মাঝ সুমদ্রে নিজকে বাঁচিয়ে রাখার এডভেঞ্চার সিনেমা Cast Away মুভিটির গল্প, সংক্ষেপে রিভিউ 2022

কাস্ট অ্যাওয়ে মুভি রিভিউ


রবার্ট জেমেকিস ডারেক্ট এ ২০০০ সালে প্রকাশিত মাস্টার-পিস সিনামাটির টোটাল বাজেট ৯০ মিলিয়ন ডলার টোটাল বক্স অফিস কালেকশন ৪২৯ মিলিয়ন ডলার। সিনেমাটির গল্পটি লেখছেন উইলিয়াম ব্রয়লাস। মুভিটির আইএমডিবি রেটিং সেভেন পয়েন্ট এইট। Cast Away সিনেমাটিতে যে চরিত্রে পুরো মুভিটি ঘোড়া গুঁড়ি করে সেই চরিত্রটি হলো Tom Hanks

কাস্ট অ্যাওয়ে True স্টোরি

Salvador Alvarenga এর কাহিনীর অবলম্বনে তিনি কিবাভে ৪৩৮ দিন কোনো খাবার কোনো কিছু ছাড়া কিভাবে সুমদ্রে বেঁচে ছিল এই বিষয় নিয়ে সিনেমাটিকে তৈরি করা হয়েছে।

কাস্ট অ্যাওয়ে, Cast Away , cast away movie , cast away movie island location , cast away movie imdb , cast away movie review in bengali

কাস্ট এওয়ে রিয়েল স্টোরি সংক্ষেপে

সিনেমার শুরুতে দেখানো যায় ফেডেক্স নামে ব্যাক্তি কুরিয়ার কোম্পানির একজন বড় পদের অফিসের কাজের জন্য ওকে মাঝে মাঝে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাওয়া আসা করতে হয়। খালি নামের একটা মেয়ের সঙ্গে অনেকদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। আর ওরা দুজন একে অপরকে খুবই ভালবাসত ওদের দুজনের বিয়ে করার কথা ছিল। কিন্তু নিজের কাজে এতটাই ব্যস্ত থাকত যে কারণে এখন অব্দি ওদের বিয়েটা হয়ে ওঠেনি। এবার দেখা যায় ক্রিসমাসের টাইম চলে এসেছে।

কিন্তু একসময় বাড়ি থাকতে পারবে না কারণ অফিসের কাজের জন্য ওকে ভালোবেসে যেতে হবে যাতে জানায় নিউ ইয়ার এর মধ্যে বাড়ী চলে আসবে। কিন্তু ক্রিসমাসের সময় এখানে থাকতে পারবে না। এটা বলার পর ওরা দুজন নিজেদের মধ্যে ক্রিসমাস গিফট এক্সচেঞ্জ করে। যেটা করে সেটা হল ঠাকুরদার একটা পুরনো ঘড়ি যার মধ্যে ওর একটা সুন্দর ছবি লাগানো ছিল। খুবই পছন্দ হয় এবার নিজেদের মধ্যে গিফট চেঞ্জ করার পর মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এবার চাকরির পেনশন প্যাসিফিক ওশান এর উপর দিয়ে যাচ্ছিল। তখন সেটা একটা ঘরের মধ্যে আটকে পড়ে আর প্রচন্ড ঝড়ের কারণে ইন্টারফেস করে সমুদ্রের মধ্যে ভেঙে পড়ে। যেহেতু এটা ফেডেক্স কম্পানি নিজস্ব প্লেনের মধ্যে তিনজন পাইলট ছাড়া আর কেউই ছিল না। আর প্লেনটা সমুদ্রের মধ্যে ভেঙে পড়ার পর যারা প্লেনের বাকি সবাই মারা যায় সমুদ্রের কোনরকমে একটা হাওয়ার লাইটে উঠে পড়ে।

আর তারপরও পুরোপুরি অজ্ঞান হয়ে যায় পরের দিন সকালে যখন জ্ঞান ফিরে। তখন নিজেকে একটা দ্বীপের মধ্যে খুঁজে পায় জাতির সাথে সাথে বেশ কয়েকটা কুরিয়ার এর প্যাকেটের মধ্যে ভেসে এসেছিল। সে গুলোকে কুড়িয়ে নিজের কাছে রেখে দেয় আর একটু খোঁজাখুঁজি করার পর জানতে এছাড়া ওই দ্বীপের মধ্যে আর কোন জীবিত প্রাণী নেই। মানে ওই দ্বীপের মধ্যে পুরোপুরি একা আটকে রয়েছে। এবারও বালির মধ্যে বড় বড় করে লেখ যাতে চাকরিতে আসবে তারা যাতে খুব সহজেই ওকে খুঁজে পায়। এরপর সমুদ্রের ধারে অপেক্ষা করতে থাকে আসতে আসতে সকাল থেকে রাত হয়ে যায় আর অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে পরের দিন সকালে যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন দেখতে পায় বালির মধ্যে ওর হেল্প লেখাটা অর্ধেকটা মুছে গেছে। কিন্তু তখনও কেউ কেউ নিতে আসিনি তখন ওই জায়গায় জায়গায় গাছের ডাল দিয়ে লিখে রাখে একদিনেরও বেশি সময় ধরে আটকে রয়েছে আর তখন থেকে এখনো কিছু খাই নি এবার আশেপাশে একটু খোঁজাখুঁজি করার পর বেশ কয়েকটা নারকেলি খুঁজে পায়।

যেহেতু ওর কাছে কোন অস্ত্র ছিল না খালি হাতে নারকেল ছাড়ানোর জন্য ওকে খুবই কষ্ট করতে হয়। আর বহু চেষ্টার পরও অনেক কষ্টে একটা নারকেল থেকে জল খেতে পারে এরপর চারিদিকে ঘুরে দেখতে লাগে। আর তখন নিজেদের প্লেনের একজন পাইলটের মৃতদেহ খুঁজে পায়। আর মৃত দেহটাকে সমুদ্র থেকে তুলে দ্বীপের মধ্যে কবর দিয়ে দেয় দেওয়ার সময় পায়ের কাছে একটা টর্চ লাইট খুঁজে পাই। যেটা কেউ নিজের কাছে রেখে দেয় এবার আস্তে আস্তে বেশ কয়েকটা দিন কেটে যায়। আর চ্যাট এরমধ্যে অনেকদিন ধরে একা একা আটকে রয়েছে হঠাৎ একদিন রাত্রে বেলা সমুদ্রের মধ্যে অনেক দূর থেকে একটা জাহাজের আলো দেখতে পায়। আর তারপর নিজের টর্চ লাইট জ্বালিয়ে জাহাজটাকে সিগন্যাল দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু যাকে টর্চ লাইট টা এতটাই ছোট ছিল। যেকারনে জাহাজটা ওর কোন সিগন্যাল দেখতে পায় না তখন সে বুঝতে পারে এই ভাবেই দ্বীপের মধ্যে পড়ে থাকলে ওকে কেউ কখনোই খুঁজে পাবে না। সেজন্য পরের দিন সকালে ও নিজের লাইফ নিয়ে এদিক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু সমুদ্রের বিশাল বড় বড় ঢেউ হল যাকে তার লাইভ জলের মধ্যে ডুবিয়ে দেয়।

আর ওখানে জলের মধ্যে থাকা ধারালো পাথর ঘষা খেয়ে জাকির লাইফটা ফুটো হয়ে যায়। আর একইসাথে ধারালো পাথর ঘষা খেয়ে যায় অনেকটা কেটে যায়। এবার ওখান থেকে আহত অবস্থায় যাক কোন রকমে আবার নিজের দিকে ফিরে আসে এমনিতেই লাস্ট কয়েকদিন ধরে কিছু খেতে না পাওয়ার জন্য যা খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছিল। আর তার ওপরে এখন কেটে যাওয়ার জন্য ওর পায়ে খুব যন্ত্রণা করছিল পরের দিন সকালে নিজের কাছে থাকা কুরিয়ার এর সমস্ত প্যাকেটগুলোকে খুলে দেখতে লাগে কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত প্যাকেটগুলো তার মধ্যেও কোন খাবারের জিনিস ছিল না। যাক সব প্যাকেটগুলোকে খুললেও লাস্টে একটা প্যাকেট কে আর খোলেনা ওই প্যাকেটের গায়ে একটা ডানার চিহ্ন আঁকা ছিল।

এই জন্য বাঁচিয়ে রাখে যদি কোন দিন থেকে বেরোতে পারে তাহলে ওই কুরিয়ার তাকে অবশ্যই ডেলিভারি করবে যার কা

ছে এখন এগুলোই হল হার না-মেনে বেঁচে থাকার একটা কারণ আর কতগুলো প্যাকেট খোলার পর ওর ভেতর থেকেও মাত্র একটা কাজের জিনিস খুঁজে পাইল। যেটা হলো একটা আইসক্রিম তলায় লেগে থাকা ধারালো স্কেলের সাহায্যে এখন খুব সহজেই নারকেল ছাড়িয়ে তার থেকে কাতার থেকে জল খেতে পারি এবার আস্তে আস্তে চাপ ওখানে মাছ ধরতে শুরু করে। প্রথমের দিকে কাঁকড়া ছাড়া অন্য কোন মাছ ধরতে পারতো না। কিন্তু অনেক চেষ্টা করার পর কাঁকড়া ধরলেও সে গুলোকে তারা কাঁচা খাওয়া সম্ভব না। তাই এই মুহূর্তে সবার আগে যেটা দরকার সেটা হলো আগুন জালানো এরপরও কাঁধের সাথে কাঁধ ওখানে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু একটানা অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করার পরও কোনভাবেই আগুন জ্বালাতে পারে ন। উপরন্ত কাঁধের সাথে কাঁধ ঘষে আগুন জ্বালানোর সময় ও কাঠের সাথে খোঁচা খেয়ে নিজের অনেকটা হাত কেটে ফেলে এরপর ও রেগে গিয়ে ওর আশেপাশে থাকা সব কিছু ছুড়ে ফেলতে লাগে তখন ওর পাশে একটা কই আরএকটা ফুটবল রাখা ছিল।

আর যাক নিজের কেটে যাওয়া রক্তমাখা হাত দিয়ে ফুটবলটা কেউ ধরে ছুঁড়ে মারে আর এসব কিছুর পর প্রচণ্ড ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে পড়ে। বেশ কিছুক্ষণ পর আবার আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করে আর বেশ কয়েকটা নতুন পদ্ধতি ট্রাই করার পর শেষ অব্দি আগুন জ্বালিয়ে ফেলে এত চেষ্টার পর এত কষ্ট করে আগুন জ্বালানোর পর ওখানে বিশাল খুশি হয় আর ওখানে আগুন জ্বালানোর সময় চাকরি ফুটবলটাকে খুজে পাই ওই ফুটবল রক্তমাখা হাতের ছাপ লেগে ছিল। ওই ফুটবলের মধ্যে চোখ না থাকে যেহেতু এই ফুটবল প্যাকেটের গায়ে নিয়ম লেখা ছিল তাই ফুটবলটা নাম রাখেন। আর এখন এই দ্বীপের মধ্যে ফুটবলের একমাত্র বন্ধু যার সারাদিন ধরে নিজের সমস্ত কথা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করত। এই ভাবে ওর সঙ্গে কথা বলতে বলতে যাক নিজের একাকীত্ব দূর করার চেষ্টা করত। এবার এইভাবে আস্তে আস্তে দ্বীপের মধ্যে চার দিন গুলো বেশ ভালই কাটছিল ওর কাছে এখন আগুন ছিল।

তাই ওকে আর কাঁচা মাছ খেতে হতো না আর এখন দোকানে কথা বলার জন্য ফুটবল বন্ধু হিসেবে ছিল। এইভাবে আস্তে আস্তে বেশ কয়েকদিন যাবার পর হঠাৎ একদিন রাতে বিশাল যন্ত্রণা শুরু হয়। আস্তে আস্তে ও তাতে এতটাই ব্যথা শুরু হয় যার ভিসিট করে ওর ব্যাথা দাও তুলে ফেলবে। আর সেজন্য একদিন রাতে নিজের কাছে থাকা স্কেট শো সাহায্যে নিজের দাঁত তুলতে শুরু করে নিচের নিচের দাঁতের সাথে লাগিয়ে একটা বড় পাথর দিয়ে সেটাতে বাড়ি মারে আর এটা করার সাথে সাথে উঠে যায় ঠিকই কিন্তু সেই একই সাথে চ্যাট ওখানে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এবার দেখা যায় এই ঘটনায় চার বছর হয়ে গেছে আর আজ চার বছর ধরে এই দ্বীপের মধ্যে চ্যাট একা একা আটকে রয়েছে। আর এখনও মাছ ধরাতে প্রচন্ড এক্সপার্ট হয়ে গেছে ঘুরে দাঁড়িয়ে সেখান থেকে দেখে গেছে আর এখনো মাছগুলোকে কাচাই খেয়ে নিতে পারে সেগুলো কে আগুনে জ্বলছে না দরকার পড়ে না চার বছর আগে যখন প্রথমবার এই দ্বীপে আটকে পড়ে তখন ওর চেহারা স্বাস্থ্য খুবই ভাল ছিল । কিন্তু আজ এতো বছর পর শরীর একদম শুকিয়ে গেছে ওকে দেখে এখন আর কোনভাবেই চেনা যাচ্ছেনা। দ্বীপের মধ্যে আটকে থাকে রোজ একই রকম ভাবে ও দিনগুলো কাটছিল এবার হঠাৎ একদিন দ্বীপের মধ্যে ছাগলের পাতলা টিনের মতন একটা জিনিস খুঁজে পায়।

সমুদ্রের মধ্যে ভাসতে ভাসতে ওটা চাকরি দিতে এসে আটকে ছিলো এবার যত টাকা তুলে এনে সোজা করে পানিতে পচে যায়। আর তারপর ও সামনে বসে পড়ে এবার কিছুক্ষণ পর হাওয়া লাগার কারণে ডিমটা মাটিতে পড়ে যায়। যেটা দেখার পর জাকের মাথায় একটা বুদ্ধি আসে ডিসাইড করে এই দ্বীপের বেশ কিছু গাছ কেটে সেগুলো দিয়ে অবহেলা বানাবে আর তারপরেই টিমটাকে ফেলার হিসেবে ব্যবহার করবে। এবার আস্তে আস্তে একের পর এক গাছ কেটে ফেলা বানাতে শুরু করে আর গাছের ছাল দিয়ে তৈরি বানিয়ে কাজগুলোকে একটার সাথে আরেকটা কে বেঁধে রাখে এই ভাবে বেশ কয়েক মাস চেষ্টা করার পরও একটা বানিয়ে ফেলে। এবার সাহায্যে বহুকষ্টে অনেক বড় বড় ঢেউ কাটিয়ে আজ চার বছর পর যা ক্ষতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। আর ওই দিক থেকে বেরোনোর সময় যখন কেউ নিজের সঙ্গে করে নিয়ে আসে এখন ইসলামকে নিয়ে সমুদ্রের মধ্যে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছে। এইভাবে অনেকদিন ধরে সমুদ্রের মধ্যে বেলা নিয়ে বেঁচে থাকে। আর এই অবস্থায় খিদে পেলে সমুদ্র থেকে মাছ ধরে সেটা দেখে তো আর যখন বৃষ্টি হত তখন বৃষ্টির জল কে ও নারকেলের মালার মধ্যে গুছিয়ে রাখার জন্য এভাবে বেশ কয়েকদিন কাটার পর হঠাৎ একদিন বৈশাখের অজান্তেই বেলা থেকে জলের মধ্যে পড়ে যায় আর যখন সেটা খেয়াল করে তখন অনেক দেরি হয়ে গেছিল।

ওখান ততক্ষনে ভাসতে ভাসতে বেলা থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। যা খুবই শান্তি ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করে কিন্তু পারিনা হারানোর পর প্রচন্ড মন খারাপ হয়ে যায়। খুব কান্নাকাটি করতে থাকে কারণ এই চার বছর ধরে ওই শালী ছিলো। একমাত্র বন্ধু যার সাথে ও নিজের সমস্ত কথা শেয়ার করত উইলসনকে আজকে পুরোপুরি ভাবে হারিয়ে ফেললো। এবার বেশ কয়েকদিন এইভাবে সমুদ্রের মধ্যে কাটানোর পর একটা কাজ খুঁজে পায় আর তারা ওকে বাঁচিয়ে নয় এবার আজ অনেকগুলো বছর পর যাক নিজের বাড়িতে ফিরে আসে। কিন্তু এখানে আসার পরও দেখতে পায় সবকিছু অনেক বদলে গেছে ওর বন্ধুবান্ধব আর বাড়ির লোকজন মনে করেছিল। মারা গেছে সেজন্য ওরা সবাই যাকে ফিউনারেল করে দেয় আর এদিকে ওর গার্লফ্রেন্ডকে আলীর বিয়ে হয়ে গেছে। আর কালির এখন একটা ছোট বাচ্চা মেয়ে রয়েছে রানীর বিয়ের খবরটা পাওয়ার পর যাক প্রচন্ড ভেঙে পড়ে। কারণ যাকে সত্যি খুব ভালবাসতো আর ওই দ্বীপের মধ্যে রোজভ্যালির কথা ভেবেই বেঁচে থাকার শক্তি পেত। কিন্তু এদিকে কিছু করার ছিল না ও মনে করেছিল ওই দুর্ঘটনায় চাকমারা গেছে।

সে জন্য বাধ্য হয়ে গেলি কে অন্য জায়গায় বিয়ে করতে হয় এবার বাড়ি ফেরার পর যা খালি সঙ্গে দেখা করতে যায়। আর ওদের দুজনের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে কথা হয় যা খেলে দেওয়ার সিস্টেম ঘড়ি তে ফেরত দিয়ে দেয় কারণ ওটা কে নির্যাতন করেছিল আর চাইছিল। পারিবারিক ঘড়িটা ওর পরিবারের মধ্যেই থাকুক এবার কার সাথে কথা বলে যাক যখন ওখান থেকে ফিরে আসছিল। তখন ওরা দুজনই প্রচন্ড ইমোশনাল হয়ে যায়। এবার যা ওখান থেকে কিছু টা বেরিয়ে আসার পর গাড়ি ছুটে গিয়ে ওকে জড়িয়ে ধরে ও বলে আমি জানতাম তুমি বেঁচে আছো তুমি একদিন নিশ্চয়ই ফিরে আসবে। কিন্তু ওরা আমাকে বারবার বলতো তুমি মারা গেছো। যে কারণে আমি অন্য জায়গায় বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছি। কিন্তু আজ আমি মন থেকে তোমাকে ভালোবাসি এবার কেলি চাকার গাড়িতে উঠে পরে আর কিছুক্ষণের জন্য মনে হয় গেলি হয়তো চ্যাট এর সাথে পালিয়ে যাবে কিন্তু তেমনটা কিছুই হয় না যাক ওকে বাড়ি ফিরে যেতে বলে ওখান থেকে চলে আসে।

এবার পরের দিন সকালে দেখা যায় যাক আবার আগের মতো নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছে। লাশ কুড়িযার টাকে সেটাকে ডেলিভারি করার জন্য বাঁচিয়ে রেখে দিয়েছিল। এখন সেই কুরিয়ার টাকার ডেলিভারি করতে যাচ্ছে ওই ঠিকানায় যাওয়ার পর দেখা যায়। আর বাড়িতে কেউ নেই সেজন্য চাকুরীর ওখানে রেখে ওর উপরে একটা নোট লিখে দেয়। এই কুরিয়ারটা আমার জীবন বাঁচিয়েছে থ্যাংক ইউ আর তারপর নিজের নাম লিখে দেয়।

এবার যাক একটা চার রাস্তার মোড়ে এসে রাস্তা হারিয়ে ফেলে তখন খোঁজার জন্য নিজের ম্যাপ দেখছিল সেই সময় পাশ থেকে একটা মেয়ে যাচ্ছিল ও তার কাছে এসে যাকে চারদিকে রাস্তার ইনফরমেশনটা দিয়ে দেয় যে কোন রাস্তাটা কোনদিকে যাচ্ছে। তারপর ওই মেয়েটা নিজের গাড়ি নিয়ে সেদিকে এগিয়ে যায় যে দিক থেকে এক্ষুনি কুরিয়ার ডেলিভারি করে এলো। আর ওই মেয়েটার গাড়ির পেছনে ছিল যে লেখাটা ছিল এবার ওই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে আস্তে আস্তে হেসে ওঠে হয়তো আস্তে আস্তে আবার নতুন করে বাঁচার আশা খুঁজে পাচ্ছিল আর এখানেই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়।

মিথ্যে খুনের অভিযোকে একব্যক্তি কে জেলে পাঠানো হয়েছে, সে জেল থেকে পালাতে পারবে কিনা – গল্পটি জানুন

আজকে আমাদের শেষ সমাচার


কাস্ট এওয়ে সিনেমাটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। আরো নুতন নুতন আটিক্যাল পাওয়ার জন্য আমাদের কে ফলো কারণ ~ ধন্যবাদ

Leave a Reply

%d bloggers like this: