মঙ্গল গ্রহের যাত্রার রোমাঞ্চকর মুভি দ্যা মার্টিয়ান | The Martian Movie Review In Bengali

দ্যা মার্টিয়ান মুভি রিভিউ


রিডলি স্কট এর পরিচালনায় দ্যা মার্টিয়ান সিনেমাটি তৈরি করা হয়েছে। এটি একটি মঙ্গল গ্রহে যাত্রার এডভেঞ্চার রোমাঞ্চ কর কাহিনীটি লিখেছেন দ্রেও গডডার্ড। সিনেমাটিতে এক্টর এক্ট্রেস হিসাবে কাজ করেছেন ম্যাট দমন জেসিকা চেষ্টাই ক্রিস্টেন উইগ ইত্যাদি।

the martian , martian movie in bengali , দ্যা মার্টিয়ান

The Martian IMDb

সিনেমাটি ২০১৫ সালে রিলিস করা হয় ২ ঘন্টা ২৪ মিনিটের সাইন্স ফিক্শন মুভি দর্শকদের আলাদা অনুভতি দিয়েছে। এই সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৮.০/১০ দর্শকরা মুভিটিকে খুব পছন্দ করেছে।

The Martian বাজেট


দ্যা মার্টিয়ান সিনেমাটি ১০৮ মিলিয়ন ডলার খরচা করে তৈরি করা হয়। ইংলিশ ল্যাংগুয়েজের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড টোটাল বাক্স অফিস কালেকশন ৬৩০ মিলিয়ন ডলার সিনামাটি সুপার হিট ঘোষিত হয়।

সিনেমাটির স্টোরি লাইন

শুরুতে দেখা যায় নাসা থেকে ছয় জন সদস্যের একটা টীম মঙ্গল গ্রহে গেছে মাটির স্যাম্পেল কালেক্ট করার জন্য। এদের সবার মঙ্গল গ্রহে একটি থাকার কথা ছিল কিন্তু হঠাৎ জানতে পারে এদের কাছে খুব বড় একটা ঝড় আসতে চলেছে। যে কারণে ওরা ওদের মিশন টা ওখানেই বন্ধ করে দেয় সেই মুহূর্তে পৃথিবীতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় এরা সবাই ততক্ষণে ওদেরকে ছেড়ে ফ্লাইং অবজেক্ট এর কাছে পৌঁছে ছিল তার মধ্যেই ওখানে জ্বর চলে আসে এবার এই টিমের একজন সদস্য ছিলেন। তিনি ঝড়ের মধ্যে একটা এন্টেনা উড়িয়ে নিয়ে চলে যায় তখন ওদের টিমের ক্যাপ্টেন আর বাকি টিম মেম্বাররা ওকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু ওর সাথে কোন ভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না ওর কাছ থেকে কোনো রকমে সিগন্যাল পাওয়া যাচ্ছিলো না।

প্রচন্ড ঝড়ের জন্য টিম মেম্বাররা কিছু দেখতে পাচ্ছিল না সেজন্য অনেক চেষ্টা করেও ওরাও আপনি কি আর খুঁজে পায় না অনেকক্ষণ চেষ্টা করার পরও ওয়ানকে ওখানে খুঁজে না পাওয়ার জন্য উদ্দিন মেম্বার মনে করে ওখানে মারা গেছে। আর সেই জন্য ওরা ছাড়ে ওখান থেকে ফিরে চলে আসে কিন্তু পরের দিন সকালে যখন ঝড় শান্ত হয় তখন দেখা যাবে ওখানে বেঁচে আছে আগের দিন রাতে ঝড়ের মধ্যে পড়ে না লাগার কারণে ও অজ্ঞান হয়ে গেছিল আর তখন একটা অংক করে ওর পেটের মধ্যে ঢুকে যায় যে কারণে এখনো জ্ঞান ফেরার পর প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছিল। এবার ওখান থেকেও নিজেকে ফিরে আসে আর তারপর নিজের পেট থেকে লোহার টুকরো টা বের করার জন্য একা একাই নিজের একটা ছোটখাটো অপারেশন করে এবার একটু স্বাভাবিক হওয়ার পর খেয়াল করে পুরোপুরি একা আটকে গেছে এখন চাইলেও নাসার সাথে কোন ভাবে যোগাযোগ করতে পারবে না কারণ যোগাযোগ করার সমস্ত আগের দিনের মধ্যে ভেঙ্গে গেছে এবার হিসাব করে থাকে ওর কাছে ৬ জন মানুষের খাওয়ার জন্য টোটাল ৬৬৮ দিনের খাবার মজুদ আছে।

আর সেই খাবারগুলো একা খেলে চলবে আর ওর কাছে ওয়াটার আর অক্সিজেন এটা ছিল যেটার সাহায্যে ওখানে ওর জল খাওয়ার প্রবলেম সলভ হয়ে গেছে আর এই মুহূর্তে পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার জন্য বাড়ির কাছে একটাই উপায় ছিল আর সেটা হল নাসার পরবর্তী নিশান আজ থেকে চার বছর পর হতে চলেছে মানে এখান থেকে পৃথিবীতে ফিরে যেতে হলে নাসার পরবর্তী মিশনের জন্য ওকে চার বছর ধরে এখানে অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু এখন সমস্যা হল এর কাছে যতটা খাবার বেঁচে আছে সেটা সাহায্যে চার বছর বেঁচে থাক অসম্ভব এবার কয়েকদিন চিন্তাভাবনা করার দরকার নেই। খাবারের প্রবলেমের সলিউশন খুঁজে বের করে যেহেতু কয়েকজন পুলিশ ছিল চাষবাস সম্পর্কে ওর ভালোই আইডিয়া আছে এবার নিজেদের ক্যাম্পের একটা সাইডে একটা আলাদা চেম্বার বানায় আর সেখানে মঙ্গল গ্রহের মাটির সঙ্গে নিজেদের আলু চাষ করতে শুরু করে এবার সমস্যা হলেও চাষ করতে গেলে ওখানে অনেকটা জলের প্রয়োজন চাষ করার মতন অতটা অতিরিক্ত জল ওর কাছে ছিল না।

আর এই প্রবলেমের সলিউশন এর জন্য আপনি ওখানে থাকা রকেটের হাইড্রোজেন বের করে তার মধ্যে অক্সিজেন নিষেধ সেখানে আগুন জ্বালায় প্রথমের দিকে বেশ কয়েকটা ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর থেকে জল তৈরি করতে সক্ষম হয়। এবার এখন ওখানে আলু চাষ করার জন্য ওর কাছে সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল এবার শুরু করার বেশ কয়েকদিন পর তিনি লক্ষ্য করে ওখানে একটা ছোট বালুকার জন্মেছে যেটা দেখে ও প্রচন্ড খুশি হয় আর অন্যদিকে পৃথিবীতে দেখা যায় না।

স্যার তরফ থেকেও যে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে আর এখানে অসীম নীল করা হয় ওপরেও আপনি ওখানে বেশ ভালই ছিল। ওখানে আলোচনা করছিল এবার এইসব ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর নাসার স্যাটেলাইট এর বেশ কয়েকটা পরীক্ষা করে দেখছিল। আর এগুলো দেখার সময় ওরা জানতে পারে যে ওখানে এখনো বেঁচে আছে। যেটা দেখার পর প্রথমে ওরা প্রচন্ড চমকে যায় তারপর সঙ্গে সঙ্গে জয়েন করতে লাগে কিভাবে পৃথিবীতে ফিরে আনা যায়। এবার নাসরীন আসার পরবর্তী ভার্সনের জন্য এখনো চার বছর সময় লেগেছে।

সুপার হিট মুভি টাইটানিক এক রোমান্টিক প্রেমকাঁথা

যতদিন বাঁচিয়ে রাখার জন্য একটাবেঁচে থাকতে পারি এবার দেখা যায় এই কাজের জন্য রকেট টা বানাতে টাইম লাগবে আর সেটাকে মঙ্গলবার টাইম লাগবে আরো লস মানে খুব কম করে হলেও এক বছর সময় লেগে যাবে অন্যদিকে দেখা যায় আলু চাষ করার 48 দিন পর সেখানে বেশ ভালো ফসল হয়েছে। কিন্তু এখানে যাই করুক না কেন যতক্ষণ না ওনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে ততক্ষণে সবকিছু ঘেঁটে বার কয়েক দিন পর একটা ছোট্ট স্যাটেলাইট খুঁজে বের করে জানলাম পাথফাইন্ডার 997 সালের এখানে পাঠানো হয়েছিল আর কিছু যান্ত্রিক সমস্যার জন্য নাসার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় আর ফাইন্ডারের কাটছিল মঙ্গল গ্রহ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠানো এবার একটু চেষ্টা করে ঠিক করে তোলে আর অন্যদিকে নাসার তরফ থেকে সবার নজর রাখা হয়েছিল। তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে হাজার হাজার ১৯৯৭ সালের মিশনে কাজ করেছিল।

তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে দেখা করে এখানে এনে সেটাকে আবার একটিভ করে জাতির মঙ্গল গ্রহ থেকে যে মেসেজটা পাঠাবে সেটা দেখতে পাই যেহেতু পাথফাইন্ডার মেশিনটা অনেক পুরনো ছিল সেজন্য এরা নিজেদের মধ্যে কথা বলতে পারছি আর নিজেদের মধ্যে অতিরিক্ত মেসেজ আদান-প্রদান করতে অনেকটা বেশি সময় লেগে যাচ্ছে এবার এরকম কমপ্লিকেটেড ভাবে কথা বলতে বলতে না চাও ওয়াড নিতে একটা হ্যাকিং কোড পাঠান যেটা দিয়ে একটা কম্পিউটার কে হ্যাক করে যার ফলে ও এখন নাসার সাথে রিলেশন আছে কথা বলতে পারি। এবার অন্যদিকে নাসার তরফ থেকে ওয়ার্ড নির্বাহী মেম্বারকে জানানো হয় যে সে এখনো বেঁচে আছে। আর বর্তমান পরিস্থিতি কেমন এটা জানার পর ওই টিমের প্রতি খুব হতাশ হয়ে যায় আর ওখানে একা ফেলে আসার জন্য এদের খুব খারাপ লাগে এবার এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর সব ঠিক ঠাকই চলছিলো হঠাত একদিন কিছু যান্ত্রিক সমস্যার জন্য একটা অংশ বিস্ফোরণ ঘটে সেখান থেকেও আপনি যখন রকমে বেঁচে যেত চাষ করা ফলগুলোকে কোনমতেই বাঁচানো সম্ভব হয় না।

এই বিস্ফোরণের জন্য এবং সেই ফসলের পরিবেশ পুরোটাই নষ্ট হয়ে যায় যে কারণে এখন ওখানে কোন মতে চ্যাট করা সম্ভব না এবার নিজের থাকার জন্য একটি ক্যাম্পের বাকি অংশটা কে মেরামত করে এবার হিসেব করে দেখা যায়। বিস্ফোরণের আগে অফ দি ওয়ার্ড এর কাছে যতটা খাবার বাকি ছিল সেটা সাহায্যে ৮৬৮ দিন বেঁচে থাকতে পারতো কিন্তু বিস্ফোরণের খাবার গুলো নষ্ট হওয়ার কারণে বাকি থাকা খাবার এর সাহায্যে ও আর মাত্র ৬০০ দিন বাঁচতে পারবে। যে কারণে নাসাকে এখন আরো তাড়াতাড়ি কাজ করতে হবে অন্যের কাছে খাবার পৌঁছানোর জন্য না চাওয়ার দিকে নির্দেশ দেয়। যে খাবারটা ও একদিনে তো এখন যে খাবারটা ওকে তিনদিন ধরে খেতে হবে আর যে রকেটে করে ওদের কাছে খাবার পৌঁছানোর কথা ছিল সময় বাঁচানোর জন্য ওরা সেই রকেটের টেস্টিং তাকে পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেয় মানে রকেট লঞ্চ করার আগে কোন কিছু হলে পরীক্ষা করে দেখেন এই সিদ্ধান্তটা এইজন্য নিয়েছিল।

যেতে সময়ের মধ্যে ওরা ওদের কাছে খাবার পৌঁছাতে পারে এবার বেশ কিছুদিন পর রকেট তৈরি হয়ে যায় আর তার মধ্যে খাবার ভর্তি করে না সেটা কি লঞ্চ করে কিন্তু লঞ্চ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই যান্ত্রিক সমস্যার জন্য রকেটে বিস্ফোরণ ঘটে সেটা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় আর এই রকেটের সাথে সাথে ভাগ্নি কে বাঁচানোর শেষ আশাটুকুও নষ্ট হয়ে যায় কারণ নাসার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর আগেই সে না খেতে পেয়ে মারা যাবে এই ঘটনার পর প্রচণ্ড নিরাশ হয়ে যায়। আর বেঁচে থাকার আসাটাই রকম ভাবে হারিয়ে ফেলেছি তখনই নাসার পুরো টিমের কাছে পাওয়ার একটা সুযোগ আসে না। বিস্ফোরণ হওয়ার পর চায়না ওদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আর জানায় ওদের কাছে একটা রকেট তৈরি করা আছে যেটা মহাকাশে যাওয়ার জন্য একদম রেডি এবার এই সাহায্যের কারনে আজ থেকে বাঁচানোর জন্য নাসা আরো একটা সুযোগ পেয়ে যায়। এবার চায়না সাহায্য নিয়ে নাসা যখন তাদের পরবর্তী লঞ্চের প্ল্যানিং করছিল তখন রিচ নামের একজন নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানাইও একজনের ডায়নামিকস

ওর কাছে একটা প্লেন আছে যার সাহায্যে চার বছরের জায়গায় মাত্র ৫৬১ দিনের মধ্যে অগ্নিকে আবার পৃথিবীতে ফিরে আনতে পারবে। আর লেংটা ছিল ওয়াটলিং টিম মেম্বাররা যার সাহায্যে পৃথিবীতে এসেছে তার নাম হলো আমি আর এই হারভেস্টার ঠিকঠাকভাবে অতিক্রম করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে এখনো একমাস সময় লাগবে। কিন্তু অতিক্রম করে পৃথিবীতে আসা জায়গায় আর্মিচার স্পিড বাড়িয়ে দেয় আর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সাহায্যে পৃথিবীর একটা পান খেয়ে আবার মঙ্গল গ্রহ থেকে এগিয়ে যায় তাহলে খুব অল্পসময়ের মধ্যেই ওরা ভাগ্নির কাছে পৌঁছে যাবে আর হার্মিস যখন পৃথিবীর কাছে আসবে তখন চায়নার দোলকের সাহায্যে নারীদের কাছে খাবার পৌঁছে দেবে।

আর এইভাবে ওরা মঙ্গল গ্রহের কাছে পৌঁছবে কিন্তু কারেন্ট করবেনা কারণ ওরা যদি এখানে ল্যান্ড করে তাহলে ওদের হার্মিসের অনেক টাইম নষ্ট হয়ে যাবে যার ফলে ওড়ার পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারবে না। তাই এরা মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার পর উনি একটা এমএমএস আছে মঙ্গল গ্রহের অরবিট থেকে বাইরে মহাকাশে চলে আসবে আর তারপরের হার্মিস থেকে ভেতরে ঢুকিয়ে নেবে যেটার সাহায্যে শুধুমাত্র মঙ্গল গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি মহাশক্তি আসা যাবে আর পরবর্তী প্রোজেক্টের জন্য আগে থেকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানো ছিল সোনার কন্যা স্যার ডিরেকটর রাজি হয় না কারণটা যদি একটিভ করা হয় তাহলে হার্মিসের মধ্যে থাকা নির্বাচনটি মেম্বারের লাইফে রিক্স হয়ে যাবে। আর তার সাথে সাথে তাদের প্রত্যেকের আরো ৫৬১ দিন বেড়ে যাবে যে কারণে নাসার তরফ থেকে চেন্নাই টিম মেম্বারদের নতুন প্ল্যান সম্পর্কে জানানো হবে না। নাসার ডিরেক্টরদের মধ্যে থেকে একজন কমিটি মেম্বার কে এই নতুন প্ল্যান সম্পর্কে জানিয়ে দেয়। আর এই প্লেনটা যার বড় টিম মেম্বার এত দেরি করে না ওরা সঙ্গে সঙ্গে ডিসিশন নেয় ওরা এই নতুন প্ল্যান কাকে ফলো করবে আর ভাগ্নিকে মঙ্গল থেকে ফিরিয়ে আনবে সেজন্য আপনাকে কোন কিছু না জানিয়ে পৃথিবীর কাছে আসার পর আর নিজের দিক পরিবর্তন করে সেটাকে আবার মঙ্গলবার দিকে নিয়ে যেতে লাগে। সিলেকশন যাওয়া দেখে না এটা বুঝতে পারে পুরা ওয়ার্ল্ড থেকে বাঁচানোর জন্য আবার ফিরে যাচ্ছে যে কারণে পৃথিবীর কাছে আসার পর নাসার চায়নার দেওয়া আছে ওদের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়। আর খাবারগুলোকে রিসিভ করার পর ওরা আবার মঙ্গল গ্রহ দিকে এগিয়ে যায় একদিকে বাঁচানোর জন্য এবার দেখা যায়। এই ঘটনার সাত মাস হয়ে গেছে আর কম খাওয়ার কারণে উনি শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েছে।

নিজের ক্যাম্প ছেড়ে নাসার পরবর্তী নিচের দিকে এগোতে লাগে যেখানে ওর জন্য তাকে রাখা ছিল আর নতুন জায়গায় পৌঁছাতে বেশ কয়েক দিন টাইম লেগে যায় কারণ ওই জায়গাটা এখান থেকে তিন হাজার কিলোমিটার দূরে ছিল আরো আগে যেটা ছিল সেটা প্রত্যেকদিন ৭০ কিলোমিটার যেতে পারত না তারপর ব্যাটারিগুলো চার্জ করতে হতো। এইভাবে প্রত্যেক দিন ৪ ঘন্টা গাড়ি চালাতে আর তারপর সোলার প্যানেল এর সাহায্যে ১৩ ঘণ্টা ধরে গাড়ির ব্যাটারিতে চার্জ কত। এইভাবে আস্তে আস্তে অনাচার পরবর্তী সেশানে পৌঁছে যায় এবার ওখানে পৌঁছানোর পর একটা ছোট্ট সমস্যা দেখা দেয় সেটা হলো যে ম্যাপের সাহায্যে মঙ্গল গ্রহের অর গেটের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল। সেটার ওজন অনেকটা বেশি ছিল যে কারণে ওটার ভেতর থেকে সমস্ত অদরকারি জিনিস বাদ দিয়ে দিতে হয় যেমন হিটার কন্ট্রোলার জানলা-দরজা এমনকি হয় ছাদ পর্যন্ত খুলে বাদ দিতে হয়।

কারণ ওই ছাত্রী ছিল 400 কেজি ওজন কমানোর জন্য এই ম্যাচের কন্ট্রোলার টাকে খুলে বাদ দেওয়া হয়েছিল। সেজন্য ওয়ার্ড নিয়ে এখন নিজে থেকে টাকে চালাতে পারবে না ওর যোনির ভেতর থেকে এটা রিমোটের সাহায্যে কন্ট্রোল করবে। এবার সেই দিনটা চলে আসে যখন বয়ে আনার জন্য কাছে পৌঁছে যায় আর নিজের লাইফে মহাকাশে পৌঁছে যায় আপনি মহাকাশে আসার পর দেখা যায় অতীতে হার্মস্টার স্পিড অনেক বেশি ছিল। আর এখন যদি হার্টবিট কমানোর না হয় তাহলেও আমি কখনো নিজের কাছে পৌঁছাতে পারবে না সেজন্য হামিদের ক্যাপ্টেন ডিসিশান নে যে একটা বানিয়ে আমি যে সামনের দিকের একটা অংশ উড়িয়ে দেবে যে কারণে বিস্ফোরণের ফলে অনেকটা কমে যাবে আরে না তেমন টাই করে এক

একটা বোমের সাজে আর নিজের সামনের একটা ছোট্ট অংশ এরা উড়িয়ে দেয়। যার ফলে হার্মিসের স্পিড অনেকটা কমে আসে আর এবারের দূর থেকে দেখতে পায় এবার হোয়াটসেপে ধরার জন্য ওই টিমের ক্যাপ্টেন একটা ফ্লাইং চেয়ার এর সাহায্যে হার্মিস থেকে বেরিয়ে বাইরের দিকে এগিয়ে যায়। কিন্তু একটা টাইম এরপরে ওনার সাথে কথা শেষ হয়ে যায় কিন্তু আপনি তখন ওনার থেকে অনেক দূরে আর এখন যদি রাজনীতি ধরতে না পারে তাহলে আপনি এই ভাবেই মহাকাশের মধ্যে হারিয়ে যাবে।

সেজন্য ওয়ার্ড নেই নিজের হাতের কাছে একটা ছোট ফুটো করে আর ওটা থেকে বেরোনো হাওয়ার ফোর্স এর সাহায্যে আয়রন ম্যান এর মতন করে নিজের ক্যাপ্টেন এর কাছে পৌঁছায় আর ক্যাপ্টেন এর কাছে আসার পর নিজের থেকে বেরোনো হওয়ার কারণে ও ক্যাপ্টেনের হাত ছাড়িয়ে বেরিয়েছে কিন্তু চেয়ারের সাথে বেঁধে রাখা দড়িটাকে কোনোমতে ধরে ফেলে। এরপর আজ অনেকগুলো দিন আর অনেকটা চেষ্টার পর আবারও টিমমেটদের কাছে ফিরে আসে। আর এই খবরটা পাওয়ার পর্ন আসার সাথে সাথে পুরো পৃথিবীর মানুষ কোত্থেকে প্রচন্ড খুশি হয়ে যায়। এবার দেখা যাক এই পৃথিবীতে ফিরে এসছে অনেকগুলো দিন হয়ে গেছে এখনো নতুনদের রকেটের ট্রেনিং দেয় ওদের সবার সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে। আর ওদেরকে শেখায় কোন বিপদের মধ্যে কিভাবে মঙ্গল গ্রহে বেঁচে থাকতে হবে আর এখানেই এই সিনেমার গল্পটি সমাপ্ত হয়।

অল্প কিছু কথা


দ্যা মার্টিয়ান সিনেমাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন। কোনো কিছু ভুল হয়ে থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন ~ ধন্যবাদ

Leave a Reply

%d bloggers like this: