দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন সিনেমা – কোনো বিষয় কে মন দিয়ে চেষ্টা করলে পৃথিবীর সব কাজ করা সম্ভব

দ্য শশাঙ্ক রিডেম্পশন সিনেমা


১৯৯৪ সালের প্রকাশিত সিনেমাটিতে এক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর মিথ্যে খুনের অভিযোকে তাকে জাবদজীবন কারাদ্বন্দ্ব দেওয়া হয়। সে এই জেল থেকে পালাতে পারে কিনা এটাই দেখতে চলেছি। সিনেমাটি ডিরেক্ট করেছেন ফ্রাঙ্ক দারাবন্ত। সিনেমাটিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন টিম রোব্বিনস

The Shawshank Redemption আইএমডিবি রেটিং


১০ সেপ্টেম্বর মাসে ১৯৯৪ রিলিজ হয়া ১৪২ মিনিটের সিনেমাটি ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টোটাল বাক্স অফিস কালেকশন ৭৩.৩ মিলিয়ন ডলার টোটাল বাজেট ২৫ মিলিয়ন ডলার। দ্য শশাঙ্ক সিনেমাটির IMDb রেটিং ৯.৩

the shawshank redemption, the shawshank redemption cast, shawshank redemption imdb, shawshank redemption true story, shawshank

দ্য শশাঙ্ক মুভি স্টোরি

সিনেমার শুরুতে দেখা যায় তার স্ত্রী ওর বয়ফ্রেন্ডকে খুন করার অভিযোগে এনডির বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা চলছে। সেখানে এন্ড বারবার জানায় সে নির্দোষ সে এই কোনটি করেনি কিন্তু এখানে সমস্ত প্রমান এমডির বিরুদ্ধে ছিল। যে কারণে ওকে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে শাস্তি দেয়া হয় হিন্দি একটি ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিল। অল্প বয়সে অনেক সফলতা পেয়েছিল কিন্তু এখন বাকি জীবনটা কাটাতে হবে এনডিজে জেলটা আনা হয়েছিল। তার নাম হলো শশাংক অনেক কয়দিন ছিল। যারা ৩০ ৪০ ৫০ বছর ধরে এখানে আর আটকে রয়েছে। আর এত বছর ধরে জেলে জন্য বাইরের জগৎ সম্পর্কে সম্পর্কে সবকিছুই ভুলে গেছে। আর এই জেলটা তাদের নিজেদের পরিবারের মধ্যে চিনি এই ছেলের প্রধান দায়িত্বে ছিলেন।

তার নাম হলো তিনি দুটো জিনিসে বিশ্বাস করতেন কি ধর্ম আরেকটি ডিসিপ্লিন আর যদি কেউ তাদেরকে প্রচন্ড মারা হতো আর এক সময় মারা যেত ফিরে আসার পর জেলে আসার পর প্রথমদিকে আনতভাবে থাকতো আর কারো সাথে তেমন কোন কথা বলত না বেশ কয়দিন যাওয়ার পর তার পরিচয় হয় রেড নামে একটি কয়দিন সঙ্গে জেলের কয়েদিদের জন্য জিনিস নিয়ে আসার কাজ করতো এই কাজের জন্য সামান্য কিছু কমিশন এন্ডি রেটকে একটা ছোট্ট হাতুড়ি এনে দিতে বললে। তখন রেট জানতে চাই হাতুড়ি দিয়ে তুমি কি করবে এখান থেকে পালাবে নাকি ওটা দিয়ে ধরে মাথা ফাটাবে তখন জানায় হাতে হাতে পাওয়ার পর তুমি বুঝতে পারবে ওটা দিয়ে কি করা যেতে পারে এবার বেশ কয়েকদিন পর চোরাইপথে রেডমি হাতুড়ি থাকে জেলের মধ্যে নিয়ে আসে আর হাতের সামনাসামনি দেখার পরে হেসে ওঠে আর মনে মনে ভাবে এই হাতুড়ি দিয়ে তো জেল থেকে পালাতে গেলে 600 বছর সময় লেগে যাবে।

কারন হাতুড়িটা সত্যি সত্যি খুব ছোট ছিল এবার ওই হাতুড়িটা এন্ডি কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় । এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর জেলে কাজ করার সময় এর উপরে বেশ কয়েকজন কয়দিন হামলা করে এরা প্রত্যেকেই চলে গিয়েছিল। সেদিন আর তার পুরো টিমকে শারীরিকভাবে শোষণ করে থেকে এই ঘটনার সাথে মাঝে মাঝে ঘুরতে থাকে আর মাঝে মাঝেই শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যেত আর এই ঘটনাগুলো একসাথে বছর দুয়েক ধরে ঘুরতে থাকে বেশ কয়েকবছর এরকম চলার পর আর তাদের বন্ধুদেরকে মেরামত করার কাজে ঢুকানো হয়। এই কাজটা করছিল তখন পাশের জন কারড নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল আর ওদের কথাবার্তা থেকে জানতে পারে ওই কাদের মধ্যে থেকে হ্যাডলি নামের একজন তার ভাইয়ের কাছ থেকে 25 হাজার ডলার পেয়েছে। আর এই ব্যাপারটা নিয়ে প্রচণ্ড চিন্তা রয়েছে কারণ এই টাকার জন্য ওকে একটা মোটা অংকের টাকা ভরতে হবে এবার যেহেতু এই জেলে আসার আগে একটা বড় ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিল।

তাই জানতো এই টাকাটা কে কিভাবে tax-free করা যাবে এবার অ্যান্ডি হেটে যায় আর বেশ কয়েকটা প্রসেস বলে যার সাহায্যে ওই টাকার জন্য এক পয়সার ট্যাক্স দিতে হবে না। আর এই সাজেশনের জন্য অনেকগুলো টাকা সেভ হয়ে যায় আর এই কাজের জন্য খুশি হয়ে বন্ধুদেরকে ফ্রিতে এবার এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর আর তার বন্ধুরা এর উপরে আবার হামলা করে না। আর এখানে ওরা ইন্ডিজের শারীরিকভাবে শোষণ করার সময় এতটা বাজে ভাবে মারধর করে জ্যাক এক মাসের জন্য হসপিটালে ভর্তি থাকতে হয়। এই কাজের জন্য কালকটরিতে বন্ধ রাখা হয়। এমন একটা অন্ধকার ঘর যেখানে এক সপ্তা এক বছরের মত লাগে আর এটাই ছিল এই জেলের সবচেয়ে বড় আর ভয়ঙ্কর শাস্তি কালকে থেকে বেরিয়ে যখন তখন সেখানে ওয়েট করছি টাকা সেভ করেছিল। আর এখানে আসার পর হেডলি ওকে প্রচন্ড বাজেভাবে মার খাওয়ার জন্য সারা জীবনের জন্য খোড়া হয়ে যায়। আর ওর অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে খাবারের মধ্যে অপেক্ষা লিচু খেতে হয় এবার এক মাস পর এন্ড হসপিটাল থেকে জেলে ফিরে আসে এই ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর বেশ কয়েকটা কার্ড কে সঙ্গে নিয়ে একটা পরীক্ষা করতে আসে।

এরপর দেখা যায় ও ওখানে বাইবেল পরছে যেটা দেখে খুব খুশি হয় আর তারপর থেকে বাইবেলটা নিয়ে ওর সাথে কিছুক্ষণ কথা বলে। আর তারপর ওখান থেকে চলে যাওয়ার সময় ওয়েন্ডির বাইবেলটা ওকে ফেরৎ দিয়ে দেয় আর ওকে বলে মুক্তি পেতেই আছে পরীক্ষা করার পর খুব সন্তুষ্ট হয়। যেহেতু জেলের পাখি কয় দিনের তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষিত ছিল। সেজন্য ওকে সবার থেকে আলাদা করে লাইব্রেরীতে কাজ দেওয়া হয় যেহেতু একজন ব্যাংকার ছিল। আর ওদের সাজেশন এর জন্য 35 হাজার টাকা ট্যাক্স ফ্রি হয়ে গেছিল। সেজন্য জেলের বাকি সমস্ত লাইব্রেরী এন্ড ফিনান্সিয়াল সাজেশন ইতিহাস তো আর কয়েক বছরের মধ্যেই পাশে থেকেও সমস্ত তার কাছে ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করা যায়। তো আর এই ঘটনার পাশাপাশি সরকারের কাছে বারবার চিঠি লিখা আবেদন করতে। যে লাইব্রেরী বড় করার জন্য সরকারের তরফ থেকে কিছু সাহায্য পাওয়া যায় আর বেশ কয়েক বছর এই ভাবে চিঠি লেখার পর শেষমেষ আর ওই টাকা দিয়ে এন্ডি এই লাইব্রেরীটা কে নিউ ইংল্যান্ডের জেলাগুলোর মধ্যে সবথেকে ভালো লাগবে দিবা নিয়ে চলে। আর সেই সময় এই জেলের ওয়ার্ডেন জেলের বাকি সমস্ত কয়েদিদের নিয়ে ইনসাইড আউট প্রোগ্রাম শুরু করে। আর এই প্রোগ্রামটা হলো এই কয়দিনে দিয়ে জেলের বাইরে সমস্ত কাজ করানো হবে যাতে খরচ অনেক কম হবে আর সরকারের অনেক টাকা সেই ভাবে আরে ইনসাইড আউট প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ডেন বাইরে অনেক কাজের টেন্ডার ধরেছিল। আর ওখান থেকে ও প্রচুর টাকা ইনকাম করে ছিল যেগুলো সরকারকে দেওয়া জায়গায় নিজেই লুটে নিয়ে ছিল।

আর এই সমস্ত কালো টাকার হিসাব রাখতে হতো আর এই টাকাগুলো দিয়ে রাখার জন্য এগিয়ে রয়েছেন নামে একজন নকল মানুষের ব্যাংক একাউন্ট বানায় মানে এই নামের কোন মানুষের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু তার বাদ সাটিফিকেটের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে সেই নামের সমস্ত সরকারি ডকুমেন্টস বানানো আছে। আর ভবিষ্যতে যদি কখনো ধরা পড়ে তাহলে পুলিশ নকল মানুষটাকে খুজবে এদেরকে কখনই ধরতে পারবে না। এসব কিছুর বেশ কয়েকদিন পর রিজেলিয়াম নামে একজন নতুন কয় দিয়ে আসে। আর এখানে আসার পর আর তাদের পুরো টিমের সঙ্গে টমির ভাল বন্ধুত্ব হয়ে যায় বেশ কয়েকদিন পর কমরেড এর কাছে জানতে চায় এত লেখাপড়া জানে এত শিক্ষিত ও জেলের মধ্যে কি করছে। ওকে জানায় এখানে আসার আগে একজন বড় ব্যাংকার ছিল আরো নিজের ওয়াইফ আর তার বয়ফ্রেন্ডকে খুন করার জন্য এই জেলে আসছে। এরপর দেখা যায় আর সামনে দাঁড়িয়ে আছে আর তুমি ওদেরকে একটা ঘটনা শেয়ার করছে।

আমি ওদেরকে জানায় চার বছর আগেও অন্য একটা জ্বেলেছিল আর সেখানে ওর একটা কয়দিন সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। ওই জেলের মধ্যে সাথে গল্প করতে করতে ওকে জানায় একবারও একটা লোকের বাড়িতে চুরি করতে গেছিল। ওখানে চুরি করার সময় ও বাড়ির মালিকের হাতে ধরা পড়ে যায় তখন ওই বাড়ির মালিক আক্তার গার্লফ্রেন্ড দুজনকে গুলি করে মেরে দেয় আর পরেও জানতে পারে ওই মহিলাটা কোন একজন ব্যাংকারের স্ত্রীর বয়ফ্রেন্ড ছিল এর করা এই দুটো খুনের জন্য সে ব্যাংকারকে শাস্তি দেওয়া হয়। আর এটা শোনার পর পরই এর সাথে কথা বলে কিন্তু হোয়াট ইজ এ কোন কথার গুরুত্ব দেয় না। যেহেতু হোয়াইটেনের সমস্ত কালো টাকা হিসাবে রাখো তো সেজন্য ওয়ার্ডে কোন মতেই হাতছাড়া করতে যাচ্ছিল না। এসব কিছু দেখার পরে মুখে বলে আমি যদি এখান থেকে বের হই তাহলে আমি টাকা সম্পর্কে কাউকে কিছু বলব না। তখন বলে খবরদার যদি টাকার কথা তুমি কখনো মুখে নেয় এরপর ও এন ডিজিটাল কোটিতে বন্ধ করে দেয় এরপর একদিন রাতে তোমাকে খুব জ্বালাব সাথে গুলি করে মেরে দেয়। যাতে এনডিই জেল থেকে বেরোনোর সে সুযোগটা নষ্ট হয়ে যায় আর এই ঘটনার পর আর তার বন্ধুরা জানতে পারে আজ ১৯ বছর ধরে এখানে বিনা কারণে শাস্তি পাচ্ছে। এবার বেশ কয়েকদিন পর আন্টিকে কালকে থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

আর তারপর রিড অ্যান্ড সাথে কথা বলতে আসে ওকে বলে তোমার কি মনে হয় তুমি এখান থেকে কখনো বেরোতে পারবে যখন আমার বয়স হয়ে যাবে। আমার শরীরে কোন শক্তি থাকবে না হয়তো তখন এরা আমাকে ছেড়ে দেবে রান্ডি জানায় আমি এখান থেকে বেরিয়ে মেক্সিকোতে একটা ছোট্ট জায়গা ওই জায়গাটা এতটাই সুন্দর যে লোকজন ওখানে গেলে হারিয়ে যায়। ওখানে আমি একটা ছোট্ট হোটেল করবো আর কিছু বোর্ড নিয়ে সমুদ্রের মধ্যে মাছ ধরতে যাব আর ওখানে আমার তোমার মতন কিছু লোকের দরকার হবে বলে আমার মনে হয় না। আমি জেলের বাইরে থাকতে পারবো আমি আমার সারা জীবন এই জেলের মধ্যে কাটিয়েছি আর এখন এটাই আমার জীবন হয়ে গেছে আর তুমি যে স্বপ্নগুলো দেখছো।

সেগুলো ভুলে যাও মেক্সিকো এখান থেকে অনেক দূর আর আমরা জেলের মধ্যে আছি আর এটাই সত্যি তখন উত্তর দেয় হ্যাঁ তুমি ঠিক বলেছ মেক্সিকো এখান থেকে অনেক দূর আমার কাছে এখন রাস্তা আছে হয়। এখানে দমবন্ধ করে বেঁচে থাকতে হবে অথবা মরে যেতে হবে আরও বলে তুমি যদি এখান থেকে কখনো বেরোতে পারো তাহলে আমার একটা কাজ করে দেবে বলে অবশ্যই করব বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে একটা পাথরের দেয়াল আছে একদম সবার থেকে আলাদা আর ওই পাথরের নিচে কিছু জিনিস রাখা আছে তুমিও গুলোকে নিজের কাছে রেখে দেবে। এবার খেতে বসে রেড তার বাকি বন্ধুদের সঙ্গে বলছিল আন্টিকে নিয়ে আমার খুব চিন্তা হচ্ছে দিনের বেলায় তো আমরা ওর উপরে নজর রাখতে পারব কিন্তু রাতে তো উপরে একা থাকবে তখন ওদের মধ্যে থেকে একজন জানায় আজ ত্বেন্টি আমার কাছ থেকে ৬ ফুট লম্বা একটা দৌরি নিয়ে গেছে। আর এটা শোনার পর সবাই খুব চিন্তায় পড়ে যায় আর অন্যদিকে দেখা যায় ইন্ডিয়া টিনের ঘরে বসে তার কালো টাকার হিসাব করছে তারপরও হিসাবে সমস্ত ফাইল ওয়ার্ডের মধ্যে রেখে দেয়। এবার হোটেলের রুমে কাজ কমপ্লিট করার পর এন্ডি নিজের ছেলে ফিরে আসে আর সেদিন রাতে এসে ডেকে নিয়ে প্রচন্ড চিন্তায় ছিল।

পরের দিন সকালে আবার সমস্ত শ্রেনীর লোক খুলে দেওয়া হয়। এবার সমস্ত কয়দিন নিজেদের সেল থেকে বেরোয় শুধু এছাড়া এবার অনেক ডাকাডাকির পরেও এন্ড ই-সেল থেকে বেরোচ্ছে না। দেখে একজন গার্ড ও ছেলের মধ্যে আসে আর ওখানে আসার পর পুরো চমকে যায়। এর মধ্যে একটি ছিল না সেটা ছিল আর এই ঘটনার পর ওখানে আসে আর ওকে বলে আমি এক্ষুনি আন্টিকে এখানে দেখতে চাই আর এরপর প্রশ্ন করে তুমি তোর বন্ধু তুমি বলো কোথায় গেছে। আমিতো কিছুই জানিনা আর এটা শোনার পর প্রচন্ড রেগে যায়। আর ওখানে বেশ কিছু পাথরের টুকরো ছিল সেগুলো এদের দিকে ছুড়ে মারতে লাগে। আর ওর থেকে একটা পাথরের দেয়ালের দিকে ছুড়ে যেখানে একটা মডেলের বড় পোস্টার লাগানো ছিল। আর ওই পাথর টা দেখার পরে ছিটকে ফেলে আসা যায় না সোজা দেয়াল ভেদ করে চলে যায় এবার ওরা যখন হয় তখন ওরা দেখতে পায় ওখানে একটা লম্বা গোল সুরঙ্গ করে ওখান দিয়ে পালিয়ে গেছে। যেটা দেখে ওরা সবাই প্রচন্ড চমকে যায় এইরকম একটা গর্ত করতে গেলে অনেক বড় মেশিনের দরকার হবে আজ থেকে কুড়ি বছর আগে এই দিকে যে হাতিটা এনে দিয়েছিল।

সেই ছোট্ট হাতে দিয়ে মাত্র কুড়ি বছরের মধ্যে এন্ডি এখান থেকে সুরঙ্গ করে পালিয়ে যায় আর অনেক খোঁজার পর পুলিশ এর ব্যবহার করা সেটা খুঁজে পায় আগের দিন রাতে এমনভাবে কাজ করছিল তখন ও হিসাবের ফাইল গুলোকে সরিয়ে নিজের বাইবেলের ঢুকিয়ে দেয়। আর তারপর রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর নিজের জামার মধ্যে ওয়ার্ডেনের জামা কাপড় পড়ে ছেলের মধ্যে ফিরে আসে। আর রাতে যখন জেলে আলো বন্ধ করা হয় তখন সে জামাকাপড় জুতোটা কেউ একটা প্যাকেট এর মধ্যে ঢুকায় আর তারপর সেটাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে শরীর আর একটা মাথা নিজের পায়ের সঙ্গে বেঁধে জেল থেকে বেরোনোর জন্য উলঙ্গ থেকে বেরিয়ে। আন্টিকে একটা নোংরা নালার মধ্যে দিয়ে আসতে হয় এই মালাটা অলমোস্ট পাঁচটা ফুটবল মাঠের মতো লম্বা ছিল। পরের দিন সকালে যখন এবং বাকি সবাইকে করছিল তখন সে যেখান থেকে সমস্ত টাকা তুলে নেয়।

কোন রকম বিপদের হাত থেকে বাঁচার জন্য ওয়ার্ডের নামের এই নকল মানুষের অ্যাকাউন্ট খুলে তার নামে সমস্ত টাকা জমাতো আর। সেই মানুষটা সেজেই ব্যাংক থেকে সমস্ত টাকা তুলে নেয় কারণ এর কাছে সমস্ত ডকুমেন্টস ছিল। আগের দিন রাতে ঘর থেকে বেরোনোর সময় সমস্ত রকমের সাথে করে নিয়ে আসে একইসাথে ওয়ার্ড এর সমস্ত দুনম্বরী কাজের প্রমাণ হিসেবে কাগজগুলো একটা প্রেস এর কাছে পাঠিয়ে দেয়। আর পরের দিনের নামে কাগজের সবকিছু ছাপিয়ে দেওয়া হয় পরের দিন সকালে পেপার দেখার সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডের নিজের টা চেক করে আর সেখানেও দেখতে পায় হিসাবের কাগজের জায়গায় সেখানে রাখা আছে। আর বাইবেলটা খোলার পর দেখা যায় ওর প্রথম পাতায় লেখা আছে।

ডিয়ার মর্নিং কি বলেছিলে মনে আছে আজ থেকে কুড়ি বছর আগে ওয়ার্ডেন যেটাকে এর কাছে দেখেছিল। আর ওটাকে খোলার পর দেখা যায় ওর ভেতরে হাত চেপে কাটা আছে। কুড়ি বছর আগে যখন বাইবেলটা হাতে পেয়ে ছিল তখন হাতটা ওর মধ্যেই ছিল যদি থাকে তখন খুঁজে পেত তাহলে অনুমতি প্রার্থনা এবার ওয়ার্ডেন কে এরেস্ট করার জন্য ওখানে পুলিশ

কুলি করে আত্মহত্যা করে এসব ঘটনার অনেকদিন পর জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জেল থেকে বেরোনোর পর আন্টিকে দেওয়া কথা মতন রেড বাস স্ট্যান্ডের কাছে গিয়েছে। কাল পাথরটাকে খোঁজে পাথরটা খোঁজার পর দেখা যায় সেখানে বেশ কিছু টাকা আছে আর তার সাথে যেতে সেখানে রেডের জন্য একটা চিঠি লেখা আছে ওই চিঠিতে লিখেছিল। লেখা ছিল তোমার সেই জায়গাটার নাম মনে আছে তখন রেট হলেও চিঠিতে আরো লেখা ছিল।

আমি ওখানে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি এরপর নিজের জামাকাপড় পড়ে ওই জায়গাটায় চলে যায় আর ওখানে যাওয়ার পরে দেখতে পায় এন্ডি একটা নৌকার উপরে বসে কিছু কাজ করছে। আর ওখানে ডিলিট কে দেখতে পেয়ে খুবই খুশি হয়। নিজেদের সারাটা জীবন জেলের মধ্যে কাটানোর পর অবশেষে এরা দুজন এখন মুক্ত আর এখন ওরা নিজেদের জীবনটাকে সেই ভাবে বাঁচতে পারবে যেগুলোকে জেলের মধ্যে বসে ওরা স্বপ্ন দেখত আর এখানেই সিনেমার গল্পটা শেষ হয়

পর্বতআরোহীদের ভয়ঙ্কর পরিস্তিতির উপর তৈরি কাহিনী 127 আওয়ার্স

আমাদের কিছু শব্দ আমাদের আটিক্যালটি পড়ে ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন। আরো নুতন নুতন আটিক্যাল পাওয়ার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটটি ফ্লো করুণ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: