। ওই লোকটা সেন্তুরি টাকা কেটে দেয় এবার এখান থেকে সমস্ত বন্দি লোকজনকে নিয়ে ওই লোক গুলো বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু ওই গ্রামের সমস্ত বাচ্চাদেরকে ওরা এখানে ছেড়ে দেয়। আর ওই বাচ্চা গুলো নিজেদের বন্দি বাবা-মার পছন্দে জন যেতে শুরু করে। আর এখন কই গর্তের মধ্যে জাগুয়ারের বউ আর ছেলে আটকে রয়েছে। ওই ঘরের বাইরে গ্রামের লোকজনের সঙ্গে কি হয়েছে অনেক কিছুই বুঝতে পারছিল না। আর এখন বাইরে থেকে কোনরকম সাহায্য ছাড়া ওদের পক্ষে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসার কোনভাবে সম্ভব না এবার এদের সবাইকে যখন বন্দি বানিয়ে জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন এটা আগের দিন সকালে দেখা হওয়া সেই লোক গুলোকে দেখতে পায়। আর ওই লোকগুলো এখন বন্দি বানানো হয়েছে এবার ঈদে সবাইকে নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অনেকটা রাস্তা চলার পর চলে আসে নদী আর তারপর ভয়ঙ্কর নদীটা পার করার পর চলে আসে।

পাহাড় এবার আহত অবস্থায় এতটা রাস্তা হাটার পর ওই বন্ধুদের মধ্যে থেকে একটা লোকও প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে ওর ঠিকঠাকভাবে হাঁটার ক্ষমতা ছিল না। আর এটা দেখার পর যে লোকটা জাগুয়ারের বাবাকে মেরেছে ওই লোকটা এসে এই পাহাড়ের উপর থেকে বন্দি তাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। আর এভাবে একটানা দু দিন ধরে অনেকটা রাস্তা চলার পর অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। আর ওখানে যাওয়ার সময় খোলা রাস্তায় একটা বাচ্চা মেয়েকে দেখতে পায় ওই গ্রামে প্লেগ রোগ ছড়িয়ে ছিল। যে কারণে এই বাচ্চাটার মা ওখানে মারা গেছিলো এবার ওই বাচ্চাটা এদের দিকে এগিয়ে আসতে লাগে কিন্তু একটা কাঠের টুকরো দিয়ে ওকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয় তখন ওই বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে বলে তোমরা জানো তোমরা কিভাবে মরবে খুব তাড়াতাড়ি পবিত্র সময় আসতে চলেছে আর তখন দিনের বেলায় অন্ধকার হয়ে যাবে আর তোমরা সবাই অন্ধকার থেকে সাবধানে থাকো তখন একটা মানুষের কারণেই তোমাদের সবাইকে মরতে হবে।

আর সেই লোকটা এখন তোমাদের সঙ্গেই আছে ওই বাচ্চাটা এই কথাগুলো সেই লোকগুলো বলছিল যারা এখানে সবাইকে বন্দি বানিয়ে ছিল। এবার ওখান থেকে একটু এগুনোর পর দেখা যায় বহু মানুষকে বন্দি বানিয়ে তাদেরকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এখানকার সমস্ত বন্দি শ্রমিককে দিয়ে সিমেন্ট তৈরি করার কাজ চলছিল আর এখানকার প্রত্যেকটা শ্রমিকের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এবার বই নতুন বন্ধুগুলোকে একটা গ্রামের উপর দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় আর এই গানটা জাগুয়ার গ্রামের থেকে অনেক বেশি উন্নত ছিল। গ্রামের লোকজন কাপড় বানাতে জ্যান্ত মরা মাটির পুতুল বানানো যন্ত্র এমনকি এরা প্রত্যেকে পাঠা বাড়িতে থাকতো। এবার এই গ্রামের উপর থেকে আরও বেশ কিছুটা যাবার পর ওরা নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছে যায়। আর ওখানে পৌঁছানোর পর এর সমস্ত বন্ধুদের নীল রং লাগিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর যারা সবাইকে বন্দি বানিয়েছে তাদের দলের সর্দার ওখানকার একটা লোকের সঙ্গে কথা বলে। আমার ধারণা কে বলে আজ আমার জায়গায় আমার ছেলে তোমার সঙ্গে কথা বলবে আর আমি এখনই বন্দীদের জন্য আগের থেকে অনেক ভালো দাম চাই আর ওই লোকটা বলে প্রত্যেক বারের মত এবারও তোমাকে ভালো দাম দেওয়া হবে আর এটা শোনার পর বোঝা যায় ওরা বাইরে থেকে বন্দীদেরকে ধরে এনে এখানে বিক্রি করে দেয়। এবার দেখা যায় ছেলে আর মেয়ে বন্দীদেরকে আলাদা করা হয়েছে। আর তারপর মেয়েবন্ধুদের দাম লাগিয়ে ওখানে নিলাম করে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। আর ছেলে বন্ধুগুলোকে ওখান থেকে আরেকটু ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয় আর ভিতরে যাওয়ার পর দেখা যায় ওখানে বড় বড় পিরামিডের মতো বেশ কয়েকটা বিল্ডিং রয়েছে আর বিল্ডিং গুলো নিচে জোরে জোরে ঢোল বাজানো হচ্ছে।

আর ওর সামনে হাজার হাজার মানুষের ভিড় লেগে রয়েছে আর বিল্ডিং এর উপরে এই সব বন্দিদের গলা কেটে বলি দেওয়া হচ্ছিল যেন ভগবান কে সন্তুষ্ট করা যায় কারণ ওদের ধারণা ছিল। এই ভাবে বলি দিয়ে ভগবানকে সন্তুষ্ট করতে পারলে ওর আগের মতন মহামারী রোগের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে এবার এই নতুন বন্ধুদের মধ্যে থেকে একজনকে ওখানে শুইয়ে ওর গলা কেটে দেওয়া হয়। এরপর ওখানে জাগুয়ার কে দেখে নেওয়া হয় আর ওখানে শোয়ানোর পর যখন ওর গলায় করতে যাচ্ছিল তখন ওখানে সূর্য গ্রহন শুরু হয়ে যায় আর তখন এই লোক গুলো মনে করে ভগবান সন্তুষ্ট হয়ে গেছে সেজন্য তখন জাগুয়ার আর বাকি সমস্ত বন্ধুদের কে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এবার এদের সবাইকে মন্দির এর পেছনে একটা মাঠে নিয়ে আসা হয় আর তারপর মাঠের শেষ প্রান্তে ওদেরকে একটা জঙ্গল দেখিয়ে বলা হয়। তোমরা যদি এই মাঠ পার করে ওই জঙ্গলে চলে যেতে পারো তাহলে তোমার পুরোপুরি মুক্ত এবার যারা এখানে বন্দি বানিয়ে ছিল। সেই দলের সর্দার ছেলেকে মাঠের শেষ প্রান্তে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর তারপর এখান থেকে এরা দুজন দুজন করে বন্দিকে ছাড়তে শুরু করে। আর যখন এরা এই মাঠের মধ্যে দিয়ে ছুটে পালাচ্ছে তখন পিছন দিক থেকে এতটুক দিয়ে ওদের উপরে হামলা করতে শুরু করে। আর মাঠের শেষ প্রান্তে পৌঁছানোর আগেই তিনি লাগার কারণে একজন মাঠের মধ্যে মারা যায়। আরেকজন কোনরকমে আহত অবস্থায় ওখানে পড়ে যায় আর এবার জাগুয়ার অন্য একটা লোককে ওখান থেকে ছাড়া হয়।

কিন্তু এরা দুজন সোজা দৌড়ানোর চাই দেখাবে না দেখাবে দৌড়াচ্ছিল যে কারণে ওদেরকে তিলমাত্র একটু প্রবলেম হচ্ছিল কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ পর এদের দুজনের গায়ত্রী ফুটে যায়। কিন্তু গায়ের তিল থাকার পরেও জাগুয়ার কোনরকমে ওখান থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল। তখন ও সরদারের ছেলে ওকে মারার জন্য এগিয়ে আসে আর সেই সময় আগের দুজন বন্ধুদের মধ্যে থেকে একজন পিছন থেকে সরদারের ছেলে টেনে ধরে। এবার ওই লোকটাকে মারার পর সরদারের ছেলে যখন জাগুয়ার কে মারতে যাচ্ছিল। ততক্ষণে জাগুয়ার নিজের শরীরে আটকে যাওয়ার ধারালো অংশটা ভেঙ্গে হাতে নিয়ে নেয়। আর তারপর ওটাকে সরদারের ছেলে গলায় দিয়ে ওখান থেকে পালিয়ে আসে এটা দেখার পর ওখানে সরদার আর ওই দলের বাকি সমস্ত লোকজন ছুটে আসে। কিন্তু ওর ছেলেকে আর কোনো মতেই বাঁচানো সম্ভব হয়না।

এবার এই খুনের বদলা নেওয়ার জন্য ওরা সবাই জাগুয়ার এর পিছনে তাড়া করতে শুরু করে। এবার যেহেতু জানুয়ারিতে গেছিল সেজন্য বেশি জোরে দৌড়াতে পারছিল না। আর তাই জঙ্গলের মধ্যে ঢোকার পর একটা গাছের উপরে উঠে লুকিয়ে। আর ততক্ষনে ওরা সবাই জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে জাগুয়ার কে খুঁজতে শুরু করে এবারও যে গাছের উপরে লুকিয়ে ছিল। কিছুক্ষণ পর সেখানে একটা ব্ল্যাক প্যান্থার চলে আসে আর এখনো ব্ল্যাক প্যান্থার এর হাত থেকে বাঁচার জন্য জাগুয়ার ওখান থেকে ছুটে পালাতে শুরু করে। ওরা সবাই জঙ্গলের মধ্যে থেকে এদের ছুটে পালানোর আওয়াজ শুনতে পায় আর এই আওয়াজটা শুনতে পেয়ে ওদের মধ্যে থেকে একজন উনার ব্ল্যাক প্যান্থার এর মাঝখানে চলে আসে যে কারণে তখন ব্ল্যাক প্যান্থার ওই লোকটার উপরে হামলা করে ওকে মেরে দেয়। আর বাকি লোকজন দেকসে ব্ল্যাক প্যান্থার কে মেরে দেয় এসব কিছু দেখার পর ওদের দলের বেশ কয়েকটা লোক ভয় পেতে শুরু করে।

কারণ সকালে ওই বাচ্চাটার করা ভবিষ্যৎবাণী এখন আস্তে আস্তে সত্যি হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু নিজেদের দলের সর্দার সবাইকে নিয়ে আবারও কে তাড়া করতে শুরু করে। এবার আস্তে আস্তে দুপুর থেকে রাত হয়ে যায় আর সারারাত ধরে তারা করতে থাকে এবার যেহেতু জাগুয়ারের সারা গায়ে নীল রং লাগানো ছিল। সেজন্য পরের দিন সকাল হওয়ার পর একটা গাছের গায়ে পড়ে নিল রং দেখতে পায় আর যেটা দেখে বোঝা যায়। কিছুক্ষণ আগেও এখানে ছিলো এবার ওই গাছের ধারে দাঁড়ানোর সময় ওখান থেকে একটা সাপ বেরিয়ে ওদের মধ্যে একজনের গলায় কামড়ে দেয়। আর যেটা দেখে বাকি সবাই বুঝে গেছিল ওই লোকটা আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যাবে তাই রেখে দিয়ে বাকি সবাই আবার এগিয়ে যেতে লাগে এবার জঙ্গলের মধ্যে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর জাগুয়ার দেখতে পায়। ওখানে রাস্তা শেষ হয়ে গেছে আর ওর সামনে একটা ঝরনা রয়েছে আর এখন এদের হাত থেকে বাঁচতে গেলে ওকে বিছানার মধ্যে লাফ মারতে হবে।

ওখানে বেশী সময় নষ্ট না করে সোজা উপর থেকে নিচে লাফ মারলো জানত না যে নিচে পড়ার পর ওর সাথে কি হবে ও বাঁচবে নাকি মারা যাবে। কিন্তু দেখা যায় নিচে পড়ার পরও বেঁচে গেছে। আর এখনো নিজের জঙ্গলে পৌছে গেছিল আর এবার ওপরে সবার দিকে তাকিয়ে বলে এটা আমার জঙ্গল এখানে আমার বাবা স্বীকার করেছে আমি স্বীকার করেছি। আর এরপর আমার ছেলে স্বীকার করবে যদি তোমাদের ক্ষমতা থাকে তাহলে তোমরা চলে এসো আর এই কথাটা শোনার পর ও পড়ে ওদের মধ্যে থেকে একজন বলে আমার মনে হয় আমাদের এখান থেকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত। ওই লোকটার কথা শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ওদের সরদার কে মেরে দেয়। আর তারপর বাকি সবাইকে বলে আমরা প্রত্যেকে এখন এখান থেকে নিচে লাফ মারব এরপর এক এক করে ওরা প্রত্যেকের উপর থেকে নিচে লাফ মারতে শুরু করে আর এইভাবে নিচে নামার সময় ওদের মধ্যে থেকে একজন পাথরে ধাক্কা খেয়ে মাথা ফেটে ওখানে মারা যায়।

এবার ওদের সবাইকে ওখান থেকে নিচে নামতে দেখে জাগুয়ার আবার ওখান থেকে পালাতে শুরু করে আর বেশ কিছুটা যাওয়ার পর কাদায় ভর্তি দুবার মধ্যে পড়ে যায় এবার বাকি সবাই যখন জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে ছিল তখন ওর সারা শরীরে কাদা মাখা অবস্থায় একটা মৌমাছির চাক নিয়ে এদের সামনে চলে আসে। আর তারপরেই মৌমাছির চাক থাকে এতে সবার দিকে ছুঁড়ে দেয়। যেহেতু জাগুয়ারের গায়েব হয়ে গেছিল সেজন্য কোন মৌমাছি ও কেকা মেলাতে পারছিল না। এবার ওখান থেকে পালিয়ে জাগুয়ার জঙ্গলের মধ্যে থেকে একটা বিষাক্ত ব্যাঙ খুঁজে বের করে আর তারপর একটা গাছের থেকে বেশ কয়েকটা কাটা ঘায়ের বীজগুলো কাটাতে শুরু করে আর তারপর একটা গাছে পাতা নিয়ে সেটাকে রোল করে বানায় আর তারপর পাতার একদিকে বিষ মাখানো কাটা ঢুকলে কোন দিক দিয়ে জোরে জোরে ফু দিয়ে কাঁটা গুলোকে একটা লোকের গাঁড় মারতে শুরু করে।

আর এখন ওই বিষাক্ত কাঠামোতে যাওয়ার কারণে আস্তে আস্তে ওই লোকটা ওখানে নিস্তেজ হয়ে মারা যেতে শুরু করে। এবার এই লোকটাকে মারার পর জাগুয়ার ওর কাছ থেকে ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এদের দলের আরও একজন লোককে মেরে দেয়। আর এটা সেই লোকটা ছিল যে জাগুয়ারের বাবা কে মেরেছিল এবার দেখা যায় হঠাৎ করে বৃষ্টি হতে শুরু করেছে। আর নিজের ছেলে বউকে নিয়ে চিন্তা করতে শুরু করে কারণ ওরা দুজনে গর্তের মধ্যে রয়েছে। সেখানে খুব তাড়াতাড়ি জল পড়তে শুরু করবে আর এদিকে দেখা যায়। সৈকতের মধ্যেও ছেলে আর বউ এর অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছিল দুজনের প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছিল। আর তার ওপরে ওর বউয়ের বাচ্চা ডেলিভারি হওয়ার টাইম চলে এসেছিল সে জন্য ওর পেটে প্রচন্ড যন্ত্রণা করছিল।

এবারে জঙ্গলের মধ্যে ছুটে পালানোর সময় ওই দলের সর্দার জাগুয়ারের সামনে চলে আসে। আরও জাগুয়ারের গায়ে তির মারে তারপর হাতে একটা চাকু নিয়ে ওদিকে ছুটে ওকে মারতে আসে। কিন্তু এর দিকে ছুটে আসার সময় একটা দড়িতে বেঁধে যায়। আর তারপর সামনে থেকে ঝালকাঠি উপযুক্ত একটা ফাঁদ এসে ওর গায়ে পড়তে যায়। আর এখন সরদার ওখানে মারা যায় এটা সেই হাত ছিল যেটার সাহায্যে জাগুয়ার আরো দলের লোকজনকে জঙ্গলের মধ্যে স্বীকার করত আর এই দিকে দেখা যায। ওই গর্তের মধ্যে ডলার সমান জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ওর বউ আর একটা নতুন বাচ্চা জন্ম দিয়েছে।

কিন্তু এখনও ও সরকারি দলের দু’জন মানুষ বেঁচে ছিল আর ওদের হাত থেকে বাঁচার জন্য জাগুয়ার পালাতে পালাতে সমুদ্রের ধারে চলে আসে। আর ওখানে যাওয়ার পরে না দেখতে পায় ওখানে বড় বড় বেশ কয়েকটা জাহাজ দাঁড়িয়ে আছে আর ওখান থেকে বেশ কয়েকটা ইংরেজদের দিকে এগিয়ে আসছে। ওখানে অত বড় জাহাজ আর ইংরেজদের কে দেখে এরা সবাই অবাক হয়ে ওর দিকে তাকিয়ে ছিল। আর সেই সুযোগে জাগুয়ার ওখান থেকে পালিয়ে নিজের ছেলে আর বউ এর কাছে চলে আসে। আর তারপর তোদের তিনজনকে ওই গর্ত থেকে বের করে আবার জঙ্গলের মধ্যে ঢুকে যেতে শুরু করে এবার ওখানে ওই জাহাজগুলোকে দেখে ওর বউকে বলে আমাদের কি ওখানে যাওয়া উচিত। তখন জাগুয়ার উত্তর দেয় না আমাদের জঙ্গলের মধ্যে ফিরে যাওয়া উচিত আর এরপর এখানে এই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

সাধারণ ছাত্র থেকে ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ার কঠোর যাত্রার কাহানি নিয়ে তৈরি রুডি

Leave a Reply

%d bloggers like this: