আমাকে ধরতে পারলে ধরো – ফ্র‍্যাঙ্ক অ্যাবেগনেইলনের আত্মজীবনী থেকেই নেওয়া গল্পটি Catch Me If You Can Movie 2002

Catch Me If You Can সমস্ত বিষয়

কিভাবে এক নাবালক ছেলে নকল পাইলট, পুলিশ,এফ-বি-আই সেজে ব্যাঙ্কে গুলির সাথে ফ্রড করে। শেষে ছেলেটি পুলিশ তাকে ধরতে পারে কিনা সিনামাটিতে দেখতে পারবো।
সিনেমাটি ডাইরেক্ট করেছেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়কের রোলটি করেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ইত্যাদি।

catch me if you can , ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান , catch me if you can true story, catch me if you can full movie, catch me if you can poster, catch me if you can cast

ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান IMDb রেটিং


ডিসেম্বর মাসের ২০০২ সালে ৫২ মিলিয়ন ডলারে তৈরি করা Catch Me If You Can সিনেমাটির বক্স অফিস কালেকশন ৩৫২ মিলিয়ন ডলার। দর্শকের তরফের মুভিটিকে ৮.১/১০ আইএমডিবি রেটিং পায়।

ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান Full Movie

এই সিনামাটি না দেখে থাকলে আপনি অনলাইন OTT প্লাটফ্রম বা ইউটিউবে রেন্টে নিতে পারেন। আমাজন প্রাইম , নেটফ্লিক্স ওটিটি প্লাটফ্রম গুলির সাবক্রিবপশন নিতে পারেন।

ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান True স্টোরি


ফ্রাঙ্ক উইলিয়াম অ্যাবাগনেল নামক ছেলেটি তার বাবা মা-র ডিভোর্স ফলে সে খুব দু-চিন্তায় চলে যায় সে ১৬ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। তার বাবার চেক বই এর মাধ্যমে ব্যাঙ্ক গুলি কে ঠকাতে শুরু করে আস্তে আস্তে ছোডোবেশে ডাক্তার, পাইলট সেজে মানুষ গুলোকে বোকা বানাতে শুরু করে। শেষমেসে ফ্র‍্যাঙ্ক অ্যাবেগনেইল ধরা পড়ে কিছু সময় বাদে তাকে FBI ডিপার্টমেন্টে চাকরি দেওয়া হয়।

ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান স্টোরি ইন বাংলায়

গল্পটা শুরু হয় ১৯৬৯ সালের ঘটনা থেকে যেখানে দেখা যায় ফ্রান্সের একটা ছেলের সামনে কাল নামের একজন আমেরিকান এফবিআই এজেন্ট দাঁড়িয়ে আছে। এখানে একজন আমেরিকান কয়টি সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন জার্নাল ফ্রেন্ড এন্ড জুনিয়ার জেলে ঢোকার পর কাল যখন ফ্রেন্ডের সঙ্গে কথা বলছিল তখন ফ্রেন্ড হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। সেজন্য ওকে ওর সেলের ভেতর থেকে বাইরে বের করে আনা হয় ডাক্তার দেখানোর জন্য এবার ফ্রেন্ডকে বাইরে বের করার পর সরকারের বাকি সমস্ত পুলিশ যখন একটু অন্য মনস্ক হয়ে গেছিল।

সেই সুযোগে ওখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু শরীরটা দুর্বল তাদের জন্য বেঁচে পালাতে পারেনি আরো কিছুদূর যাওয়ার পরই ওকে আবার ধরে ফেলে আর এখান থেকে পুরো ঘটনা চার বছর আগের ফ্ল্যাশব্যাকে চলে যায় যেখানে দেখা যায় ফ্রাঙ্কের বয়স ১৫ বছর ও তার পুরো ফ্যামিলির সঙ্গে একটা ক্লাবের পার্টিতে রয়েছে। যেখানে ওর বাবাকে পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হচ্ছে ফ্রেন্ড ফ্যামিলি টোটাল তিনজন সদস্য ছিল বাবা-মা আর ও আর ওদের তিনজনের এই ছোট্ট সংসার টা বেশ ভালোই কাটছিল। প্রত্যেকে বেশ হাসিখুশি ছিল কিন্তু তখন জানা যায় ফ্রাঙ্কের বাবা ব্যবসায়ী অনেক টাকা লস করে ফেলেছে আর সেজন্য আমি বাবাকে ব্যাংক থেকে একটা লোন নিতে হব।

কিন্তু ব্যাংক উনাকে কোনরকম লোন দিতে চায় না। সে জন্য বাধ্য হয়ে ওদেরকে নিজেদের বাড়িটা বিক্রি করতে হয় আর এখন ওরা সবাই মিলে একটা ছোট্ট বাড়িতে থাকতে শুরু করে এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর ফ্রেন্ডের বার্থডে চলে আসে। আর এখনো ১৬ বছর বয়সে পা দিল সে জন্য ওর বাবার নামে একটা ব্যাংক একাউন্ট খুলে আর সেখানে ২৫ ডলার জমা করে আর তারপর উপপাদ্য 38 একটা গিফট করে বলে এটা এখন তোমার এটা দিয়ে তুমি যা খুশি তাই করতে পারে আর এখানে জীবনে প্রথমবারের জন্য ফ্রেন্ড চেকবুক হাতে নিয়ে দেখে আর ওই ছেলেটা ওর খুব পছন্দ হয় অন্যদিকে দেখা যায়। নিজেদের বাড়ি চেঞ্জ করার জন্য ফেনীতে স্কুলটাও চেঞ্জ করতে হয়েছে আর এখানেও নিজের নামের প্রাইভেট স্কুল ছেড়ে একটা সরকারি স্কুলে ভর্তি হয়েছে কিন্তু অভ্যাসবশত ও নিজের আগে স্কুলের ইউনিফর্ম পড়ে সরকারি স্কুল টা চলে আসে। আর ফ্রেন্ড যখন তার ইউনিফর্ম পড়ে নতুন স্কুলের ক্লাসের মধ্যে ঢুকে তখন বাকি সমস্ত স্টুডেন্ট টিচার মনে করে। আর সে সুযোগ থাকে ব্যবহার করে নেয় ও কনফিডেন্সের সঙ্গে নিজের সমবয়সী বাকি স্টুডেন্টদের ক্লাস নিতে শুরু করে। কিন্তু বেশ কিছুদিন পরে স্কুলের প্রিন্সিপাল ঘটনা জানতে পেরে আরিফের বাবা মাকে ডেকে এই ব্যাপারে নালিশ করেন।

কিন্তু এটা জানার পরেও ফ্রাঙ্কের বাবা এই বিষয়টা খুব একটা পাত্তা দেয় না কারণ ফ্রেন্ড তাও আবার নিজেদের মধ্যে বন্ধুর মতো ওরা একজন আরেকজনকে খুবই ভালবাসত। এবার এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর যখন স্কুল থেকে বাড়ি ফেরে তখন কাউকে জানানো হয় বাবার মত হয়ে যাচ্ছে। আর ওর কাছে জানতে চাওয়া হয় কোন বাবা-মার মধ্যকার সাথে থাকতে চাই কিন্তু জন্য ফ্রেন্ড প্রচন্ড কনফিউজ হয়ে যায়। আর ওখান থেকে পালিয়ে আসে ওখান থেকে পালানোর পর বেশ কয়েকদিন ধরে একটা হোটেলে থাকতে চান করে। আর যেহেতু ওর কাছে কোনো টাকা ছিল না তাই হোটেলের বিল পেমেন্ট করার জন্য নিজের চেকবুক ব্যবহার করছিলাম এবার দুই সপ্তাহ পর হোটেল মালিক জানতে পারে। ওর অ্যাকাউন্টে যথেষ্ট পরিমাণ টাকা না থাকার জন্য উদ্যোগগুলো বাউন্স হয়ে যাচ্ছিল। আর সেজন্য ওকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হয় এবার চেক এর সাহায্যে বিল পেমেন্ট করার ব্যাংক থেকে টাকা তোলার প্রচেষ্টা খুব পছন্দ হয়। যেহেতু তখন কোন ব্যাংক কম্পিউটারের ছিল না। তাই এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস জানতে দুই সপ্তাহের বেশি সময় লেগে যেত আর ফ্রেন্ড এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চেয়েছিল। নিজের কাছে থাকার চেয়ে কোন নাম্বার গুলো কি পাল্টে সেগুলো সাহায্যে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু কোন ব্যাংকই অচেনা কোন মানুষকে টাকা দিতে রাজি হয় না সেজন্য স্যার এই আইডিয়াটা খুব একটা সফল হয়না এবার একদিন ফ্রাঙ্ক রাস্তায় একটা পাইলটকে দেখতে পাই আরো খেয়াল করে দেখেন। পাইলটকে সবাইকে সম্মান করছে সবাই আপনার চেষ্টা করছে আসলে সেই সময় একজন পাইলটের সম্মান একজন সেলিব্রিটি মতন ছিল ঠিক করে। নিজের যেগুলোকে ক্যাশ করানোর জন্য একটা নকল পাইলট থাকবে সেজন্য ওপেন এম নামের একটা বড় কম্পানিতে যায়। আর ওখানে যাওয়ার পর নিজেকে একটা স্টুডেন্টের এডিটর হিসেবে পরিচয় দেয় আর একটা সঙ্গে নিজের অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে ন্যায় এবারও পাইলটের কাছ থেকে সম্পর্কে যাবতীয় খুঁটিনাটি সমস্ত তথ্য জোগাড় করে নেয়।

তারপর একটা পাইলটের ইউনিয়ন জোগাড় করে সোজা ব্যাংকে চলে যায়। নিজের নকল যেগুলোকে করানোর জন্য যেহেতু ব্যাংকের মধ্যে একজন পাইলট হয়ে গেছিল তাই ব্যাংকের ম্যানেজার নিজে এসে ওকে টাকা দিয়েছে। এরপর ফ্যান কোম্পানির নামের বেশ কয়েকটি করে আর সেগুলো সাহায্যে অনেক মোটা অংকের টাকা তুলতে শুরু করে। সব সময় বিভিন্ন আলাদা আলাদা ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গুলোকে নিয়ে তাদের নাম্বার গুলো কে বলে দিত একটা ব্যাংকের ভুল বুঝে চলে যায়। আর সেজন্য অনেকটা বেশি সময় পেয়ে যায় আর ওই সময়ের মধ্যে টাকা নিয়ে ফ্রেন্ড ওখান থেকে দূরে কোথাও পালিয়ে যেত

সংখ্যা পড়ে যেত এবার একদিন ফ্রেন্ড যখন ব্যাংকে টাকা তুলতে যায়। তখন জানতে পারেন এম কোম্পানির সমস্ত পাইলট তাদের টাকাটা এরপর থেকে তুলতে পারে তার জন্য ব্যাংকে আসা দরকার হয়না। সবার সঙ্গে এত কনফিডেন্স এর সঙ্গে কথা বলতে ওকে দেখে কেউ বুঝতে পারত না ও একটা পাইলট না। মাত্র ১৬ বছরের একটা বাচ্চা এবার ফ্রেন্ড যখন তা চেক বানানোর জন্য এরপর পৌঁছায় তখন ওখানে থাকা একটা রিসেপশনিস্ট ওকে জিজ্ঞেস করে আপনি কি সেই পাইলট জার্মানি যাওয়ার কথা আছে। আর ফ্রেন্ড সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেয় আর তারপর একটা প্লেনের পাইলট এর কেবিন এর পেছনে বসে ওখান থেকে ফ্রিতে মায়ামি চলে যায় আর এইভাবে একবার ফ্রিতে প্লেন চড়ার পর সেই ব্যাপারটা খুব ভালো লাগে আর তারপরেই একই প্রসেসে ও প্লেনে করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ায় আর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যাওয়ার পর সেখানে কোম্পানির পেরুল সাহায্যে টাকা তুলতে শুরু করে এবং বেশি পরিমাণ টাকা তুলে ফেলেছে। যে চলে গেছে আরএইচ প্রধান দায়িত্বে রয়েছেন কাল সিনেমার শুরুতে দেখানো হয়েছে এবার নকল করতে করতেই হোটেলে পৌঁছে যায় যেখানে রয়েছে। আর আস্তে আস্তে রুমের মধ্যে ঢুকে উঠে বাইরে বেরিয়ে ছিল ওখান থেকে বেরিয়ে এসে বলে তুমি অনেক দেরি করে ফেলেছি। আমি একটু আগে ধরে ফেলেছি।

এটা শোনার পর আইডি দেখতে চাই নিজের বউকে দিয়ে দেয় এতটাই কনফিডেন্ট ছিল দেখ না ওর কাছে ওর আইডিতে দেখতে চাই আর কাউকে জানায় টাইপরাইটার গুলোকে নিজের গাড়িতে যাচ্ছে। আর ততক্ষণ তুমি রুমের মধ্যে দাঁড়াও আমি চাইনা এই হোটেলের ওয়েটার এসে জিনিসপত্র রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ওর আইডিটা খুলে দেখতে লাগে। যখন একটা খুলে দেখে তখনও পুরোপুরি চমকে যায় এর মধ্যে কোন আইডি তো দূরের কথা একটা কাগজের টুকরো আশা ছিল যেটা দেখেও বুঝতে পারে বলে বোকা বানানো হয়েছে আর ততক্ষণে ফ্রেন্ড ওখান থেকে পালিয়ে গেছিল। এবারকার ইনভেস্টিগেশন করে জানতে পারে ফ্রেন্ড একটা বাচ্চা ছেলে আর ওর এখনো ১৮ বছর বয়স হয়নি। সেজন্য কাল তার পুরো টিমকে নিয়ে এটা করতে লাগে যে গত কয়েকমাসে নিউইয়র্ক শহর থেকে কতগুলো বাচ্চা তাদের ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

আর এইভাবে খোঁজ করতে করতে গার্লফ্রেন্ডের মার কাছে পৌঁছে যায় না এখন নতুন করে বিয়ে করে একটা আলাদা সংসার করছে। ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলতে বলতে কাল সকালে ফ্রেন্ডের একটা ছবি দেখতে পায় আর ওই ছবিটা দেখে কাজ পুরোপুরি ভাবে চিনতে পেরে এবার এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর একটা দরকারি ছিল। হসপিটালে যায় ওখানের একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয় আর ওই মেয়েটাকে খুব ভালো লেগেছে। এবার ঠিক করে নিজের পাইলটের প্রফেশন চেঞ্জ করে ডাক্তার হয়ে যাবে সেজন্য কলেজের নকল সার্টিফিকেট বের করে নার্সিংহোমে সিঙ্গার সার্জেন্ট পদে যুক্ত হয়ে যায় ওখানে জয়েন করার পর একটা এমারজেন্সি অ্যাক্সিডেন্টের ওখানে ভর্তি হয়। তখন তার দুটো জুনিয়ার ডাক্তারের সঙ্গে সন্তাকে দেখতে চাই কিন্তু তাকে দেখার পর এটা বুঝতে পারছিল না। কি করা উচিত সে জন্যও জুনিয়র ডাক্তারদের কে জিজ্ঞেস করে তোমাদের কি মনে হয় এখন কি করা উচিত যেটা শুনে মনে হচ্ছিল হয়তো কোন রকম ভাবে ওদেরকে পরীক্ষা করছে।

তখন ওই ডাক্তার দুটো কনফিডেন্টলি ফ্রাঙ্কের কথার উত্তর দেয় যেটা শুনে ফ্রেন্ড বলে আমার এখানে থাকার দরকার নেই তোমরা দুজনেই ব্যাপারটাকে সামলে নিতে পারবে আর এটা বলে ওখান থেকে বেরিয়ে যায় আর অন্যদিকে দেখা যায় ব্র্যান্ডের মধ্যে একটা গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে আর ওরা দুজন নিজেদের মধ্যে বিয়ে করতে চাই। সেজন্য ফ্রেন্ড ঠিক করে ব্র্যান্ড বাবার সঙ্গে বিয়ের ব্যাপারে কথা বলবে আর ব্র্যান্ডের বাবার সঙ্গে কথা বলার সময় জানতে পারে ওর বাবা খুব বড় নামকরা একজন বাবার সাথে কথা বলার সময় ফ্রেন্ড বেশ কয়েকটা মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু বাবা সেগুলো বুঝতে পারে যদিও পরে ওর বাবার সঙ্গে সমস্ত সত্যি কথাগুলো বলে দেয় আর সততার কনফিডেন্স দেখে ওর বাবা এই বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। আর অন্যদিকে দেখা যায় ফ্রেন্ড এর খোঁজ করতে করতে ওর বাবার কাছে পৌঁছে গেছে কিন্তু ওর বাবা কোন রকমে নিজের ছেলের খবর কালকে দিতে চায় না তখন কাল ওখানে ফ্রেন্ড লেখা একটা চিঠি দেখতে পায়। আর ওই চিঠির পিছন থেকে অ্যাড্রেসটা লিখে নিয়ে গার্লফ্রেন্ড খুঁজতে চলে যায় কিন্তু ঐ ঠিকানায় যাওয়ার পর দেখা যায়। ওখানে নেই ওখানে জন্য ডাক্তারি সার্টিফিকেট পড়ে রয়েছে। এবার ক্রিসমাসের দিন কালকে ফোন করে আরো জানায় আমি এখন আত্মসমর্পণ করতে চাই।

২০০৪ সুনামি দূর্যকের উপর তৈরি সিনেমাটি দ্য ইমপসিবেল

সুপারহিট মুভি সত্যি ঘটনার ভিক্তিতে তৈরি টাইটানিক

কিন্তু গালিটা রাজি হয়না আমি আর কিছুদিনের মধ্যে ধরে ফেলব এবার যেহেতু ফ্রেন্ড কালকে জানিয়েছিল বিয়ে করছে। সেজন্য কাজ নিজের মুখে লাগিয়ে দেয় এটা দেখার লাস্ট দু মাসে কতগুলো বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার ওখান থেকে ঠিকানা যোগাড় করে বিয়ের দিন কাল দোকানে পৌঁছে যায় দূর থেকে

থেকে কালকে দেখতে পেয়ে ফ্রেন্ড ওখান থেকে পালিয়ে যায়। আর ওখান থেকে পালানোর আগে ওপেন ডাকে জানায় আজ থেকে ঠিক দু’দিন পর বোঝেনা ফ্রেন্ডের সঙ্গে মায়ামি এয়ারপোর্টে দেখা করে এবার দুদিন পর প্রেমটাকে আনার জন্য ফ্রেন্ড যখন এয়ারপোর্টে পৌঁছে তখন দূর থেকে দেখতে পায়। সমস্ত এয়ারপোর্টে এফবিআই এজেন্ট ছড়িয়ে রয়েছে সেজন্য ওখান থেকে পালিয়ে আসে কাল ওখানে এয়ারপোর্ট এর সমস্ত সিকিউরিটি অনেক টাইট করে দেয়। যাতে ফ্রেন্ড কোন রকম ভাবেই ওখান থেকে পালিয়ে যেতে না পারে। এদিকে ফ্রেন্ড একটা অন্য মতে নিজের প্রশংসা করে একটা গার্লস কলেজে চলে যায় আর ওখানে গিয়ে জানায় ওপেন এয়ারলাইন্স কোম্পানি থেকে এসেছে। আর এই কলেজ থেকে একটা মেয়েকে কিস করবে যাদেরকে ভবিষ্যতে তোর থেকে আরো স্টেজ বানানো হবে এবার ঐ মেয়েগুলোকে ট্রেনিং দেওয়ার নাম করে কলেজ থেকে এয়ারপোর্টে নিয়ে যায় আর এয়ারপোর্টে ঢোকার পর ফ্যান্টমের মাঝখানে লুকিয়ে থাকে এবার ওরা যখন এয়ারপোর্টের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিল। তখন ওখানে থাকা পুলিশ ওই সুন্দরী মেয়েদের দিকে ছিল।

যে কারণে ওই মেয়েগুলো মাঝখানে লুকিয়ে থেকে খুব সহজেই এয়ারপোর্ট এর মধ্যে ঢুকে যায় ওখান থেকে পালিয়ে ফ্রান্সে চলে আসে। এতদিন ধরে হাত দিয়ে নখ বানানো কিন্তু এক বানানোর জন্য মেশিনের ব্যবহার করছে সেজন্য এখনো তৈরি যেগুলোকে দেখে কোনমতেই এটা বোঝা সম্ভব না। কোনটা আসল কোনটা নকল এফবিআইয়ের কাছে খবর আসে আবার নতুন করে লাইক বাড়াতে শুরু করেছে। এবার গার্লফ্রেন্ডকে তৈরি হয়েছে গুলোকে এক্সপার্ট দের কাছ থেকে পরীক্ষা করে আর ওখান থেকে কাল জানতে পারে ফ্রেন্ডগুলো মেশিনে তৈরি করা হয়েছে সেজন্যই এগুলো এতটা পারফেক্ট তৈরি করার। এই মেশিনগুলো ইউরোপিয়ান কান্ট্রি ফ্রান্স-জার্মানি ইংল্যান্ডের মনে পড়ে যায় ফ্রান্সের একটা ছোট্ট গ্রামে থাকতো ধরার জন্য কাল সাড়ে সাতটায় চলে যায় আর ওখানে ও ফ্রেন্ড কে খুজে পায় কাল যখন

এ নিয়ে নেয় এবার এখান থেকে পুরো ঘটনা যেটা এতক্ষণ ধরে ফ্ল্যাশব্যাকে চলছিল। সেটা আবার প্রেসেন্ট -ডে চলে আসে তবে দেখা যায় গার্লফ্রেন্ডকে ওইদিন থেকে ছাড়িয়ে ট্রেনে করে আমেরিকায় নিয়ে আসছে। আর প্লেনে আসতে আসতে কাউকে জানায় ফ্রাঙ্কের বাবা এখন আর বেঁচে নেই উনি একটা অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে এটা জানার পর ব্যাংকের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায় আরও প্লেনের বাথরুমের মধ্যে ঢুকে কান্নাকাটি করতে শুরু করে এবার দেখা যায় অনেকক্ষণ হয়ে গেল কিন্তু এখনো বাথরুম থেকে বাইরে বেরোই নি।

এদিকে প্লেনটা ল্যান্ড করার সময় হয়ে গেছে বাইরে থেকে অনেক ডাকাডাকি করার পরও ভেতর থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য কাল বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায় ভেতরে ঢোকার পর দেখা যায় ওখানে নেই বাথরুমে স্কুলে ওখান থেকে পালিয়ে গেছে। প্লেনটা ল্যান্ড করার পর একটু সাথে সাথে ও ওই প্লেন থেকে বেরিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে পালিয়ে যায়। আর ওখান থেকে পালিয়ে ও সোজা নিজের মার সঙ্গে দেখা করতে আসে কিন্তু ওখানে আসার পরও দেখতে পায় নতুন বিয়ে করেছে আর ওনার একটা বাচ্চা ও রয়েছে ফ্রেন্ড যখন ওই বাড়ির বাইরে থাকে সেগুলো দেখছিল। তখন কাল ওখানে চলে যাও কে এরেস্ট করার জন্য এবার পিছন দিক থেকে কালকে দেখার পরেও পালানোর চেষ্টা করে না ও এখন মানসিকভাবে খুবই একা হয়ে গেছে ওর বাবা মারা গেছে আর ওর মা এখন নতুন করে নিজের সংসার শুরু করেছে।

এবার ফ্রেন্ডকে কোটা নিয়ে যাওয়ার পর সমস্ত অপরাধের জন্য ওকে 12 বছরের জন্য জেলে পাঠানো হয়। এবং জেলে থাকাকালীন কালেক্টিং সঙ্গে দেখা করতে আসে আর কথায় কথায় ফ্রেন্ড কে জানে এখনও একটা নতুন ছেলের আসামীকে ধরতে যাচ্ছে আর এটা শোনার পর ফ্রেন্ড এর কাছ থেকে একটা দেখতে চাই আর ওইটা দেখার সঙ্গে সঙ্গে ওই জায়গায় বসে কালকে সম্পর্কে সমস্ত ইনফরমেশন দিয়ে দেয় আর এটা দেখার পর কালকের উপরে প্রচন্ড ইমপ্রেস হয়। এরপর থেকে গার্লফ্রেন্ডের কাছ থেকে মাঝে মাঝেই নকল চেক সম্পর্কে ইনফরমেশন নিতে শুরু করে চেক সম্পর্কে এত নলেজ দেখে কাল সরকারের কাছে আবেদন করেন জাতীয় পার্টির সমস্ত শাস্তি মাফ করে। ওকে এলেকশন ডিপার্টমেন্টে জয়েন করানো হয় এরপর থেকে ফ্রেন্ড এর ডিপার্টমেন্টে কাজ করতে শুরু করে কিন্তু এখানেও খুব একটা মন ছিল না।

এই কাজটা খুব একটা ভালো লাগছিল না সেজন্য হঠাৎ করে একদিন একটা পাইলটের ইউনিফর্ম পড়ে এয়ারপোর্ট চলে যায়। আর ওর পেছন পেছন ওখানে কাল চলে আসে কাউকে জানায় আজ আমি তোমাকে আটকাতে আসিনি আমি জানি আজ থেকে দুদিন পরে তুমি ঠিক আবার অফিসে ফিরে আসবে আর দুদিন পর ঠিক তেমনটাই হয়। নিজে থেকেই অফিসে ফিরে আসে আর এই পুরো সিনেমা জুড়ে গার্লফ্রেন্ডকে একটা প্রশ্ন অনেকবার জিজ্ঞেস করেছিল যার উত্তর এখনো দেয়নি আর এখন সিনেমার শেষে এসে কাল যে প্রশ্নটা আবার ফ্রেন্ড কে জিজ্ঞেস করে আর সেটা হলো তুমি ইউ সি এন এর এন্ট্রান্স এক্সাম কিভাবে পাশ করলে এটা এন্ট্রান্স এক্সাম যেটা খুবই কঠিন হয়।

কাল কে বলে তুমি কি চিটিং করেছিলে নাকি তোমার জায়গায় অন্য কেউ পরীক্ষা দিয়েছে তখন ফ্রেন্ড কে জানায় ও মাত্র দু সপ্তা পড়াশোনা করে এই এক্সামটা পাস করে গেছে আর ব্যাংকের এই কথাটা শুনে বোঝা যায় সাথে সাথে ও প্রচন্ড ইন্টেলিজেন্ট ছিল আর এখানেই সিনেমার গল্পটা শেষ হয় লাস্টে এটা দেখানো হয় আজ ২৬ বছর হল ফ্রেন্ডের বিয়ে হয়ে গেছে আর ওর তিনটে ছেলে রয়েছে আর কালার ফ্রেন্ড একসাথে আমেরিকার বহু চেক ইন করেছে আর সরকারের অনেক টাকা বাঁচিয়ে দিয়েছে আজকের মতন এখানে।

আজ শেষ কথা


ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান গল্পটি কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন আরো নুতন নুতন আটিক্যাল এর জন্য আমাদের ওয়েবসাইট টি ফ্লো করুণ – ধন্যবাদ

Leave a Reply

%d bloggers like this: