ফরেস্ট গাম্প সম্পূর্ণ গল্প বাংলাতে সংক্ষপে আলোচনা করেছি | Forrest Gump Movie Story in Bengali 2022

আজ কে আমরা হলিউড মুভি ফরেস্ট গাম্প বাংলাতে অনুবাদ করতে চলেছি। যত টা সম্ভব ছোট ভাবে তোমাদের জানাব।

Forrest Gump story , Forrest Gump plot Timeline , Forrest Gump Cast Now
Forrest Gump

গল্পের আরামভতে দেখতে পাই, ফরেস্ট গাম্প নামে একটা লোক বাসস্ট্যান্ডে বসে পাশের অপেক্ষা করছে। এখানে দেখে বোঝা যাচ্ছিল ফরেস্ট একটু সাদাসিধে বোকা প্রকৃতির মানুষ ছিল এবার কিছুক্ষণ পর ওই বাসস্ট্যান্ডে ওর পাশেই অন্য একটা মহিলা এসে বসে। যে একটা সাদা রঙের জুতো ছিল উনার পায়ের জুতোটা দেখে ফরেস্টের খুবই পছন্দ হয়। আরো বলতে শুরু করে আপনার পায়ের এই জুতোটা খুবই সুন্দর যদি আমার কাছে এমন একটা জুতো থাকতো আর এটা বলেই ফরেস্ট নিজের ছোটবেলার কথা মনে করতে শুরু করে আর এখান থেকে পুরো ঘটনা ফরেস্টের ছোটবেলার অতীতে চলে যায়। দেখা যায় ছোটবেলার ফরেস্টের পায়ের হাড় ভাঙ্গা ছিল আর সেটা সোজা করার জন্য একজন ডাক্তার ফরেস্টের পায়ে লোহার রড লাগানো এক ধরনের বিশেষ জুতো পড়াচ্ছে কিন্তু এই বিশেষ জুতোটা পরার পর থেকেই রাস্তায় ঠিক ভাবে চলাফেরা করতে ফরেস্টের খুবই অসুবিধা হচ্ছিল। এবার ডাক্তার-খানা থেকে ফেরার সময় ফরেস্টের মা ওকে বলে তুমি কখনোই নিজেকে ছোট মনে করবে না সৃষ্টিকর্তা যদি সবাইকে একই রকম বানাতেন তাহলে আজকে তোমাকে পাই এই জুতোটা পরে ঘুরতে হতো না এবার এই ঘটনার কিছুদিন পর ফরেস্টের মা ওকে স্কুলে ভর্তি করার জন্য নিয়ে যায়।

কিন্তু এখানে দেখা যায় ফরেস্টের আইকিউ লেভেল খুবই কম ছিল মানে যে কোন সাধারণ বাচ্চা থেকে অনেকটা বেশি বোকা ছিল। যে কারনে এই স্কুলের প্রিন্সিপাল ওকে কোনভাবেই এই স্কুলে ভর্তি করতে রাজি ছিল না কিন্তু ফরেস্টের মা ওকে কোনরকম ভাবে এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার ব্যবস্থা করে দেয় যদিও এই কাজের জন্য ওর মাকে ওই স্কুলের প্রিন্সিপালের সাথে ঘর শেয়ার করতে হয়েছি। ফরেস্টের বাবা ছিল না সেজন্য ওর বাড়িতে শুধুমাত্র ও আর ওর মা থাকতো আর ওর মা ইনকামের জন্য নিজেদের বাড়িটাকে গেস্টহাউস হিসেবে ভাড়া দিতো যে কারনে মাঝে মধ্যেই ওদের বাড়িতে অনেক লোকজন যাওয়া-আসা করতো। একদিন ওদের বাড়িতে খুবই নামকরা একটা গায়ক আছে ওই গায়ক গিটার বাজিয়ে গান করছিলো আর ফরেস্ট ওনার সামনের নাচ করার চেষ্টা করছিলো কিন্তু যেহেতু ফরেস্টের পায়ে লোহার রড লাগানো জুতো পড়ানো ছিল সেজন্য ও খুবই অদ্ভুত ভাবে নাচ করছিল কিন্তু ফরেস্টের এই অদ্ভুত নাচের স্টেপ গুলো খুবই পছন্দ হয়। এবার কিছুদিন পর ফরেস্ট আর তার মা যখন বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল তখন রাস্তার ধারে একটা দোকানের টিভির মধ্যে সেই সিঙ্গারা গান করছে যে কিছুদিন আগে ওদের বাড়িতে এসেছিল আর সেদিন ফরেস্ট যেরকম ভাবে নাচ করছিল এখন সেই সিঙ্গারা স্টেজের উপরে একইরকমভাবে নাচ করছিল।

সেই নাচের স্টেপ সমস্ত দর্শকরা খুবই পছন্দ করে এবার এই ঘটনার কিছুদিন পর ফরেস্ট প্রথমবারের জন্য স্কুলে যায় কিন্তু স্কুল বাসে ওঠার পর কোন বাছারা নিজেদের পাশে বসতে দিচ্ছিল না এবার পুরো বাসের মধ্যে ঘোরাঘুরি করার পর শেষ অব্দি জেনি নামের একটা মেয়ে ফরেস্ট কে পাশে বসতে দেয় আর এইভাবে ফরেস্ট জেনির মধ্যে আসতে আসতে বেশ ভাল বন্ধুত্ব হয়ে যায। ফরেস্টের মায়ের পরে এটাই ছিল প্রথম কেউ যার সাথে ওর এত ভালো বন্ধুত্ব হয়েছিল এবার মাঝেমধ্যেই ফরেস্ট আর যে নিজেদের মধ্যে গল্প করতো আর এদিক ওদিক ঘোরাঘুরির করতো আর ওরা নিজেদের বেশিরভাগ সময়টাই একটা বড় গাছ তলায় কাটাত। এবার একদিন এরা দুজন যখন নিজেদের মধ্যে গল্প করছিল তখনই ওখানে হঠাৎ করে বেশ কিছু বাচ্চা ছেলে চলে এসে ফরেস্টের গায়ে পাথর ছুড়ে মারতে শুরু করে যেটা দেখে জেনি থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ওরা কোনোভাবেই ছাড়তে চাইছিল না আর ফরেস্ট এতটাই বোকা ছিল যে এত মার খাওয়ার পরেও ও ওখানে চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলো এবার এটা দেখতে পেয়ে জেনি ফরেস্ট কে ওখান থেকে ছুটে পালিয়ে যেতে বলে ও জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকে রান রান এই কথাটা শুনে ফরেস্ট ওখান থেকে ছুটে পালানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু যেহেতু ওর পায়ের সেই বিশেষ রড লাগানো জুতো পড়ানো ছিল সেজন্য খুব ভালোভাবে দৌড়াতে পারছিল না আর এতক্ষণে ওই ছেলেগুলো নিজেদের সাইকেল নিয়ে ফরেস্ট কে তাড়া করে। এবার দেখা যায় আস্তে আস্তে ফরেস্টের দৌড়ানোর গতি বেগ বাড়তে শুরু করেছে যার ফলে ওর পায়ের জুতো লাগানো লোহার রড গুলো খুলে মাটিতে পড়ে যেতে শুরু করেছে আস্তে আস্তে

ফরেস্ট ওখান থেকে এত জোরে দৌড়াতে শুরু করে যে ওই ছেলেগুলো নিজেদের সাইকেল নিয়ে ওকে ধরতে পারছিল না এমনকি ফরেস্ট নিজেও জানতোও না যে ও এত জোরে দৌড়াতে পারে আসলে এটাই ছিল ওর জীবনের প্রথম দৌড় এই ঘটনার কিছুদিন পর দেখা যায়। জেনির মা মারা গেছে ওর বাবা ওকে ফিজিক্যাল ইউজ কর। যে কারণে পুলিশ ওকে ওর দিদার বাড়িতে রেখে যায় ফরেস্ট এর বাড়ির কাছে ছিল জেনির দিদার বাড়ি সেজন্য জেনি মাঝে-মাঝেই রাতের বেলায় ফরেস্টের বাড়ি চলে যে। আর এই ভাবেই ফরেস্ট আস্তে আস্তে জেনিকে পছন্দ করতে শুরু করে আসলে যে জেনি ছিল একমাত্র বন্ধু এবার এই ঘটনার বেশ কিছু বছর পর দেখা যায় এরা দুজনেই বড় হয়ে গেছে আর এখন এদের স্কুল শেষ হয়ে গেছে কিন্তু এখনো বাকি বাচ্চারা ফরেস্ট কে বিরক্ত করতো ছোটবেলায় যে তিনটে বাচ্চা ওকে পাথর মেরে ছিল এখন সেই তিনটে বাচ্চা আবার এখানে এসে ফরেস্ট কে মারার চেষ্টা করে যেটা দেখে জেনি আবারো ফরেস্ট কে ওখান থেকে পালিয়ে যেতে বলে আর ফরেস্ট জেনির কথা মতন ঠিক তেমনটাই করে আরো জরে জরে ছুটে পালাতে পালাতে পাশের একটা মাঠে চলে আসে যেখানে আমেরিকান ফুটবল খেলা হচ্ছিল এখানে ফরেস্টের দৌড়ানোর গতি বেগ এতটাই বেশি ছিলো যে ওই মাঠে থাকা সমস্ত খেলোয়াড়দের কে ও খুব সহজেই পিছনে ফেলে দেয় এবার ওখানে মাঠের পাশেই বসেছিলেন আর ওখানে ফরেস্ট কে অত জোরে দৌড়াতে দেখে আমার খুবই পছন্দ হয়। যে কারণে ঐকচ ফরেস্ট কে ওদের কলেজের ফুটবল-টিমে ভর্তি করে নেয়।

কিন্তু এই কাজের জন্য ফরেস্ট কে কলেজে ভর্তি হতে হয়েছিল যদিও ফরেস্ট পড়াশোনায় একদমই ভালো ছিল না কিন্তু এই খেলার জন্য কলেজে ভর্তি হওয়ার একটা সুযোগ পেয়ে যায় কিন্তু যে খেলার জন্য কলেজে ভর্তি হয়েছিল সেই খেলার কোন নিয়মই জানতো না ওকে শুধু এটুকুই বলা হয়েছিল যখনই ওর হাতে বল দেওয়া হবে ও যেন জোরে জোরে সামনের দিকে ছুটে যায় এরপর ওর টিমের প্লেয়ার ওর হাতে বল দিয়ে ওকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলতো আর ফরেস্ট ওদের কথা মত ঠিক তেমনটাই কর। কোন কিছু না বুঝেই সামনের দিকে এগিয়ে যেত এমনকি মাঝেমধ্যে কিছুই বুঝতে না পেরে ওই স্টেডিয়াম থেকে বাইরে বেরিয়ে যে। বোকা ছিল ঠিকই কিন্তু ওর জন্য প্রত্যেকটা ম্যাচ জিতে ফেলে যে কারণে ওকে অল আমেরিকান ফুটবল টিমে ভর্তি করে নেওয়া হয়। আর সেই একই সাথে ফরেস্ট এখন সমস্ত লোকজনের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছিল এবার এইভাবে পাঁচ বছর ধরে ফুটবল খেলে গ্রাজুয়েট কমপ্লিট করে। আর এখন ওকে কলেজ থেকে একটা গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেট দেওয়া হয় এবার যেদিন ফরেস্ট গ্রাজুয়েট হয়েছিল সেদিন ওদের কলেজে একজন আর্মি অফিসার আসেন আর উনি ওখানে বাকি সমস্ত স্টুডেন্ট এর মতন ফরেস্ট কেউ আর্মিতে ভর্তি হওয়ার অফার দেন আর ফরেস্ট উনার এই অফারের রাজি হয়ে যায। এবার আর্মিতে ভর্তি হওয়ার আগে

একবার জেনির সঙ্গে দেখা করে আর ওরা দুজন নিজেদের মধ্যে বেশ অনেকক্ষণ গল্প করে জেনি ওকে জানায় ও একজন বড় সিঙ্গার হতে চাই ফরেস্ট এখানে জেনি কে খুবই ভালবাসত কিন্তু জেনি ওকে শুধুমাত্র নিজের বন্ধুর চোখে দেখত এবার এই ঘটনার কিছুদিন পর ফরেস্ট আর্মিতে ভর্তি হয়ে যায। তাকে নিয়ে যায়ার জন্য একটা বাসা আসে এবার বাসসে উঠার পর ওর সাথে ঠিক সেই ঘটনাগুলো ঘটে যেগুলো স্কুলের প্রথম দিনে ঘটেছিল এখানে বাসের মধ্যে কেউই ওকে নিজের পাশে বসতে দিচ্ছিলো ন। কিন্তু শেষ অব্দি বুবা নামের একটা লোক ফরেস্ট কে নিজের পাশে বসতে দেয়। এখানে দেখা যায় অনেকটা ফরেস্ট এর মতনই বোকা ছিল এবার বুবা বলে আমি চিংড়ি মাছ ধরতে চেয়েছিলাম আমি নিজের একটা বোট কিনে সেটা নিয়ে সমুদ্র থেকে চিংড়ি মাছ ধরে সে গুলোকে বিক্রি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তার আগেই আমি আর্মিতে ভর্তি হয়ে যায় আসলে আমার মা তার মা তার মা তারা সবাই চিংড়ি ধরতো। আর আমিও তাদের মতন চিংড়ির কাজ করতে চাই আসলে বুবার মাথার মধ্যে সবসময় চিংড়ি কোথায় ঘুরতো যখন নিজের মুখ খুলত তখন শুধুমাত্র চিংড়ির কোথায় বলতো। এবার দেখা যায় কিছুদিন পরেই ফরেস্ট আর বাকি সবার আর্মি ট্রেনিং শুরু হয়ে গেছে যেখানে এদের সবাইকে বন্দুক অ্যাসেম্বল করার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল কিন্তু ফরেস্ট ওখানে খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই সবার আগে ওর বন্ধুটাকে অসম্বল করে ফেলে যেটা দেখে ওদের ট্রেনিং অফিসে খুবই অবাক হয়ে যায় উনি বলেন তুমি এত তাড়াতাড়ি এই বন্ধুটাকে এসসিম্বলে করলে কিভাবে এর আগে এত কম সময়ের মধ্যে এই কাজটা কেউই করতে পারিনি।

আমার ধারনা তুমি নিশ্চয়ই খুবই বড়ো একজন বুদ্ধিমান মানুষ এবার এই আর্মি ক্যাম্পে আসার পর থেকেই ফরেস্ট নিজের মা জেনিকে খুবই মিস করত। একদিন রাতে শুয়ে পড়ার পর ফরেস্টের পাশে থাকা একটা ছেলে ওকে একটা ম্যাগাজিন দেয় যার মধ্যে জেনির কিছু নিউড ফটো ছিল আর এই ফটোর জন্যই জেনি কে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এবার ফরেস্ট একটু খোঁজ নিয়ে জানতে পারে যে জেনি এখন একটা থিয়েটারে কাজ করে এবার নিজের আর্মি ক্যাম্প থেকে ছুটি পাওয়ার পর ফরেস্ট সরাসরি জেনির সঙ্গে দেখা করতে চলে আসে কিন্তু ওই থিয়েটারে ঢুকে ফরেস্ট দেখতে পায়। জেনি নেকেড অবস্থায় গান করছে আর স্টেজ এর নিচ থেকে বেশ কিছু লোক ওকে বিরক্ত করার চেষ্টা করছে যেটা দেখে ফরেস্ট ওই লোকগুলো সরিয়ে জেনিকে ওখান থেকে তুলে নিয়ে আসে কিন্তু ওই থিয়েটার থেকে বাইরে বেরোনোর পর জেনি ফরেস্ট এর উপরে খুবই রেগে যায় কারণ একটু আগে ওই ঘটনার জন্য এখন ওকে চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছি। এবার যিনি ওকে বলে তুমি প্রত্যেকবার আমাকে বাঁচাতে পারবেনা ফরেস্ট।

আসলে জেনি অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ভুল রাস্তায় গিয়ে নিজের জীবনটাকে পুরোপুরি শেষ করে ফেলে ছিল এবার কিছুক্ষণের মধ্যেই রাস্তা থেকে আসা একটা অচেনা গাড়িতে হাত দেখিয়ে জেনি সেটাতে উঠে পড়ে কিন্তু জেনি ওখান থেকে চলে যাওয়ার আগেই ফরেস্ট তাকে বলে কিছুদিন পর আমাকে আর্মি তরফ থেকে ভিয়েতনাম পাঠিয়ে দেওয়া হবে তখন যিনি ওকে বলে শোনো তুমি আমাকে একটা কথা দাও তুমি সব সময় সাবধানে থাকবে আর যখনই তুমি কোন বিপদে পড়বে তুমি কোনোরকম লড়াই না করে ওখান থেকে ছুটে পালিয়ে আসার চেষ্টা করবে পরে ঠিক আছে আমি ঠিক তেমনটাই করবো আর এই কথা বলার পরে জেনি ওর সামনে থেকে চলে যায়। এবার এই ঘটনার কিছুদিন পর ফরেস্ট আর বাকি সৈনিককে ভিয়েতনাম পাঠিয়ে দেওয়া হয় কিন্তু ওখানে এদের আর্মি ক্যাম্পের পাশে একটা সমুদ্র ছিল যেটা দেখে বলতে শুরু করে এই সমুদ্রের নিশ্চয়ই অনেক চিংড়ি আছে আমার মনে হয় এখানকার লোকজন অনেক চিংড়ির ব্যবসা করে কিন্তু এই জায়গাটাকে দখল করার পর আমরা এখানে চিংড়ির ব্যবসা করব এবার এই ক্যাম্পে এদের সবার অফিসার ইনচার্জ ছিলেন লেফটেন্যান্ড পরিবারের একটা পুরানো পরম্পরা ছিল উনার পরিবারের কেউ না কেউ আমেরিকার যুদ্ধের নিজেদের জীবন দিয়েছে ভিয়েতনামের দিনগুলো বেশ ভালই কাটছিল এখানে তেমন কোনো কাজ ছিল ন।

আর এখানে সুযোগ পেলেই ফরেস্ট জেনিকে চিঠি লিখত এবার একদিন প্রচন্ড বৃষ্টির রাতে বুবা ফরেস্ট কে প্রশ্ন করে আচ্ছা আর্মি থেকে বেরোনোর পর তুমি কি আমার সাথে আমার চিংড়ির বোর্টের পার্টনার হবে যেটা শুনে ফরেস্ট বলে আইডিয়া টা তো বেশ ভালই এখান থেকে বেরিয়ে আমি তোমার সাথে এই কাজটাই করব। এই ভাবে ওখানে ওদের দিন গুলো বেশ ভালই কাটছিল কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই ফরেস্টদেড় দলের ওপর শত্রুর আক্রমণ করে দেয় এখানে অবস্থা খারাপ দেখে লেফটিনেন্ট সবাইকে ওখান থেকে পালিয়ে যেতে বলেন আর ওখানে বাকি সবার সাথে ফরেস্ট ছুটে পালাতে শুরু করে আর দৌড়াতে দৌড়াতেই ওর কথা মনে পড়ে যায় জেনি ওকে যেমনটা বলেছিল এখনো ঠিক তেমনটাই করতে থাকে জেনি ওকে বলেছিল যখনই কোনো বিপদ আসবে তুমি সেখান থেকে ছুটে পালাবে। আর এখনো ঠিক এগোতে থাকে এবার বেশ অনেকক্ষণ ধরে অনেকটা দূরে ছুটে পালানোর পর খেয়াল করে ওর বেস্টফ্রেন্ড বুবা ওর কাছে নেই তখন বুবা কে আনার জন্যে ও আবার পিছন দিকে আসতে শুরু করে কিন্তু রাস্তায় যেতে যেতে একজন সৈনিক কে আহত অবস্থায় দেখতে পায় আর তখন তাকে নিজের কাঁধে তুলে একটা সুরক্ষিত জায়গায় রেখে দেয় এরপর আবারও বুবা কে আনতে যায় কিন্তু তখনও রাস্তায় অন্নকে আহত অবস্থায় দেখতে পায় আর তাকে ওখান থেকে তুলে সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে আসে এই ভাবেও যতবারই বুবা কে বাঁচানোর জন্য এগোচ্ছিল ততোবারই ও রাস্তার মধ্যে কাউকে না কাউকে আহত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছিল আর তারা প্রত্যেকেই ফরেস্ট এর কাছে সাহায্য চাই ছিল আর এইভাবে কিছুক্ষণের মধ্যে রাস্তায় আহত অবস্থায় লেফটেনেন্ট কে খুঁজে পায় অনেকে আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে ছিলেন ফরেস্ট উনাকে ওখান থেকে তুলে সুরক্ষিত জায়গা নিয়ে আনতে শুরু করে কিন্তু তিনি বলেন তুমি আমাকে এখানে রেখে দাও আমি নিজের পরিবারের বাকি সবার মতন এই যুদ্ধে শহীদ হতে চাই।

কিন্তু ফরেস্ট তার কোন কথা শুনতে চাই ছিল না এইভাবে অনেকের জীবন বাঁচানোর পর শেষ অব্দি ফরেস্ট বুবা কে খুঁজে পায় কিন্তু দেখা যায় শারীরিক অবস্থা এখন খুবই খারাপ হয়ে গেছে আর ওকে সুরক্ষিত জায়গায় আনার সাথে সাথে ওর চোখের সামনে মারা যায় যে কারণে ফরেস্টের খুবই মন খারাপ হয়ে গেছিলো এবার এই ঘটনায় ফরেস্টের গায়ে একটা গুলি লেগেছিল যে কারণে বাকি সমস্ত সৈনিকদের সঙ্গে ও হসপিটালে ভর্তি ছিল আর এখানে হসপিটালে ফরেস্টের পাশের বেডে লেফট্যেন্ড ভর্তি ছিলেন দেখা যায় ওনার দুটো পা কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে যে কারণে এখন উনি ফরেস্ট এর উপরে খুবই রেগে ছিলেন। কারণ উনি ওই শহীদ হতে চেয়েছিলেন উনি কখনোই এই ভাবে বেঁচে থাকতে চান নি কিন্তু এখন ফরেস্ট এর জন্য তাকে নিজের পা ছাড়া সারাটা জীবন এভাবেই বেঁচে থাকতে হবে। এবার এই ঘটনার বেশ কিছুদিন পর ফরেস্ট খেয়াল করে ওই হসপিটাল এর মধ্যে বেশকিছু সৈনিক পিংপং খেলছিল এই খেলাটা দেখতে ফরেস্টের খুবই ভালো লাগছিল তখন ওদের মধ্যে থেকে একজন ফরেস্ট কে বলে তুমিও চাইলে এই খেলাটা খেলতে পারো এটা খুবই সহজ একটা খেলা তোমাকে শুধু সবসময়ের জন্য এই বলের ওপরে নিজের নজর রাখতে হব। এরপর থেকেই ফরেস্ট পিংপং খেলতে শুরু করে আরো খুব সহজেই এই খেলাটা শিখে যায় আর এই খেলাটা এতটাই ভাল লেগেছিল যে ও সারা দিন ধরেই পিংপং খেলত এবার কিছুদিনের মধ্যেই ফরেস্ট এত ভালো খেলা শিখে গেছিল যে ফরেস্ট এর প্রাক্টিস দেখার জন্য ওখানে বাকি সমস্ত সৈনিকদের দল খেলা দেখতে চলে আসে এবার এই ঘটনার কিছু মধ্যে কতগুলো লোকের জীবন বাঁচানোর জন্য ফরেস্ট কে প্রেসিডেন্ট এর তরফ থেকে মেডেল অব অনার দেওয়া হয় যেটা খুবই বড় একটা সম্মান পুরস্কার নিয়ে বাইরে বেরিয়ে একটু ঘোরাঘুরি করার পর ফরেস্ট জেনিকে দেখতে পায।

এখানে জেনি আর ফরেস্ট এত বছর পর একে অপরকে দেখে খুবই খুশি হয় এখানে জেনি সাথে কথা বলে ফরেস্ট জানতে পারে ওর অবস্থা এখন আগের থেকেও খারাপ হয়ে গেছে ও এখন ড্রাগস এর নেশা করে আর যাযাবরের মতো বিভিন্ন লোকজনের সাথে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায়। আর এরপর জেনি ফরেস্ট কে তার নতুন বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে এবার কথা বলতে বলতে জেনির বয়ফ্রেন্ড হঠাৎ করে জেনির গালে একটা চড় মারে যেটা দেখে ফরেস্ট খুবই রেগে যায় আরো ছুটে গিয়ে যে জেনির ফ্রেন্ড কে মারতে শুরু কর। আর এরপর ফরেস্ট জেনি কে নিয়ে ওখান

থেকে বেরিয়ে সারারাত ধরে শহরের রাস্তায় হাঁটতে শুরু করে এখানে ফরেস্ট জিনিকে তার যুদ্ধের গল্প গুলো শোনাতে থাকে আর জেনি ওকে জানায় এখনো যাযাবরের মতো অনেক পুরুষদের বন্ধু বানিয়েছে আর নিজেকে ভালো রাখার জন্য ড্রাগস এর নেশা করে এবার এইভাবে সারারাত গল্প করার পর ফরেস্ট সকালবেলায় জেনিকে নিজের মেডেল গুলো কে দেখায় ফরেস্ট বলে আমি শুধু তেমনটাই করেছি যেমনটা তুমি আমাকে করতে বলেছিলে এবার এরা দুজন যখন নিজেদের মধ্যে গল্প করছিল। তখন ওখানে যে জেনির র্ফ্রেন্ডের কাছে ক্ষমা চায় এখানে ওই লোকটাকে দেখে ফরেস্ট কোনোভাবেই চাইছিল না জেনি ওর সাথে যাক কিন্তু জেনি এখন ফরেস্ট কে বলে আমাদেরকে আবার আলাদা হতে হবে আমাদের দুজনের জীবনের রাস্তা সম্পূর্ণ আলাদা আর এইসব কথা বলে জেনি আবার ফরেস্ট কে একা রেখে ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথে চলে যায় আর এইভাবে ওরা দুজন আবার আলাদা হয়ে যায়।

এবার এই ঘটনার পর ফরেস্ট মনে করেছিল ওকে হয়তো আবার ফিরে পেতাম ফিরে যেতে হবে কিন্তু এখনো এত ভাল পিংপং খেলা শিখে গেছিল যে ওকে স্পেশাল ফোর্স এ জয়েন করিয়ে নেওয়া হয় আর কিছু বছর পরেই ওকে অল আমেরিকান পিংপং টিমের সিলেট করে নেওয়া হয। আর এখন ওকে নিজের দেশের হয়ে খেলার জন্য চায়নায় পাঠানো হয় আর এখন ও একটা ন্যাশনাল লেভেলের সেলিব্রিটি হয়ে গেছিল যে কারণে সমস্ত লোকজনের মধ্যে ও খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এবার কিছুদিন পর ফরেস্ট শহরের রাস্তায় লেফট্যেন্ড কে দেখতে পায় অল ইন্ডিয়ান ফরেস্ট কে নিজের সাথে নিজের হোটেলে নিয়ে যায় দেখা যায় এখন পুরোপুরি মদের নেশায় ডুবে আছে আর নিজের জীবনটাকে এক রকম ভাবে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে যেহেতু তার দুটো পা কেটে বাদ পড়ে গেছিল সে জন্য নিজের জীবন থেকে পুরোপুরি হার মেনে নিয়েছিল। এবার ফরেস্ট লেফট্যেন্ডকে বলে আমি যখন আর্মি থেকে অবসর করব তখন আমি নিজের একটা বোট কিনব আর ওটা দিয়ে সমুদ্র থেকে চিংড়ি ধরব একসময় আমি বুবা কে কথা দিয়েছিলাম তখন লেফট্যেন্ড একটু হাসতে হাসতে বলেন ঠিক আছে তুমি যদি কখনো বোট কেন তাহলে আমি তোমাকে সাহায্য করার জন্য চলে যাব এবার এই ঘটনার কিছুদিন পরেই ফরেস্ট কে আর্মি থেকে রিটায়ার করিয়ে দেওয়া হয়। আর হওয়ার সাথে সাথে নিজের বাড়ি চলে আসে কিন্তু বেশিদিন বাড়িতে ছিল না কিছুদিন পরেই বুবার বাড়িতে চলে যায় আর বুবার মাকে বলে একসময় আমি বুবাকে কথা দিয়েছিলাম আমি আরো দুজন মিলে একটা চিংড়ি ধরার জন্য বোট কিনব আর এখন সেই কথা রাখার জন্য আমি এখানে এসেছ। তখন বুবার মা বলে তুমি কি পাগল হয়ে গেছো এইসব কাজ করার জন্য এখানে এসেছ এবার দেখা বের হওয়ার পর ফরেস্ট কে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল সেই টাকা দিয়ে ও খুব বড় একটা বোট কিনে নিয়েছে। আর এখন সেটা নিয়েই সারাদিন ধরে সমুদ্রের মধ্যে চিংড়ি ধরার চেষ্টা করে কিন্তু অনেকদিন ধরে দিনরাত চেষ্টা করার পরেও ও একটাও চিংড়ি ধরতে পারছিল না তখন একজন ফরেস্ট কে বলে তুমি নিজের বোটের কোন নাম রাখ নি সে জন্যই তোমার সাথে এসব অশুভ কাজগুলো হচ্ছে তুমি এই বোটের একটা নাম রেখে দাও দেখবে সবকিছু ঠিক হয়ে যাব। আর এরপরেই ফরেস্ট নিজের বোটের নাম রেখে দেয় জেনি কারণ এই নামটা কেই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালবাসত।

forrest gump ship,  forrest gump ship name, bubba gump tom hanks, jenny

আর অন্যদিকে জেনি এখনো প্রচন্ড ভাবে বিপদে ঢুকে গেছে আর জীবন থেকে এক রকম ভাবে হার মেনে নিয়েছে। অনেকবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু শেষ কোন না কোন রকম ভাবে পিছিয়ে আসে এবার একদিন বোট নিয়ে সমুদ্রের মাছ ধরতে যাওয়ার সময় ফরেস্ট সমুদ্রের ধারে লেফট্যেন্ডকে দেখতে পায় বলে আমি তোমাকে কথা দিয়েছিলাম যখন তুমি বোট কিনবে তখন আমি তোমাকে সাহায্য করার জন্য চলে আসব আর এখন আমি নিজের কথা রাখার জন্য এখানে চলে এসেছি। আর এরপর থেকেই ওরা দুজন মিলে চিংড়ি ধরার চেষ্টা করত কিন্তু সারাদিন ধরে হাজার চেষ্টা করার পরেও ওরা একটাও চিংড়ি ধরতে পারতো না এবার একদিন এরা দুজন যখন সমুদ্রের মধ্যে মাছ ধরার চেষ্টা করছিল তখন হঠাৎ করে প্রচন্ড জোরে ঘূর্ণিঝড় চলে আসে যদিও এই ঘটনায় কোন রকম ভাবে বেঁচে যায় কিন্তু সমুদ্রের ধারে বেঁধে রাখা সবকটা নৌকা ঝড়ে ভেঙে যায় আর এখন ওই পুরো এলাকায় শুধুমাত্র একটাই নৌকা বেঁচে ছিল আর সেটা হল ফরেস্টের বোর্ড

এবার যেহেতু এই সমুদ্রে চিংড়ি ধরার জন্য আর কোনো নৌকা ছিল না সেজন্য এখন থেকে সমস্ত চিংড়ি ফরেস্ট ধরছিল আর এইভাবে ওরা এতটাই চিংড়ি ধরতে শুরু করে যে সেই টাকা দিয়ে ওরা আরো অনেকগুলো বোর্ড কিনে ফেল। আর এখন ওদের কাছে 12 টার বেশি বোট ছিল আর ওদের এই কোম্পানির নাম ছিল বুবা গান শিপ করপোরেশন। এবার যেহেতু ফরেস্ট এখন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে সমস্ত অচেনা লোকদেরকে নিজের এই গল্প শোনাচ্ছিল সেজন্য ওর পাশে থেকে অনেক লোকজন যাওয়া আসা করছিল আর এখন ওর পাশে থেকে একটা বয়স্ক লোক ফরেস্ট কে বলে তার মানে তুমি বলতে চাচ্ছ তুমি বাবা গাম শিপ কোম্পানির মালিক ফরেস্ট বলে হ্যাঁ আর এখন আমাদের কাছে এক জন কোটিপতি বসে আছে আর এই কথাটা শুনে ওই লোকটা ওখান থেকে উঠে হাসতে হাসতে চলে যায। আর বলে আমার জীবনে আমি অনেক দেখেছি কিন্তু তোমার মতন কাউকে দেখিনি কিন্তু তখনও ওখানে একজন বয়স্ক মহিলা বসেছিল তখন ফরেস্ট নিজের ব্যাগ থেকে একটা ম্যাগাজিন বের করে ওনাকে দেখায় যেখানে ফরেস্ট আরলিনের একটা ছবি দেওয়া ছিল আর ওদের পিছনে অনেকগুলো বোট ছি। এখান থেকে পুরো গল্প আবার ফ্ল্যাশব্যাকে চলে যায় এবার নিজেদের চিংড়ির ব্যবসাটা বেশ বড় হয়ে যাওয়ার কিছুদিন পর ফরেস্ট জানতে পারে ওর মায়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে সে জন্য সবকিছু ছেড়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি করে নিজের মাকে দেখার জন্য বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই ওর মা মারা যায় যে কারণে ও খুবই কষ্ট পেয়েছিল এখনো জীবনের নিজের বলতে আর কেউ ছিল না এই ঘটনায় ফরেস্ট এতটাই কষ্ট পেয়েছিল যে এখনো আর লেফট্যেন্ড এর কাছে ফিরে যায় না।

এখনো পাশেই একটা ছোটখাটো কাজ করতো এবার কিছুদিন পর ফরেস্ট কে একটা চিঠি পাঠায় যেখানে লেখা ছিল আমি তোমার সমস্ত টাকা অ্যাপেল কোম্পানিতে জমা করেছি তাই আজকের পর থেকে তোমার আর টাকা পয়সার কোন রকম সমস্যা হবে ন। এই চিঠিটা দেখে ফরেস্ট মনে করেছিলেন হয়তো সমস্ত টাকা কোন ফলের কোম্পানিতে লাগিয়েছে কিন্তু আসলে এটা ছিল অ্যাপেল মোবাইল কোম্পানি এবার নিজের এই সমস্ত টাকা থেকে বেশ কিছুটা টাকা ও একটা চার্জ আর একটা হসপিটালে দান করে দেয় আ। তারপর বুবার মাকেও একটা মোটা অংকের টাকা পাঠিয়ে দেয় এখন বুবার মাকে আর লোকের বাড়িতে কাজ করতে হত না কিন্তু নিজের কাছে এত টাকা-পয়সা থাকার পরেও ফরেস্ট পুরোপুরি একা হয়ে গেছিল রোজ রাতেই খোঁজে জেনি কে খুবই মিস করত একদিন সকালে ওর সাথে দেখা করার জন্য হঠাৎ করে ওর বাড়িতে জেনি চলে আসে এখানে জেনিকে দেখে ও খুবই খুশি হয় ফরেস্ট সারা দিন ওর সাথে গল্প করত কথা বলতো আর নিজের সমস্ত সময়টা ওর সাথে কাটাতে কিন্তু জেনি বেশিরভাগ সময় মন খারাপ করে চুপচাপ বসে থাকতো। আসলে ও নিজের পুরনো জীবন নিয়ে খুবই হতাশার মধ্যে ছিল এবার একদিন হঠাৎ করেই ফরেস্ট জেনিকে বলে আচ্ছা তুমি আমাকে বিয়ে করবে তখন জেনি বলে না তুমি আমার থেকে ভালো কাউকে পাবে কথা টা শুনে ফরেস্টের খুবই মন খারাপ হয়ে যায। এবার সেই রাতেই জেনি ফরেস্টের ঘরে আসে আর ওরা দুজনেই নিজেদের মধ্যে খুবই সুন্দর রোমান্টিক একটা সময় কাটায। কিন্তু পরের দিন সকালেই জেনি ফরেস্ট কে কিছু না যে নিয়ে আবার ওখান থেকে চলে যায় যে কারণে ফরেস্টের খুবই মন খারাপ হয়েছে ও খুবই হতাশ হয়ে বাড়ির বাইরে চুপচাপবসেছিল আর বেশ কিছুক্ষন মন খারাপ করে বসে থাকার পর রাতকরে দৌড়াতে ইচ্ছা করে সেজন্য নিজের বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে রাস্তায় জোরে জোরে ছুটতে শুরু করে আর এখন ওর দৌড়াতে এতটাই ভাল লাগছিল যে ও সারা দিন ধরে দৌড়াচ্ছিল দৌড়ানো এখন ওর জীবনের লক্ষ্য হয়ে গেছিল মাসের-পর-মাস একটানা দৌড়ে যাচ্ছিল ও শুধুমাত্র ঘুমানো


খাওয়া আর বাথরুম যাওয়ার জন্যই সে দাঁড়াতো বাদবাকি সব সময় দৌরাত আর এইভাবে এতদিন ধরে দৌড়ানোর ফলে ঐ সমস্ত লোকজনের মধ্যে আবারও খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল আর এখন সমস্ত সংবাদ চ্যানেল ও ওর এই খবরটা টিভিতে দেখাচ্ছিল সবাই মনে করছিল ফরেস্টের দৌড়ানোর পেছনে নিশ্চয়ই কোন উদ্দেশ্য আছ। সেজন্য আস্তে আস্তে রাস্তায় অনেক লোকজন ওর পিছনে ছুটতে শুরু করে কিন্তু ফরেস্ট দৌড়াচ্ছিল কারণ ও দৌঁড়াতে ভাল লাগছিল তাই আর এইভাবে ফরেস্ট তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দৌড়েছিল আর তারপর হঠাৎ করে একদিন নিজের দৌড়ানো হটাৎ করে বন্ধ দেয়। ওখান থেকে নিজের বাড়ি ফিরে আসে বাড়ি ফেরার পর ও জেনির একটা চিঠি পায় যেখানে জেনি ওর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল আর ফরেস্ট এখন জেনির সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার জন্যই এই বাস স্ট্যান্ড এ বসে আছে আর এই বলার পরেই ফরেস্ট নিজের পাশে বসে থাকা সেই মহিলাকে জিনিসে ঠিকানা টা দেখায় যেটা দেখে ওই মহিলা বলেন এখানে যাওয়ার জন্য তোমাকে কোনো রকম বাস ধরতে হবে না এটা তো পাশেই তুমি এখানে হেঁটে চলে যেতে পারবে। আর এই কথা শুনে ফরেস্ট ছুটতে ছুটতেই কাছে চলে যায় ওখানে যাওয়ার পর ফরেস্ট দেখতে পাই জেনির এখন একটা হোটেলে ওয়েটারের কাজ করে আর ওর একটা বাচ্চা ছেলেও আছে।

জেনি বলে আমার ছেলের নাম ফরেস্ট আর আমি ওর বাবার নামটাই ওকে দিয়েছি তখন ফরেস্ট বলে ওর বাবার নাম ফরেস্ট জেনি বলে তুমি ওর বাবা আর আমার শরীরের খুবই ভয়ঙ্কর একটা ভাইরাস আছে যে কারণে আমি আর বেশি দিন বাঁচবো না এটা শুনে ফরেস্ট তোদের দু’জনকেই নিজের সাথে নিজের বাড়ি নিয়ে আসে তখন জেনি ওকে প্রশ্ন করে আচ্ছা তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে তখন ফরেস্ট একটু দেরি না করে বলে হ্যাঁ অবশ্যই করব আর কিছুদিন পরেই ওদের বিয়ে হয় আর ওদের বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখতে এসেছিলেন লেফট্যেন্ড এখন নকল পা লাগিয়ে নিয়েছেন যে কারণে উনি খুব ভালোভাবে হাঁটতে পারছিল। এবার ফরেস্ট জেনির বিয়ের কিছুদিন পরেই জেনি মারা যায় আর ফরেস্ট ওকে সেই গাছের তলায় খবর দিয়েছিল যেখানে ওদের ছোটবেলাটা কেটে ছিল আর এখন ফরেস্টের কাছে ও নিজের বলতে ওর ছেলে ছিল যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতো ফরেস্ট ওকে খেলা শেখায় গল্প শোনায় সমস্ত সময়টা ওর সাথে কাটায় কিন্তু এখানে ফরেস্টের ছেলে মোটেও ওর মতন বোকা ছিল না এবার দেখা যায় ফরেস্ট কবরের কাছে গিয়ে ওর সাথে গল্প করত ওর সাথে কথা বলার চেষ্টা করত আর ওখানে জেনির জন্য খুবই মন খারাপ করে থাক। আসলে ফরেস্ট এখনো জেনিকে খুবই ভালবাসত আর হয়তো নিজের জীবনের শেষ দিন অব্দি জেনিকে এভাবেই ভালবেসে যাবে এবার দেখা যায় ফরেস্ট নিজের ছেলেকে নিয়ে স্কুল বাসের জন্য অপেক্ষা করছে ঠিক যেমনটা ওর মা ছোটবেলায় ওর জন্য করত আর এখানেই ফরেস্ট গাম্প সিনেমার গল্পটি সমাপ্ত হয়। ১৯৯৪ সালের ফরেস্ট গাম্প সিনেমাটি ১২-র বেশি অস্কার এ নোমিনেটেড হয়। মোট ৬ টি অস্কার পায়।

আমাদের শেষ কথা
আমাদের এই আটিক্যাল টি ভালো লাগলে আপনাদের বন্ধ দের সাথে শেয়ার করুন। আটিক্যালটি পড়ার জন্য অসংখ ধন্যবাদ..

Leave a Reply

%d bloggers like this: