দ্য ফাউন্ডার সিনেমা বাংলা ভাষায় | The Founder Movie in Bengali 2022

দ্য ফাউন্ডার Movie Review

John Lee Hancock দ্য ফাউন্ডার সিনেমাটি প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। এই সিনেমাটির IMDB রেটিং ৭.২ এটি Ray Kroe সত্যি ঘটনার ভিক্তিতে কাহিনীটি লিখেছেন Robert Siegel। এই সিনেমাটি একটি সেল ম্যান কিভাবে এত বড়ো কোম্পানির মালিক হয়ে ওঠে সিনেমাটি খুব ভালো ভাবে সাজিয়ে দর্শকদের সামনে প্রদর্শন করা হয়েছে বইটিতে অভিনয় করেছেন

সিনেমার কিছু মুখ্য চরিত্ররিয়েল নাম
1. Ray Kroc ( প্রধান চরিত্র ) Michael Keaton
2. Dick McDonald Nick Offerman
3.Mac McDonald John Carroll Lynch
4.Joan Smith Linda Cardellini
5.Ethel Kroc Laura Dern
6.Harry J. Sonneborn B.J. Novak ..ইত্যাদি
The Founder

সংক্ষেপে দ্য ফাউন্ডার মুভি স্টোরি

গল্পটা শুরু হয় ১৯৫৪ সালের আমেরিকার সেন্ট লুইস নামের একটা শহর থেকে যেখানে আমাদেরকে রেডক্রস নামের 52 বছরের একটা লোককে দেখানো হয় রে পেশায় একজন সেলসম্যান ছিল। আরও বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট আর হোটেলে ঘুরে ঘুরে সেখানে মিল্কশেক মিক্সি মেশিন বিক্রি করতো কিন্তু অনেকদিন ধরে অনেক চেষ্টা করার পরেও কোনোভাবেই একটা মেশিন বিক্রি করে উঠতে পারছিল না। আর রে কে এই কাজে সাহায্য করার জন্য ওর একটা সেক্রেটারি ছিল। যে ওর ছোট্ট একটা অফিসে কাজ করতো একদিন সেক্রেটারি কাছ থেকে জানতে পারে ক্যালিফোর্নিয়ার একটা রেস্টুরেন্ট থেকে ওদের কাছে তার মিল্কশেক মেশিনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। যেটা শোনার পর একটু অবাক হয়ে যায় কারণ এতোদিন ধরে এতো চেষ্টা করার পরেও যেখানে ও একটা মেশিন বিক্রি করতে পারেনি সেখানে এক রেস্টুরেন্ট থেকে ছটা মেশিনের অর্ডার কিভাবে আসে আর সেজন্য নিজে একবার রেস্টুরেন্টে ফোন করে ওখানকার মালিকের সাথে কথা বলে নিজে থেকে এই অর্ডারটা যাচাই করে দেখতে চাইছিল আর ওকে ফোন করার পর ওই রেস্টুরেন্টের মালিক জানায় আসলে আমার অর্ডার দিতে একটু ভুল হয়ে গেছিল আমার ছয়টার জায়গায় আটটা মিক্সি মেশিন এর প্রয়োজন এটা দেখে আরো বেশি অবাক হয়ে যায়।

আর এখন এই রেস্টুরেন্টটা দেখার জন্য আগ্রহ অনেক বেড়ে যায় সে জন্য তাড়াতাড়ি করে নিজের গাড়ি নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া শহরে পৌঁছে যায় আর ওখানে যাওয়ার পর পর দেখতে পায় ওটা একটা ছোট্ট রেস্তোরাঁ ছিলো ওই রেস্টরনেটের ভেতরে বসে খাওয়ার কোন ব্যবস্থা ছিল না সবাইকে প্যাকেটে করে ওখান থেকে খাবার দিয়ে দেওয়া হতো আর সমস্ত গ্রাহকরা সেটাকে রেস্টুরেন্টের বাইরে বসে অথবা নিজেদের গাড়ির মধ্যে বসে কিন্তু দেখা যায় কোন রেস্টুরেন্টের সামনে একসাথে অনেক মানুষের লম্বা লাইন ছিল আর এখানে বাকি সবার সাথে রে খাবারের লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ে কিন্তু ওখানে কত লম্বা লাইন থাকা সত্ত্বেও খুবই অল্প সময়ের মধ্যে কাউন্টারের সামনে চলে আসে আর অর্ডার দেওয়ার সাথে সাথেই ও নিজের খাবারটা নিজের হাতে পেয়ে যায় আর এ সবকিছু দেখে আরো বেশি অবাক হয়ে গেছিল কারণ এত তাড়াতাড়ি খাবার পাওয়া সত্যিই অসম্ভব ব্যাপার ছিল।

এবার ও যখন কোন রেস্টুরেন্টের বাইরের একটা পেজের উপরে বসে খাবার খাচ্ছিল তখন একটা লোক ওই জায়গাটা পরিষ্কার করতে করতে ওর সামনে এসে বলে এখানকার খাবার আপনার কেমন লাগলো তখন রে বলে এটা আমার খুবই ভালো লেগেছে আর আমি নিজের সারা জীবনে এত ভালোবাসার কখনোই খাইনি তখন ঐ লোকটা বলে ধন্যবাদ আমি এই রেস্টুরেন্টের মালিক আর আমার নাম হলো ম্যাকডোনাল্ডস যেটা শুনলে বলে আসলে আমি আপনাদের এই রেস্টুরেন্টে আটটা মিল্কশেক মেশিন ডেলিভারি করতে এসেছিলাম। আর এখানে আসার পর আপনাদের রেস্টুরেন্টে ব্যবস্থাপনা আর খাবারটা আমার খুবই পছন্দ হয়েছে আর এখন আমার মনে একটা প্রশ্ন আছে আপনার এত লোকজনকে এত তাড়াতাড়ি এত সুস্বাধু খাবার কিভাবে দিচ্ছেন তখন মেঘ দেখে নিজের সাথে রেস্টুরেন্টের ভেতরে নিয়ে যায় আর দেখা যায় ওখানে প্রত্যেকটা কর্মচারী সমস্ত কাজ খুবই নিয়ম মেনে করছিল আর এই পুরো রেস্টুরেন্ট তাকে আর ভাই দুজন মিলে সামলাতো জানায় আমাদের রেস্টুরেন্টে বেশি জিনিস পাওয়া যায় না।

কিন্তু যে অল্প কটা জিনিস পাওয়া যায় আমরা সবসময় খেয়াল রাখে সেগুলো গুণগতমান যেন কখনো নীচে না নেমে আসে আর এখন মেট্রিক দুজন মিলে সমস্ত নিয়মকানুন রান্না করার সমস্ত পদ্ধতি খুব ভালোভাবে দেখিয়ে দেয় আর এখন সবকিছু জানার বোঝার পর এই পুরো ব্যাপারটা খুবই ভালো লেগেছে এবারে বলে আমি সারা জীবন ধরে অনেক শহরের অনেক বড় বড় রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়েছি কিন্তু আপনাদের মত এরকম সার্ভিস আরে রকম খাবারের স্বাদ এর আগে আমি কখনও কোথাও পাইনি। এরকম একটা অভিনব রেস্টুরেন্ট তৈরি করার পেছনে আপনাদের কি কাহিনী আছে আমি সেটা জানতে চাই আর এটা বলে ওর দিক আর মেঘে সেদিন রাতে নিজের সঙ্গে ডিনার করতে নিয়ে যায় আর ওখানে যাওয়ার পর আর্থিক নিজেদের কাহিনী শোনাতে শুরু করে জানায় আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন আমাদের গ্রামে বেশি কাজের সুযোগ ছিল না সেজন্য আমরা দুজন হলিউডে চলে আসি আর বেশ কিছু বছর ধরে কাজ করে টাকা জমিয়ে আমরা নিজেদের একটা সিনেমা হল

সারা বছর ধরে খুব বেশি হলে একটা কিংবা দুটো সিনেমা মুক্তি পেত যার ফলে ওই সিনেমা হল থেকে আমরা বেশি টাকা ইনকাম করতে পারছিলাম না সেজন্য আমরা নিজেদের সিনেমা হল বন্ধ করে একটা ছোট রেস্টুরেন্ট তৈরি করি যে তার নাম ছিল ম্যাকডোনাল্ডস আর এটা একটা ড্রাইভিং রেস্টুরেন্ট ছিল মানে সমস্ত লোকজন আমাদের রেস্টুরেন্টের সামনে এসে গাড়িতে বসে খাবার অর্ডার দিত আর তাদের খাবারটা তাদের গাড়ির মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হতো প্রথমের দিকে আমাদের এখানে বেশ ভালই লোকজন আসছিল কিন্তু আস্তে আস্তে লোকজন আসা কমে যেতে থাকে কারণ সেই সময় আমাদের মেনু কার্ডে 27 রকমের খাবারের আইটেম ছিলো। আর প্রত্যেকটা কাস্টোমারের জন্য নতুন করে ওই খাবারগুলোকে তৈরি করতে অনেক বেশি সময় লেগে যাচ্ছিল আর অতিরিক্ত সময় লাগার কারণে আস্তে আস্তে আমাদের গ্রাহকের পরিমাণ কমে যাচ্ছিল কিন্তু কিছুদিন পর ঠিক খেয়াল করে আকাশ রকম খাবারের মধ্যে থেকে শুধু মাত্র তিন রকম খাবারই ওখানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হতো যেগুলো হলো ফ্রেন্ড সব ড্রিংক আর সেজন্যই আমরা এই তিনটে খাবার রেখে দিয়ে বাকি সমস্ত খাবার খেয়ে আমাদের মেনু কার্ড থেকে সরিয়ে দেয় আর তারপর আমরা প্লেটের জায়গায় কাগজের প্যাকেট করে খাবার দিতে শুরু করলাম যাতে সেগুলো কে ধোয়ামোছা করার জন্য আমাদের বেশী সময় নষ্ট না হয। আর সেই একই সাথে আমরা নিজেদের সমস্ত ওয়েটার থেকে সরিয়ে self-service শুরু করে দেই জার্মান এর প্রত্যেকটা কাস্টমারকে নিজের গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাউন্টারের সামনে এসে নিজেদের খাবারের অর্ডার নিজেদেরকে দিতে হবে আর তারপর নিজেকে খাবারটা নিয়ে যেতে হবে।

আর তারপর আমরা ঠিক করি কোন গ্রাহক কে যেন আমাদের কাউন্টারের সামনে এসে একদম অপেক্ষা করতে না হয় আর সেজন্য আমরা নিজেদের রেস্টুরেন্টের রান্নাঘর থেকে নতুনভাবে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেই আর সেজন্য আমরা একটা ফাঁকা মাঠে গিয়ে সেখানে তাকে আমাদের নতুন রেস্টুরেন্টের একটা নকশা তৈরি করি আর ওই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমাদের রেস্টুরেন্টের সমস্ত কর্মচারীরা রান্না করার প্র্যাকটিস করতে থাকে আর ওখানে সবকিছু ঠিকঠাক ভাবে চলার পর ওই নকশা দেখেই আমরা নিজেদের রেস্টুরেন্টের নতুন রান্না ঘর তৈরি করি আর এই ভাবেই আমরা এই পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন রান্না ঘর তৈরি করে ফেলি কিন্তু এসব কিছু করার পরেও আমাদের রেস্টুরেন্ট খুব একটা ভালো ছিল না কারণ সমস্ত গ্রাহক আমাদের রেস্টুরেন্টের সামনে এসে তাদের গাড়ির মধ্যে বসে থাক ছিল ওরা মনে করছিল কেউ হয়তো ওদের টা ওদের বাড়ি থেকে নিয়ে আসবে কেউ নিজে থেকে কাউন্টারের সামনে এসে অর্ডার দিতে চাইছিল না আর আমরা যখন সবাইকে জানালাম যে ওদেরকে গাড়ি থেকে নেমে নিজেদের নিজেদের কি দিতে হবে তখন অনেকেই ওখান থেকে রাগ করে চলে গেছিল আর আমাদের এই প্রস্তাবটা কেউই খুব একটা পছন্দ করেনি আর এইভাবে আমাদের রেস্টুরেন্টে খুব একটা বেশি লোক ছিল না।

সেজন্য আমরা দুজন ঠিক করি এই রেস্টুরেন্টটা কে আমরা দুজন আরো একবার নতুন ভাবে উদ্বোধন করব যেখানে আমরা সবাইকে নিজেদের রেস্টুরেন্টের সম্পর্কে ভালোভাবে বোঝাতে পারবো আর কিছুদিন পর ওরা খুব বড় করে নিজেদের রেস্টুরেন্টে উদ্বোধন করে যেটা দেখার জন্য ওখানে অনেক মানুষ উপস্থিত হয়েছিল কিন্তু উদ্বোধনের জন্য ওখানে দেওয়া অতিরিক্ত আলোর কারণে ওখানে প্রচুর পরিমাণ পোকা চলে আসতে শুরু করে যে কারণে বাধ্য হয়ে সমস্ত লোকজন ওই জায়গাটা ছেড়ে চলে যায় আর এখন ওদের প্ল্যান টা পুরোপুরি ফেল হয়ে গেছিল। আর এত কিছু হওয়ার পর এখন আর মেঘ পুরোপুরি হার মেনে নিয়েছিল আর পরের দিন সকালে ওরা দুজন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিল যে ওরা নিজে রেস্টুরেন্ট তাকে আবার পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে কিন্তু তখনই হঠাৎ ওদের কাউন্টারের সামনে একটা বাচ্চা আছে তিনটে বার্গারের অর্ডার দেয় যদিও কোথায় রেস্টুরেন্টে তখন পুরোপুরি বন্ধ ছিল কিন্তু কোনোভাবেই বাচ্চাটাকে নিরাশ করে ফেলতে চাইছিল না। সে জন্য তাড়াতাড়ি করে ওই বাচ্চাটাকে তিনটে বার্গার তৈরি করে দেয় আর ওই বাচ্চাটা ওখান থেকে চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ওখানে একের পর এক গাড়ি এসে দাঁড়াতে শুরু করে আর ওদের রেস্টুরেন্টের সামনে লোকজনের লম্বা লাইন পড়ে যেতে শুরু করে কারণ আস্তে আস্তে সবাই কোথায় রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে জানতে পেরেছিল আর এই ঘটনার পর থেকে ওদের দুজনকে আর কখনোই পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আর তারপর থেকে এখন অব্দি হতেল রেষ্টুরান্ট এইভাবে বেশ ভালোই চলছে আর ওদের এই কাহিনী শোনার পরে সারারাত ধরে অনেক ভাবনা চিন্তা করে আর পরের দিন সকালে ওর দিক

আরো বেশকিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলা উচিত বলে এটা আমরা আগেই চেষ্টা করেছি। আর এখন আমাদের পাঁচটা ফ্রানচাইজ আছে আর এর বেশি ফ্রানচাইজ আমরা খুলতে চাই না তখন যে বলে কিন্তু এমনটা কেন ঠিক বলে বেটি কন্ট্রোল আমরা না থাকলে ওই রেস্টুরেন্টের খাবারের গুণগত মান কেমন থাকবে সেটা আমরা কোনভাবেই জানতে পারব না আমাদের বেশকিছু ফ্রানচাইজ তমলুক বদলিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত খাবার বিক্রি করতে শুরু করেছিল আর সে সবকিছু দেখাশোনা করার জন্য পরবর্তীকালে আমরা একটা সুপারভাইজার এ রাখি কিন্তু সেই লোকটা ও নিজের কাজটা ভাল ভাবে করে নি।

আর এখন আমরা কোনভাবেই চাই না এত কষ্ট করে তৈরি করা আমাদের নাম যশ আমাদের কনসেপ্ট সবকিছু কেউ এত সহজে নষ্ট করে দেই আর তাই আমরা মনে করি 50 টা বাজে বাজে রেস্টুরেন্ট থাকার চেয়ে একটা ভালো রেস্টুরেন্ট ঢাকায় অনেক ভালো যেখানে সবকিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবার ওখানে কথা বলতে বলতে সে খেয়াল করে ওদের অফিসের দেয়ালে অন্য একটা রেস্টুরেন্টের ছবি লাগানো আছে যেটা দেখতে বাকি সমস্ত বিল্ডিং রেস্টুরেন্ট থেকে একদমই আলাদা ছিল আর রেস্টুরেন্ট এর উপরে গোল্ডেন কালারের আলো জালানো বড় বড় দুটো আর্চেস লাগানো ছিল। যেটা দেখে ম্যাকডোনাল্ড রেস্টুরেন্ট আঁকে বাঁকে সমস্ত বিল্ডিং এর থেকে খুব সহজেই আলাদা করা যাচ্ছিল দোকানের দিক জানায় আমার অনেক দিনের ইচ্ছা আমাদের ম্যাকডোনাল্ডসের সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো কি আমি এরকম ভাবে তৈরি করব আর ফিনিক্স নামের একটা শহরে আমি আমাদের একটা রেস্টুরেন্টকে এরকম ভাবেই তৈরি করেছি আর এটা শোনার পর ওই রেস্টুরেন্টে দেখার জন্য সেই রাতেই ফিনিক্সে পৌঁছে যায় আর ওটা দেখার পর এতটাই ভাল লেগেছে যে পরের দিন ও আবার অনেকের সাথে কথা বলতে চলে আসে আর ওখানে ওদের কে জানাই আমার জীবনে আমি অনেকগুলো শহরে ঘুরেছি আর প্রত্যেকটা শহর এই দুটো জিনিস খুবই কমন থাকে একটা হল আদালত আর দ্বিতীয় টা হল চার্জ আদালতের উপরে একটা পতাকা লাগানো থাকে আর চার্চের উপরে ক্রস লাগানো থাকে। আর এই গুলোর সাহায্যে দূর থেকে দেখে বাকি সমস্ত বিল্ডিং এর থেকে এদেরকে খুব সহজেই আলাদা করে চেনা যায় আর এখন আমি চাই এই দেশের প্রত্যেকটি শহরে একটা ঘরে ম্যাকডোনাল্ডস থাকুন আর এই গোল্ডেন আর্চেস এর সাহায্যে পার্টির সমর্থক বিল্ডিং এর থেকে ম্যাকডোনাল্ডস গুলোকে খুব সহজেই আলাদা করা যাবে আর এটা সপ্তাহের সাতদিনই খোলা থাকবে।

যেখানে প্রত্যেকটা মানুষ নিজের পরিবারের সাথে আসতে পারবে আর এত কিছু শোনার পর তার মায়ের কথায় রাজি হয়ে যায় কারন অনেকদিন ধরে এই একই স্বপ্ন দেখে আসছিল আর এখন ওরা রেখে এই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি খোলার অনুমতি দিয়ে দেয় কিন্তু তার জন্য ওকে আর মেঘের কাছে একটা চুক্তিপত্রে সই করতে হয়। আর এই কাজটা করার জন্য এতটাই

তখন ও ওদের সমস্ত শর্তে রাজি হয়ে যায় কিন্তু এখন সমস্যা হল নতুন করে রেস্টুরেন্ট তৈরি করার জন্য এর কাছে কোন রকম টাকা ছিল না সেজন্য নিজের বাড়ীটাকে ব্যাংকের কাছে বন্ধক রেখে দেয় আর সেই টাকা দিয়ে ও খুব তাড়াতাড়ি ম্যাকডোনাল্ডসের নতুন একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলে ফেলে এরপর থেকেই খুব উৎসাহের সঙ্গে ওখানে কাজ করতে শুরু করে দেয়। কিন্তু এই রেস্টুরেন্টটা শুরু কর আর কিছুদিন পর থেকেই নিজের ইচ্ছা মতন কাজ করতে খুবই অসুবিধা হচ্ছিল কারণেই ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়ার জন্য চুক্তিপত্রে সই করেছিল সেখানে লেখা ছিল আর মেঘের অনুমতি ছাড়া নিজের ইচ্ছায় কোন কাজই করতে পারবে না যে কোন নতুন কাজ করার আগেই রেখে ওদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। যেমন রে চাইছিল নিজের রেস্টুরেন্টে ও কোকাকোলার একটা স্পনসর্শিপ নেবে কিন্তু আর মেঘ বরন করে ও কোন ভাবেই সেই কাজটা করতে পারে না। আর এর কিছুদিন পরেই রে নিজের তিনটে বড়লোক বন্ধুকে ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলে দেয় কিন্তু কিছুদিন পরে খেয়াল করে ওর বন্ধুদেরও রেস্টুরেন্টগুলোতে কোনরকম নিয়ম কারণ মানা হচ্ছিল না। ওখানকার পরিবেশ প্রচন্ড নোংরা ছিল আর ওখানকার খাবারের স্বাদ খুব একটা ভালো ছিল না আর এরপর থেকে বেছে বেছে সেই সমস্ত লোককে ফ্র্যাঞ্চাইজি নেওয়ার সুযোগ দিত টাকা-পয়সা সত্যিই খুবই দরকার ছিল আর যারা এই কাজটাকে মন থেকে ভালোবেসে করতে চাইছিল। আর এইভাবে আস্তে আস্তে ও এরকম ধরনের অনেক মানুষকে খুঁজে বের করতে শুরু করে আর তাদের সবাইকেই ম্যাকডোনাল্ডস পরিবারের সদস্য বানিয়ে নেয় আর এইভাবে আস্তে আস্তে পুরো দেশ জুড়ে ম্যাকডোনাল্ডস খুবই বিখ্যাত একটা রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়ে যায় আর এখন এই শহরের বেশিরভাগ লোকজনই ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে ব্যবসা করতে চাইছিল।

আর এরকম ভাবেই একদিন রনিত নামের একটা লোকের সঙ্গে পরিচয় হয় এই লোকটার একটা নামকরা বড় রেস্টুরেন্ট ছিল যেটা কেউ অনেকদিন ধরে খুব ভালোভাবেই সামলাতো ছিল। আর রুলির এই রেষ্টুরেন্টের কাছে ওর স্ত্রী ওকে খুব সাহায্য করতে খানের রেখে জানায় ও ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে চায় আর ওই রেস্টুরেন্ট এ শহরের খুবই জনপ্রিয় একটা জায়গায় খুলতে চায় কিন্তু এই কথাগুলো বলতে বলতে এখানে তিনজনকে দেখতে পেয়ে জন এই রেস্টুরেন্টে একটা পিয়ানো বাজাচ্ছিল আর ওকে দেখার সাথে সাথেই ওকে খুবই ভালো লেগেছে। আর এখন সবকিছু ভুলে গিয়ে জনের সাথে কথা বলে ওর সাথে বন্ধুত্ব করতে চাইছিল এবার এইভাবে আস্তে আস্তে অনেকগুলো দিন কেটে যায় আর এখন ম্যাকডোনাল্ড অনেকগুলো ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলে ফেলেছিল কিন্তু হিসাব করে দেখে এত বছর ধরে এত কষ্ট করার পরেও খুব বেশি টাকা ইনকাম করতে পারছিল না। কারন দিক আর মেঘের সাথে ওদের চুক্তিপত্রে সই করেছিল সেখানে ও লাভের পরিমাণ পালাভের পার্সেন্টেজ খুবই কম ছিল যেকারনে ও ব্যাংকের লোনটা কেউ ঠিকভাবে শোধ করে উঠতে পারছিলো না। সে জন্য অধিক আর মাকে ফোন করে নতুন করে নিজেদের চুক্তিপত্র তৈরি করতে বলে কিন্তু ওরা দুজনেই কথা কোন ভাবেই রাজী হয়না।

এবার এই ঘটনার কিছুদিন পর আরও তিনজন রেখে নিজেদের কাছে রেখে অরোরা জানায় মিল্কশেক তৈরি করার জন্য আমরা যে আইস ক্রিম এর ব্যবহার করি সেটাকে রাখার জন্য রেফ্রিজারেটর থেকে আমাদের প্রচুর টাকার ইলেকট্রিক বিল আসে। কিন্তু আমরা এখন এমন একটা পদ্ধতি খুঁজে বের করেছি যেটার সাহায্যে ইলেকট্রিক বিলের খরচ থাকে প্রচুর পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া যাবে আর সেটা হল পাউডার মিল্ক শেক মানে এটা ফ্লেভার্ড মিল্কের এক ধরনের গুরু যেটাকে জলের মধ্যে পুরুষের মতোই স্বাদ পাওয়া যায় আর এটা তৈরি করার জন্য আইসক্রিম রেফ্রিজারেটর কোনটার দরকার পড়বে ন। আর এই পুরো ব্যাপারটা খুবই পছন্দ হয় সে জন্য অনুমতি নেওয়ার জন্য আর মেঘের কাছে ফোন করে এই পুরো ব্যাপারটা জানায় কিন্তু ওরা দুজনের কথায় কোন ভাবেই রাজী হয় না ওরা জানে আমরা নিজেদের রেস্টুরেন্টের খাবারের গুণগত মান কোনভাবেই নিচে নামাতে চাই না আর সেজন্যই ম্যাকডোনাল্ড যেকোনো রকম পাউডার ব্যবহার না করে আসল দুধ আর আইসক্রিম দিয়ে মিল্কশেক বানাতে হবে আর এটা শোনার পড়ে খুবই রেগে যায় কারন এত বছর ধরে এত খাটা খাটনি করার পরেও কোন

ব্যাংকের লোন টাকা শোধ করতে পারছিল না। আর এখন নিজের লোন শোধ করার জন্য অফ ব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত সময় চাইতে চাই কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো ভাবেই ওকে অতিরিক্ত সময় দিতে রাজি হয় না। এবারে যখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার কে নিজের এই সমস্যার কথাগুলো বলছিল তখন পাশের থেকে হরিনামের একটা লোক এই সমস্ত কথাগুলো শুনতে পায় আর এই কথাগুলো শোনার পর হারি রে পিছন পিছন থেকে বেরিয়ে আসে আরও রেখে বলে আমি তোমার সমস্ত কথা শুনেছি আরে ব্যবসা থেকে তুমি যদি টাকা ইনকাম করতে না। পারো তার মানে তুমি কিছু একটা ভুল করছো কারণ তোমাদের ব্যবসাটা প্রদেশজুড়ে খুবই জনপ্রিয় আর সেখানে প্রত্যেকদিন অনেক মানুষ খাওয়া-দাওয়া করতে আসে তার মানে তোমাদের ব্যবসাটা খুব ভালোই চলছে। আর এখন তুমি চাইলে তোমার এই সমস্যা থেকে বেরোনোর জন্য আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি এই কথায় রাজি হয়ে যায় আরো হ্যারিকে নিজের অফিসে এনে সে চুক্তিপত্র টা দেখায় যেটা ওর মুখের মধ্যে করা হয়েছিল এবার সব কিছু দেখার আর বোঝার পর হেরি ওকে বলে আচ্ছা কেউ যদি নতুন করে ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি খুলতে চায় তাহলে তাকে কোন কোন নিয়ম মানতে হবে রে বলে প্রথমে সেই লোকটাকে নিজের একটা জমি কিনতে হব। তারপর সেখানে আমাদের নকশা মতন ম্যাকডোনাল্ডসের একটা রেস্টুরেন্ট বানাতে হবে। আর তারপর আমরা সেই লোকটাকে কুড়ি বছরের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লাইসেন্স দেব আর সেই একই সাথে আমাদের সমস্ত নিয়মকানুন আমাদের রান্নার পদ্ধতি আমাদের সমস্ত সিস্টেম তাকে শিখিয়ে দেবো আর এই সমস্ত কাজ গুলো ভালোভাবে করার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে তাকে প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।

আর সবকিছু শোনার পর হেরি বলে এইভাবে চলতে থাকলে আপনি কখনোই বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আর এই কোম্পানির টাকা বেশি দূরেও নিয়ে যেতে পারবেন না কারণ আপনার কন্টাক্ট এ আপনার লাভের পরিমাণ যথেষ্ট পরিমাণ কমানো আছে তাই এরপর থেকে আপনি যখনই কাউকে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি দেবেন সবার আগে আপনি নিজেই জমিটাকে কিনে নেবেন আর তাদেরকে বলবেন ফ্র্যাঞ্চাইজি নিতে গেলে আপনার ওই জমির উপরে ওদেরকে বিল্ডিংটা বানাতে হবে আর এইভাবে আপনি প্রতিমাসে ঐ সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে নিজের জমির ভাড়া নিতে পারবেন আর এই ভাবে যদি আপনি নিজের জমির ওপর এই ব্যবসা করতে থাকেন তাহলে পরবর্তীকালে যদি ওই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আপনার নিয়ম মেনে ন।

চলে তাহলে কুড়ি বছরের আগেই আপনি নিজের ইচ্ছায় যখন খুশি ওদের লাইসেন্স ক্যানসেল করতে পারবেন আর এইভাবে নিজের জমিতে ব্যবসা করলে আপনিও এক রকম ভাবে ম্যাকডোনাল্ডসের মালিক হয়ে যাবেন তার জন্য আপনাকে আপনার পার্টনার আর মেঘের কাছে কোন রকম পারমিশন নিতে হবে না। আর ওদের চুক্তিপত্রের বিরুদ্ধেও যেতে হবে না আর পরবর্তীকালে ওরা চাইলেও আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না কারণ ওই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আসল মালিক করা হলেও জমিগুলো আপনার নামে ডাকবে যে জমি গুলো পড়ে ওদের কোনো রকম অধিকার থাকবে না এবারে ফ্র্যাঞ্চাইজি রিয়েলিটি কর্পোরেশন নামের নিজের একটা কোম্পানি তৈরি করে যেটা দিয়ে ও বিভিন্ন জায়গায় জমি কিনতে থাকে আর সেই জমির ওপর এই ম্যাকডোনাল্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি রেস্টুরেন্ট গুলো খুলতে থাকে। আর এখন রে এই ভাবে নিজের জমি ব্যবহার করে ম্যাকডোনাল্ডের ব্যবসাটাকে আরো অনেক উঁচুতে নিয়ে যায় কিন্তু কিছুদিন পর ঠিক আর্মি নতুন কোম্পানি সম্পর্কে জানতে পারে আর ওরা রেগে ফোন করে বলে আমাদের অনুমতি ছাড়া তুমি নতুন একটা কোম্পানি কেন খুলেছ তুমি কি ভুলে গেছো আমাদের অনুমতি ছাড়া ম্যাকডোনাল্ডসের তুমি কোন কিছুই নিজের ইচ্ছে করতে পারবে না তখন রে বলে কিন্তু আমিতো ম্যাকডোনাল্ডসের কিছুই পাল্টাচ্ছি না। এটা আমার নিজের একটা কোম্পানি এটা সঙ্গে তোমাদের কোনো রকম সম্পর্ক নেই আর তাছাড়াও রেস্টুরেন্ট এর বাইরে আমি কি করবো আর কি করবো না সেটা সম্পূর্ণ আমার ব্যাপার আর এর কিছুদিন পরেই রে দিক আর মেঘের অনুমতি ছাড়াই ম্যাকডোনাল্ডসের সমস্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পাউডার দাম মিল্কশেক ব্যবহার করতে শুরু করে আর এখন এইভাবে অনেক টাকা ইনকাম করতে শুরু করেছিল।

আর আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে ওর এই ব্যবসাটা খুব ভালো ভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল কিন্তু পরবর্তীকালে আর মেঘ যখন জানতে পারে। যে ওদের কোন কথা না শুনে নিজের ইচ্ছা মতন কাজ করে যাচ্ছে তখন ওরা প্রচন্ড রেগে গিয়ে রেখে ফোন করে বলে তুমি আমাদের চুক্তিপত্রের কোন রকম নিয়মে মাংস না। আর এই চুক্তিপত্র ভাঙার জন্য আমরা তোমাকে ম্যাপ

থেকে পুরোপুরি বাইরে বের করে দিচ্ছি আর প্রয়োজন পড়লে তোমার এই কাজের জন্য আমরা তোমাকে আদালতে নিয়ে যাব তখন রে বলে হয়তো। আদালতে তোমরা যেতেও যাবে কিন্তু মনে রেখো তোমরা শুধুমাত্র একটা দোকানের মালিক আর পুরো দেশজুড়ে 17 রাজ্যে আমার জমির ওপর এই তোমাদের অনেকগুলো দোকান চলছে আর তোমাদেরকে কেউ চেনেনা ম্যাকডোনাল্ডসের নাম করলে সবাই আমাকে খুব ভালোভাবে চেনে কারণ তোমাদের এই ব্যবসাটাকে আজ আমি এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছি তাই তোমরা চাইলে ও অত সহজে আমার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর এই কথাগুলো শুনে অতিরিক্ত টেনশন করার ফলে মেক ওখানে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায় যে কারণে তাড়াতাড়ি করে ওকে হসপিটালে ভর্তি করা হয় সেখানে ডাক্তাররা জানায় এখন ওর শরীর অনেক খারাপ হয়ে গেছে আরো দুটো কিডনি ও খারাপ হয়ে গেছে যে কারণে এখন থেকে অতিরিক্ত চিন্তা করা একদমই বারণ আর ম্যাক হসপিটালে থাকাকালীন ওকে দেখতে আসে আর ওখানে ওদিক আর মেঘের হাতে একটা ব্ল্যাঙ্ক চেক দিয়ে দেয় বলে আমাদেরকে এই চেকটা দিয়ে তুমি কি কিনতে চাইছ রে বলে এই চেকটা দিয়ে আমি তোমাদের কাছ থেকে ম্যাকডোনাল্ডসের মালিকানা পুরোপুরি কিনে নিতে চাইছি।

এখন আমি একাই এই কোম্পানির মালিক হয়ে থাকতে চাই আসলে এতদিন ধরে নিজের ওপরে ব্যবসা করার ফলে এখন অনেক টাকার মালিক হয়ে গেছিল আর এই কথাগুলো শুনে ঠিক আর মেঘ খুব সহজে বুঝতে পারে রে সঙ্গে লড়াই করে এখন ওরা আর কোনভাবেই জিততে পারবেন। আর কিছুদিন ধরে একটু ভাবনা চিন্তা করার পর ওদের কাছে এই কাম পানিটা পুরোপুরি বিক্রি করার জন্য রাজি হয়ে যায় আর ওরা রেগে যায় এই কোম্পানি টা বিক্রি করার জন্য মিলিয়ন ডলার চাই সেই সাথে সাথে প্রতি মাসে এই কোম্পানির লাভের 1% করেছে আর আমরা দুজন সবার প্রথম থেকে এতদিন ধরে যে ম্যাকডোনাল্ডসে চালাচ্ছিলাম আমরা সেটার মালিক হয়ে থাকতে চাই। আর এর সঙ্গে সঙ্গে ওদের কথায় রাজি হয় ও বলে আমি তোমাদের সমস্ত শর্ত মানতে রাজি আছি কিন্তু তোমরা প্রতিমাসে কোম্পানির লাভের যে 1% দাবি করেছে আমি সেটা তোমাদেরকে চুক্তিপত্রে লিখে দিতে পারব না কারণ এই ব্যাপারে আমার কোম্পানির বাকি ইনভেস্টর যা কোনভাবেই রাজি হবে না। কিন্তু আমি তোমাদেরকে কথা দিচ্ছি ওই 1% আমি প্রতিমাসে তোমাদেরকে পাঠিয়ে দেবো এবার সবকিছু হয়ে যাওয়ার পর দিক রেখে বলে আচ্ছা যেদিন তুমি প্রথম আমাদের রেস্টুরেন্টে ছিলে সেদিন তো আমরা তোমাকে নিজেদের সমস্ত গোপন রহস্য জানিয়ে দিয়েছিলেন আমরা তোমাকে নিজেদের কাজ করার সমস্ত পদ্ধতি দেখিয়ে দিয়েছি।

তুমি তো চাইলে সেগুলো দিয়ে নিজের মতন করে নতুন একটা রেস্টুরেন্ট তৈরি করতে পারতে তখন রে বলে আজকের এই সফলতা শুধুমাত্র তোমাদের রেস্টুরেন্টে আর ওই আইডি নেই। এই সফলতার একটা বড় অংশ লুকিয়ে আছে ম্যাকডোনাল্ডসের এই নামের মধ্যেই একবার ভেবে দেখো পুরো আমেরিকাজুড়ে কত মানুষের পদবী ম্যাকডোনাল্ডস আর ম্যাকডোনাল্ডস এই কথাটা পুরো আমেরিকাকে রিপ্রেজেন্ট করছে আর এই নামটা শুনলে প্রত্যেক আমেরিকানরা খুব সহজেই এখানে আসতে চাইবে আর আমার মনে হয় যার পদবী ম্যাকডোনাল্ডস কেউ কোন ভাবেই তার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা তখন ঠিক বলে আমার পদবী ও ম্যাকডোনাল্ডস কিন্তু আজ আমি তোমার কাছে হেরে গেলাম। তখন রে বলে তুমি একবার একটু ভালো করে ভেবে দেখো তোমার পকেটে থাকা ওই চেকের উপরে যত টাকা লেখা আছে তোমার সাত প্রজন্ম চেষ্টা করলেও কখনো টাকা ইনকাম করতে পারত তুমি কোনভাবেই হারুনী আমি প্রথমবার যখন তোমাদের রেস্টুরেন্টে উপরে এই নামটা কে দেখেছিলাম তখনি এটা আমার খুবই ভাল লেগে গেছিল আর আজ আমি এই নামটা কে কিনে নিয়েছে আর এর কিছুদিন পর দেখা যায় ঠিক আর মেঘের তৈরি ম্যাকডোনাল্ডসের প্রথম রেস্টুরেন্ট থেকে ম্যাকডোনাল্ডসের নামটা এখন পুরোপুরি সরিয়ে নেয়া হয়।

কারণ এখন এই নামের মালিক শুধুমাত্র রে বাকি সারা জীবন ধরে নিজেদের কোন রেস্টুরেন্টে ম্যাকডোনাল্ডসের নাম ব্যবহার করতে পারবে না। একসময় এই দুই ভাই মিলে যে কোম্পানি তৈরি করেছিল এখন সেটার মালিকানা ওদের চোখের সামনেই অন্য একজন কিনে নিয়েছিল। আরে যে কিনা এক সময় বিভিন্ন হোটেল রেস্টুরেন্টে ঘুরে ঘুরে মিল্কসেক মেশিন বিক্রি করতো আজ সে বিশ্বের বড়ো একটা ফাস্টফুড কোম্পানির মালিক হয়ে যায়। সিনেমাটি এখানে সমাপ্ত হয়ে যায়।

ফরেস্ট গাম্প হলিউড মুভি মন দিয়ে কোনো কাজ করলে সব কিছু করা সম্ভব এক ছোট্ট প্রতিবন্ধী ছেলের ভিক্তি করে কাহিনীটি নির্মিত হয়েছে।

আজকের শেষ আলোচনা

The Founder Movie কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন। আর গল্পটি ভালো লাগলে প্রিয়জনের কাছে শেয়ার করবে। ~ ধন্যবাদ

Leave a Reply

%d bloggers like this: